৭৫ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিশ্বের শত শত সিনেমা থেকে এবার ২২টি সিনেমা ‘অফিশিয়াল সিলেকশন’ বিভাগে রয়েছে। গত ১৭ মে থেকে কানের পালে দ্যা ফেস্টিভ্যাল ভবন ও পার্শ্ববর্তী সিনেপ্লেক্সে দেখানো হচ্ছে। আর এই সিনেমাগুলো থেকে একটি বেছে নেওয়া হবে সম্মানজনক পুরস্কার পাম ডি’ অর বা স্বর্ণপামের জন্য।
দ্য ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে জানা যায়, ২৩ মে পর্যন্ত যে সিনেমাগুলো প্রদর্শিত হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে ‘ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস’। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন মার্কিন অভিনেতা উডি হ্যারেলসন। সিনেমার গল্পের পাশাপাশি পরিচালনা করেছেন সুইডিশ নির্মাতা রুবেন ওস্টলুন্দ। গত ২২ মে সিনেমাটি বড় পর্দায় দেখানো হয় প্যালেস থিয়েটারে। প্রদর্শনী শেষ হওয়ার পর আট মিনিট দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দর্শকেরা। এবারের উৎসবে কোনো সিনেমা এত দীর্ঘ সময় করতালি পায়নি।
এ বিষয়ে ছবির প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে পরিচালক ওস্টলুন্দ বলেন, ‘চমৎকার স্ক্রিনিং! দর্শকদের অভিনন্দন আমাদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে গেছে। সবার প্রতি ভালোবাসা রইল।’
কান চলচ্চিত্র উৎসবের সবশেষ খবর পেতে - এখানে ক্লিক করুন
সিনেমা দেখার পর হেয়ারফিল্ড নামের একজন ইউটিউবার বলেন, ‘রুবেন ওস্টলুন্দের ‘‘ট্রায়াঙ্গেল অব স্যাডনেস’’ খুবই আনন্দদায়ক সিনেমা। ২০২২ সালের সেরা সিনেমা হিসাবে এটি সবারই দেখা উচিত।’
অ্যামি স্মিথ নামের একজন সাংবাদিক বলেন, এবারের কান উৎসবে এখন পর্যন্ত দেখা এটিই সেরা। শেষ পর্যন্ত যদি এই সিনেমা পুরস্কার না পায় তাহলে খারাপ লাগবে।
সিনেমাটির স্বর্ণপাম জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন অনেক দর্শক। ছবিটির পরিচালক রুবেন ওস্টলুন্দ ২০১৭ সালে ‘দ্য স্কয়ার’ সিনেমার জন্য স্বর্ণপাম জয় করেছিলেন।
কান চলচ্চিত্র উৎসব সম্পর্কিত পড়ুন:

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
৪ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
৫ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
৫ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
৫ ঘণ্টা আগে