কানের লাল গালিচায় এবার নগ্ন হয়ে ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের প্রতিবাদ করলেন এক নারী। শুক্রবার কান উৎসবের লাল গালিচা দাঁড়িয়ে ওই ইউক্রেনীয় নারী নিজের গায়ের কাপড় খুলে ফেলে সবার উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলেন—‘আমাদের ধর্ষণ করা বন্ধ করুন’। এ সময় তাঁর পরিহিত অন্তর্বাসে রক্তের মতো ছোপ ছোপ লাল দাগ দেখতে পাওয়া যায়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির পৃথক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, রোজ বারট্রাম নামের ওই নারীর শরীরে ইউক্রেনের পতাকা আঁকা ছিল। উৎসবের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিতরা আসা পর্যন্ত তিনি নগ্ন হয়েই ফটোশ্যুটের জন্য পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে তাঁকে নিরাপত্তাকর্মীরা সেখান থেকে পোশাকে ঢেকে সরিয়ে নেয়। আর এ সময় অতিথিদের আসা যাওয়া সাময়িক সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, গত মাসে রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের এলাকাগুলোতে শিশুদের যৌন নিপীড়নসহ ‘শত শত ধর্ষণের ঘটনা’ ঘটছে বলে তিনি তদন্তে জানতে পেরেছেন।
এদিকে গত মঙ্গলবার কান উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর দেশের জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও জমা দিয়েছেন জেলেনস্কি। সেই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রুশ বাহিনী গত মাসে ইউক্রেনের নির্মাতা মানতাস কেভেদারাভিসিয়াসকে মেরে ফেলেছে। গত বৃহস্পতিবার তাঁর নির্মিত একটি ডকুমেন্টারি ‘মারিউপোলিস ২’ প্রদর্শিত হওয়ার পর যুদ্ধের বিষয়টি কান উৎসবে প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজ শনিবার ইউক্রেনের বিপর্যস্ত চলচ্চিত্র নির্মাতারা কান উৎসবে একটি বিশেষ দিন পাবেন। এ দিন ইউক্রেনের অন্যতম প্রতিশ্রুতিশীল নির্মাতা সের্গেই লোজনিতসার ‘দ্য ন্যাচারাল হিস্ট্রি অব ডিসট্রাকশন’ দেখানো হবে। চলচ্চিত্রটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মান শহরগুলোতে বোমা হামলা নিয়ে নির্মিত।
কান চলচ্চিত্র উৎসব সম্পর্কিত পড়ুন:

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
৬ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
৬ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
৭ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
৭ ঘণ্টা আগে