
সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বিএম কনটেইনার ডিপোতে রাসায়নিক বিস্ফোরণে স্বাস্থ্যঝুঁকির অবস্থা খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ শুক্রবার বেলা ১১টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক (পরিকল্পনা) ডা. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে তাঁরা ঘটনার পরবর্তী অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো. সফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, মেডিকেলের কিডনি বিশেষজ্ঞ এনামুল হক শামীম, ডিএনসিসি ডেডিকেডেট কোভিট হাসপাতালের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অনিন্দিতা শবনম কোরেশী, সহকারী পরিচালক ডা. মহিউদ্দিন আহমেদ, সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুর উদ্দিন রাশেদ, ইভাল্যুয়েটর ডা. ফাবলিনা নওশিন, আইএইচআরের ডাটা ম্যানেজার রাকিবুল ইসলাম, বিসিআইসির ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি অ্যান্ড হেলথ ডিপার্টমেন্টের কেমিস্ট মো. জিয়াউল হক, ডেপুটি চিফ কেমিস্ট হুমায়ন কবির প্রমুখ।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ ও লাইন শাখার পরিচালক (পরিকল্পনা) ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা রোগনিয়ন্ত্রণ শাখায় রেডিয়েশন হ্যাজার্ড ও কেমিক্যাল হ্যাজার্ড বিষয়ে কাজ করি। বিএম ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডে রাসায়নিক বিস্ফোরণে কী ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়েছে তা খতিয়ে দেখতে আমরা এখানে এসেছি।’
নাজমুল ইসলাম জানান, বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়া রোগীরা চমেকে কীভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন তা-ও দেখবেন তাঁরা। পরিদর্শন-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের ঘটনায় যেন স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো যায়, সে বিষয়ে কাজ করবেন তাঁরা।

জেলার ১৩টি উপজেলায় নামে-বেনামে গড়ে উঠেছে কয়েকশ সেমাই কারখানা। স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে এসব কারখানার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।
১ ঘণ্টা আগে
সাতক্ষীরায় জনবলের অভাবে অযত্ন ও অবহেলায় পড়ে রয়েছে মাছের ভাইরাস পরীক্ষার আট কোটি টাকার ল্যাব। এদিকে ভাইরাস পরীক্ষার সুযোগ না থাকায় প্রতিবছর মরে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার চিংড়ি। মৎস্যজীবীদের দাবি, অবিলম্বে জনবল নিয়োগ দিয়ে সচল করা হোক বহুল কাঙ্ক্ষিত এই ল্যাব।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীতে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কেনাকাটা জমে উঠেছে। গতকাল শুক্রবার নগরীর বাণিজ্যিক এলাকা চকবাজার, গির্জামহল্লা, বিবির পুকুর পাড়ের বিপণিবিতানগুলোতে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। নগরীতে গরিবের বাজার খ্যাত হাজী মো. মহসীন মার্কেট এবং সিটি মার্কেটেও ঈদবাজার করতে এসেছেন অনেকে।
৬ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের তালিকায় বিশেষ স্থান করে নিয়েছে ‘ফকির কবিরের’ চাক সেমাই। প্রায় ৯০ বছরের ঐতিহ্য ও স্বাদের ধারাবাহিকতায় এখনো জনপ্রিয় এই সেমাই। নগরের চকবাজার এলাকার কাপাসগোলা সড়কের তেলিপট্টির মুখে অবস্থিত মেসার্স ফকির কবির বেকারি।
৬ ঘণ্টা আগে