১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার ভয়াবহ ঘটনাটি যখন ঢাকায় ঘটছিল, তখন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বিদেশে ছিলেন। ১৪ আগস্ট দুই বোন আমস্টারডাম শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া খাল ও আমস্টেল নদীর তীরঘেঁষা সরু রাস্তায় ঘুরতে বের হয়েছিলেন। এরপর তাঁরা বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে আসেন। বেলজিয়ামে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সানাউল হকের বাড়িতে ছিলেন তাঁরা। আদর-আপ্যায়নের কমতি ছিল না। সানাউল হকের মেয়েদের সঙ্গে খুব ভাব হয়ে যায় শেখ রেহানার। তাঁরা নানা কারণে হো হো করে হাসছিলেন। আর তখন ওয়াজেদ মিয়া ধমক দিয়ে বলেছিলেন: ‘এত হাসাহাসি ভালো নয়, এতে সারা জীবন কাঁদতে হতে পারে!’
মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শেখ হাসিনা আর শেখ রেহানার জীবন একেবারে বদলে গেল। খবর এল, ঢাকায় গোলমাল হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কন্যা হিসেবে শেখ হাসিনা আর শেখ রেহানাকে যে খাতির-যত্ন করছিলেন সানাউল হক, এক দিনের ব্যবধানেই তা বদলে গেল। সানাউল হককে শোক সংবাদটি দিতে ফোন করেছিলেন পশ্চিম জার্মানিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। তাঁকে সানাউল হক বলেন, ‘আপনারা বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যাকে এখানে পাঠিয়ে তো আমাকে বিপদে ফেললেন।’
সানাউল হকের সঙ্গে কথা বলে খুবই হতাশ হয়ে পড়েন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। সোফায় বসে থাকেন কিছুক্ষণ। এরপর খানিকটা উঁচুগ্রামে স্বগতোক্তির মতো বলেন, ‘আই অ্যাম দ্য ক্যাপ্টেন অব দিস শিপ, লেট মি টেক ডিসিশন। বঙ্গবন্ধুর কন্যাদের আমি ইউরোপের রাস্তাঘাটে ফেলে দিতে পারি না। আমি তাদের এখানেই ফিরিয়ে আনব।’
সানাউল হক দ্বিতীয় সচিবের ব্যক্তিগত গাড়িতে করে বঙ্গবন্ধু-কন্যাদের বেলজিয়াম-পশ্চিম জার্মানির সীমান্তের আখেন পর্যন্ত পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেন। সেখান থেকে বনে নিয়ে আসা হলো তাঁদের। হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর কন্যাদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে কথা বলে। পরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধু-কন্যাদের আশ্রয় দেওয়ার শাস্তিস্বরূপ জিয়া সরকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীকে ছয় মাসের জন্য ওএসডি করেছিল।
সূত্র: সরাফ আহমেদ, প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার দুঃসহ দিন, পৃষ্ঠা: ৫১-৭৭

ইসলামে পরিচ্ছন্নতা ও সুগন্ধির গুরুত্ব অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সা.) সুগন্ধি খুব পছন্দ করতেন এবং নিয়মিত ব্যবহার করতেন। সুগন্ধির প্রতি প্রিয় নবী (সা.)-এর বিশেষ অনুরাগ ছিল। তিনি ইরশাদ করেছেন, ‘চারটি বস্তু সব নবীর সুন্নত—আতর, বিয়ে, মেসওয়াক ও লজ্জাস্থান আবৃত রাখা।’ (মুসনাদে আহমাদ: ২২৪৭৮)
০৭ মার্চ ২০২৬
গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে সর্বশেষ (৫৪ তম) সাক্ষীর জেরা শুরু হয়েছে। এই মামলাটির বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ।
০৬ অক্টোবর ২০২৫
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫
ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫