
পতনের মুখে রাজধানী কিয়েভ। যদিও ইউক্রেন সরকারের পক্ষ থেকে রাজধানী রক্ষায় সর্বশক্তি দিয়ে রুশ সেনাদের প্রতিহত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ক্রেমলিন থেকে জানানো হলো, ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রস্তুত রাশিয়া।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ আজ শুক্রবার বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনার জন্য বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে একটি প্রতিনিধিদল পাঠাতে প্রস্তুত।
পেসকভ রুশ বার্তা সংস্থাগুলোকে বলেন, এই প্রতিনিধিদলে রাশিয়ার পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিত্ব থাকতে পারে।
এদিকে রাশিয়ার রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কোর পক্ষ থেকে সদ্য স্বাধীন স্বীকৃতিপ্রাপ্ত দোনেৎস্ক প্রজাতন্ত্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং লুহানস্ক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই লাভরভ। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইউক্রেন অস্ত্র সংবরণ করলেই রাশিয়া তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। যেকোনো সময়ই এটি হতে পারে।
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একজন উপদেষ্টা ইঙ্গিত দেন, মস্কোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে কিয়েভ। ন্যাটোর বিষয়ে ইউক্রেনের নিরপেক্ষ অবস্থান নেওয়ার ব্যাপারেও কিয়েভের অঙ্গীকারের কথা জানান তিনি।
পেসকভ বলেন, এসব অপরিহার্য অংশ হচ্ছে ইউক্রেনের নিরস্ত্রীকরণ। অর্থাৎ রাশিয়া ইউক্রেন দখল করতে চায় না, পুতিন চান কিয়েভের নিরস্ত্রীকরণ।
রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমন ঘোষণার আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি রাশিয়ার প্রতি যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে পশ্চিমা মিত্রদেরও এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় দেশটির মাটি ব্যবহার করতে দেবে না সরকার। দেশটির আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রিম আল হাশিমি এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরব ও কুয়েতের পর এবার লেবাননের বৈরুতে মার্কিন দূতাবাস বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ। হামলার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের উপসাগরীয় মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানের হামলা থেমে নেই। বরং সামনে হামলা আরও জোরদার হতে পারে বলে হুমকি দিয়েছে ইরানের প্রভাবশালী রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুন এক বৃহৎ শরণার্থী সংকট তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ)। সংস্থাটি বলছে, ইরানের মোট জনসংখ্যার মাত্র ১০ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হলেও সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় শরণার্থী প্রবাহে পরিণত হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে