Ajker Patrika

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: কাঠগড়ায় কাঁদলেন স্বপ্না, মারতে গেলেন সোহেলকে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৪ জুন ২০২৬, ১৯: ২০
পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: কাঠগড়ায় কাঁদলেন স্বপ্না, মারতে গেলেন সোহেলকে
আদালতে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না বেগম। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী রোববার মামলার রায় ঘোষণা করবেন আদালত। শুনানিকালে আদালতের কাঠগড়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েন মামলার আসামি স্বপ্না খাতুন ওরফে স্বপ্না বেগম।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাঁদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

শুনানির আগে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে আদালতে হাজির করা হয়। সকালে স্বপ্নাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার ও সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। তবে ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার আগে স্বপ্না অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এজলাসে নেওয়ার পর থেকে কান্না করতে থাকেন স্বপ্না। শুনানির একপর্যায়ে বেলা ১টার দিকে তিনি হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান। এ সময় আদালতে দায়িত্বরত দুই নারী পুলিশ সদস্য তাঁকে নিবৃত করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আদালতকক্ষে শোরগোল শোনা যায়।

পরে বিচারক মাসরুর সালেহীন আসামিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা দুজন নীরবে যুক্তিতর্ক শুনুন। গতকাল আপনাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য শুনেছি। আজ যুক্তিতর্ক শুনবেন। অন্যথায় আপনাদের হাজতখানায় পাঠানো হবে।’

বিচারকের নির্দেশের পর পরিস্থিতি শান্ত হলেও স্বপ্নাকে অঝোরে কাঁদতে দেখা যায়। অন্যদিকে সোহেল রানা নীরবে আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত আগামী রোববার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত