রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার এ ঘোষণা দেন। উপাচার্য বলেন, আগামীকাল রোববার ও সোমবারের সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।
সংঘর্ষ শুরুর প্রায় চার ঘণ্টা পর রাত ১০টার দিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার। এ সময় উপাচার্য হাতমাইকে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমাদের প্রতি অনুরোধ, হলে ফিরে যাও। তোমাদের জন্য প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। রুমে যাও তোমরা। এ ঘটনায় প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে।’
এর আগে বাসের টিকিট কাটা নিয়ে রাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ শুরু হয় সন্ধ্যা ৬টার দিকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিনোদপুর গেটে শুরু হয় এই সংঘর্ষ। এতে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া বিনোদপুর গেটের আশপাশের দোকানে শিক্ষার্থীরা আগুন লাগিয়েছেন বলে জানা গেছে।
সংঘর্ষের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহউপাচার্য অধ্যাপক সুলতান উল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। আহত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় অবৈধভাবে অতিরিক্ত বালু বোঝাই করে চলাচলের অভিযোগে ৯টি ড্রাম ট্রাকের চালককে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ট্রাকগুলো জব্দ করা হয়।
২০ মিনিট আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকের টাকা জোগাড় করতেই চার বন্ধু মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। গত শনিবার (৭ মার্চ) অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সিয়ামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ। হত্যার পর সিয়ামের ব্যবহৃত দামি আইফোন ও নগদ টাকা নিয়ে নেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষের সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় মনিরুজ্জামান আক্তার হাওলাদারের চাচাতো ভাই ও তাঁর সমর্থক আলমগীর হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার বাদী হাবু মিয়া অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এরই মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে ২৭ আসামি আগাম জামিন নেন। এরপর ৮ মার্চ কিশোরগঞ্জ জেলা জজ আদালত থেকে এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে ১৬ জন পুনরায় জামিন পান।
২ ঘণ্টা আগে