বিশ্বখ্যাত কান চলচ্চিত্র উৎসব মানেই বিভিন্ন দেশের তারকাদের মিলনমেলা। বরাবরের মতো এবারের আসরেও লাল গালিচায় আলো ছড়াচ্ছেন বিশ্বের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা। এই তালিকায় আছেন একাধিক ভারতীয় তারকা। আর লাল গালিচার ফ্যাশন নিয়ে যেভাবে চর্চা হয়, পোশাক নিয়ে যে পরিমাণ আলোচনা হয়, সেদিকে নজর রেখেছেন ভারতীয় অভিনেত্রীরা। দীপিকা পাড়ুকোন থেকে ঐশ্বরিয়া রাই, প্রত্যেকের লুকই প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সঙ্গে কান চলচ্চিত্র উৎসবের সম্পর্ক দীর্ঘ সময়ের। কানের লাল গালিচায় অভিনেত্রীকে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকেন ভক্তরা। বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই উৎসবের ৭৫ তম আসরেও ব্যতিক্রম হয়নি। এবারের প্রথম ঝলকেই আলো ছড়িয়েছেন ঐশ্বরিয়া। প্রতি বছরের মতো এবারও পোশাকে ছিল ভিন্নতা। লাল গালিচায় এই অভিনেত্রী হেঁটেছেন ডলচে অ্যান্ড গাব্বানার তৈরি কালো গাউন পরে। লাল, হলুদ ও গোলাপি রঙের ফুলে সেজেছিল তাঁর গাউনের এক অংশ।
কানের তৃতীয় দিনে ঐশ্বরিয়া দেখা দিলেন একদম অন্য় লুকে। একটি শিমারি গাউন পরেছিলেন ঐশ্বরিয়া। ভারতীয় ডিজাইনার গৌরব গুপ্তার তৈরি এই গাউনে দারুণ লাগছিল তাঁকে, যেন চোখ ফেরানো যাচ্ছিল না। সঙ্গে মানানসই কানের দুল পরেছিলেন। খোলা চুলে আকর্ষণীয় লাগছিল সাবেক এই বিশ্বসুন্দরীকে।

বলিউড সুপারস্টার দীপিকা পাড়ুকোন উৎসবের প্রথম দিন লাল গালিচায় তাঁর প্রিয় ডিজাইনার সব্যসাচীর কালেকশনের শাড়ি বেছে নিয়েছিলেন। অভিনেত্রী সব্যসাচীর একটি স্ট্রাইপ প্যাটার্নের শাড়ি পরেছিলেন। ট্র্যাডিশনাল ড্রেপিংয়েই দারুণ মানিয়েছিল দীপিকাকে। ট্র্যাডিশনাল এবং মডার্ন ডিজাইনের একটি সংমিশ্রণ ছিল। সঙ্গে অফ শোল্ডার ব্লাউজ পরেন এই তারকা অভিনেত্রী।
কানের তৃতীয় দিনে দীপিকা যে লাল রঙা এলভি গাউনটি পরেন, এটি লুই ভিতোঁ’র কাস্টম ক্রিয়েশন। উজ্জ্বল ক্রিমসন রেডের গাউনটিতে অসাধারণ লাগছিল দীপিকাকে। এর নেকলাইনটিও ছিল আকর্ষণীয়। সেই সঙ্গে জাঁকালো হিরার নেকলেস নজর কেড়েছে সবার।

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
৬ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
৬ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
৭ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
৭ ঘণ্টা আগে