
পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভের কেন্দ্রে থাকা জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেকেজেএএসি) ভারতের মদদ পাওয়ার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির দাবি, তাদের আন্দোলন সম্পূর্ণভাবে স্থানীয় জনগণের রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর সঙ্গে ভারতের

ভারত-শাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকা বই, গবেষণাপত্র ও একাডেমিক প্রকাশনা পর্যালোচনার সরকারি নির্দেশকে ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এটি একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ এবং কাশ্মীরের ইতিহাসকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাকিস্তান যখন ভারতের সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে, সেই সময় সর্বশেষ বঙ্গোপসাগরে একটি সাবমেরিন পরিচালনা করেছিল ইসলামাবাদ। সাবমেরিনটি সে সময়ই ধ্বংস হয়ে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হওয়া এক তরুণীর সঙ্গে দেখা করা, পৈতৃক সম্পত্তির দাবি জানানো এবং নতুন জীবন শুরু করার স্বপ্ন নিয়ে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিক কাশ্মীরের ২২ বছরের এক তরুণ নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন।