রুশ হামলায় মারিউপোল শহর ‘বিধ্বস্ত’ হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের মারিউপোল শহরের মেয়র ভাদিম বোইচেঙ্কো। ইউক্রেনের এক টেলিভিশনের লাইভ সম্প্রচারে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্ব বন্দর নগরী মারিউপোলে অবিরাম গোলাগুলি চলছে। রুশ সেনারা আমাদের সাধারণ মানুষদের মেরে ফেলছে। তাদের গোলার আঘাতে আমাদের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাঁচ দিন ধরে রুশ সেনারা মারিউপোল শহরে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শহরটির মেয়র।
মেয়র ভাদিম বোইচেঙ্কো বলেছেন, রুশরা আমাদেরকে কামান দিয়ে মারছে, গোলা ছুড়ছে, বিমান হামলা করছে। তারা পুরো শহরকে বিধ্বস্ত করে ফেলেছে।
এদিকে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, ইউক্রেনের দক্ষিণের শহর খেরসন ঘিরে ফেলেছে রুশ বাহিনী। শহরটি মাইকোলাইভ ও নিউ কাখোভকার মধ্যবর্তী শহর। খেরসনের প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসির প্রতিবেদককে বলেছেন, রুশ সেনারা বিমানবন্দর থেকে নিকোলায়েভ হাইওয়ে ও কোল্ড স্টোরেজ প্ল্যান্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিক ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের ষষ্ঠ দিনে একটি স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সার টেকনোলজি। সেই স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের দিকে ৪০ মাইল দীর্ঘ এক ট্যাংকবহর এগিয়ে যাচ্ছে।
ম্যাক্সার টেকনোলজির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কিয়েভের উত্তর পশ্চিম এলাকায় প্রায় ৪০ মাইল দীর্ঘ (৬৫ কিলোমিটার) সেনাবহর দেখা গেছে। এর আগের দিন সেনাবহরটি ১৭ মাইল দীর্ঘ ছিল।

তিন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলাম বিষয়ক বিশিষ্ট গবেষক ও সুইস বংশোদ্ভূত একাডেমিক তারিক রমাদানের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে বিচার শুরু হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
৫ ঘণ্টা আগে
বাহরাইনের একটি বন্দরে নিক্ষিপ্ত অজ্ঞাত দুটি বস্তুর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’। স্থানীয় সময় সোমবার ভোরে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে দুটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার দাবি নাকচ করেছে ইরান। হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। গত রোববার রাতে ও গতকাল সোমবার উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তারা। হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৬ ঘণ্টা আগে