মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী সশস্ত্র জোট গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে। এরই মধ্যে রাখাইন রাজ্যের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) এবং ওয়া রাজ্যের ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির (ইউডব্লিউএসএ) শীর্ষ নেতারা সাক্ষাৎ করেছেন। দেশটির শান রাজ্যের মোংলা নামক অঞ্চলে তাঁরা সাক্ষাৎ করেন।
মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আরাকান আর্মির ডেপুটি কমান্ডার ইন চিফ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নায়ো তুন অং এবং ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির ডেপুটি লিডার বাও আই শান পরস্পরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জেনারেল নায়ো তুন অংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে কাচিন ইনডিপেনডেন্ট আর্মির হেডকোয়ার্টার লিয়াজা থেকে মোংলায় আসেন।
ইউনাইটেড ওয়া স্টেট আর্মির মুখপাত্র দ্য ওয়া মিডিয়া জানিয়েছে, এ দুই নেতার সাক্ষাতের উদ্দেশ্য হলো—দুই বাহিনীর নেতাদের মধ্যে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
এদিকে মিয়ানমারের কারেন ও মন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে আসন্ন মৌসুমে তীব্র লড়াই হবে বলে অগ্রিম ঘোষণা দিয়েছে। ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (কেএনইউ) এই ঘোষণা দিয়েছে। কেএনইউর সশস্ত্র শাখা কারেন ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং কারেন ন্যাশনাল ডিফেন্স অর্গানাইজেশন এই মুহূর্তে কারেন ও মন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইরত।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অভ্যুত্থানের পর থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত কেএনইউর সশস্ত্র শাখা জান্তা বাহিনীর সঙ্গে ৬ হাজার ৩৫৬ বার সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এই সময়ে তাঁরা জান্তা বাহিনীর ৫ হাজার ১২৫ জন সেনাকে হত্যা করেছে। বিপরীতে নিজেরা হারিয়েছে ১৩৭ জন প্রতিরোধযোদ্ধা।
কেএনইউ দেশটির জান্তাবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর জোট ন্যাশনাল ইউনিটি কনস্যুলেটিভ কাউন্সিলের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আদালত যে জরুরি ক্ষমতার আওতায় শুল্ক আরোপের পথ আটকে দিয়েছে, তার পরিবর্তে তিনি অন্য আইনি পন্থা ব্যবহার করবেন—যেগুলো থেকে আরও বেশি রাজস্ব আদায় সম্ভব হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্যবস্তু করার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে এই খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ইরানের শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টাও এই...
৭ ঘণ্টা আগে
গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় প্রতিটি দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসান। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, এই শুল্ক ছাড়া আমেরিকা ধ্বংস হয়ে যাবে এবং বিশ্ব আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করবে।
৮ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ ‘বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক’ বা ট্যারিফকে বেআইনি ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। আজ শুক্রবার প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ ৬-৩ ভোটে এই রায় দেন।
৯ ঘণ্টা আগে