আজকের পত্রিকা ডেস্ক

টিকটকে নিজের সিঙ্গেল থাকার সিদ্ধান্ত শেয়ার করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের বাসিন্দা ৩১ বছর বয়সী প্যাট এম। অনলাইনে প্রায় সময় ত্রিশের মধ্যে সম্পর্ক গড়ার বিষয়টি অনেক গুরুত্বসহকারে দেখানো হয়। কিন্তু এই বয়সে এসে করপোরেট চাকরিজীবী প্যাটের মনে হয়েছে, আপাতত তাঁর নিজের ওপর মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
সম্প্রতি টিকটকে শেয়ার করা ওই ভিডিও পোস্টে তিনি ব্যাখ্যা করেন, কেন তিনি প্রেম বা দাম্পত্যকে জীবনের কেন্দ্রে আনছেন না। ভিডিওটি ৭ লাখ ২১ হাজারের বেশি দেখা হয়েছে এবং ১ লাখ ৩ হাজারের বেশি লাইক পেয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়িতে বসে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে প্যাট অকপটে বলছেন, ‘আমি ৩১ বছর বয়সে সিঙ্গেল থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার কিছু চাওয়া আছে, তবে সেগুলো খুব বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। আমি এমন কিছু চাইছি না, যা আমি নিজেকে দিতে পারি না।’
বয়সের দিক থেকে প্যাট মিলেনিয়াল জেনারেশনের। তাই তাঁর সিদ্ধান্তটি বিশেষ করে তাঁর প্রজন্মের নারীদের মধ্যে গভীর সাড়া ফেলেছে।
অবস্থা এমন যে, বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল নিউজউইক। মার্কিন এই সংবাদমাধ্যমকে প্যাট জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে তিনি ঘর, ক্যারিয়ার, সম্পর্ক এবং জীবনের লক্ষ্য—সবকিছু হারিয়েছেন। তবে এই কঠিন সময়ই তাঁকে নিজের পরিচয় সম্পর্কে আরও দৃঢ় করে তুলেছে।
বর্তমানে নতুন একটি চাকরিতে যুক্ত প্যাট বলেন, ‘৩১ বছরে এসে আমি জানি, আমি কে এবং কে নই। আমি জানি, অসাধারণ পুরুষেরা আছে, কারণ আমিও অসাধারণ। আমি একজন এমন নারী, যার অনেক কিছু দেওয়ার আছে।’
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর চাহিদা কোনোভাবেই অবাস্তব নয়। তিনি বলেন, ‘আমি পরিপূর্ণতা চাই না; কারণ, আমরা সবাই ত্রুটিপূর্ণ। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং আমি নিজেই এর প্রমাণ যে—আমি যা চাইছি, তা সম্ভব এবং বাস্তবে পাওয়া যায়।’
ভিডিওটিতে বেশির ভাগ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এলেও কিছু নেতিবাচক মন্তব্য, বিশেষ করে পুরুষদের কাছ থেকে পেয়েছেন প্যাট। তবে তিনি এসব সমালোচনা পাত্তা দেননি; বরং নারী মন্তব্যকারীদের সমর্থন পেয়ে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আমি চল্লিশের কোঠায় থাকা সফল নারীদের চিনি, যাঁরা এখনো একই কথা বলেন।’
আরেকজন বলেছেন, ‘আমি ৩৮ বছর বয়স পর্যন্ত সিঙ্গেল ছিলাম। ৩৮-এ আমার সোলমেটের সঙ্গে দেখা হয়, ৩৯-এ বিয়ে করি, আর ৪১-এ সন্তানের জন্ম দিই! কখনো কম প্রত্যাশা কোরো না!’
প্যাট বলেন, ‘নারীরা এখন অসাধারণভাবে বিকশিত হচ্ছে এবং আমি এই পরিবর্তনের অংশ হতে পেরে গর্বিত।’
নারীদের শিক্ষা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় ঐতিহাসিক অগ্রগতির প্রসঙ্গ টেনে প্যাট যোগ করেন, ‘আধুনিক নারীরা সম্পর্ক নিয়ে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে এবং অসুখী সম্পর্ক ছাড়ার অধিকার রাখে।’
১৮ হাজার ফলোয়ার পাওয়া প্যাট গত বছর থেকে তিনি নিয়মিত নিজের জীবন ও ডেটিং অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও শেয়ার করতে শুরু করেন। চাকরি হারানো, প্রিয়জনের সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং দীর্ঘ সময় পর বাড়িতে ফিরে আসার মতো বড় পরিবর্তনের সময় তিনি ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করে একঘেয়েমি কাটানোর চেষ্টা করতেন।
২০২৪ সালের মে মাসে একটি চার্চে যাওয়ার আগে তাঁর পোস্ট করা একটি ভিডিও প্রথম ভাইরাল হয় এবং সেখান থেকেই তিনি নিজের জীবনঘনিষ্ঠ চিন্তাভাবনা শেয়ার করা শুরু করেন।
তাঁর সাম্প্রতিক ভিডিওটি তাঁকে আরও বেশি মানুষের সঙ্গে সংযোগ গড়ার সুযোগ দিয়েছে, যারা একই রকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
প্যাট বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমি চাই, মেয়েরা ও নারীরা যেন জানে, তারা দৃশ্যমান। তাদের জীবন তাদের নিজেদের। যদি একটা ফোন স্ক্রিনের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে কিছু ইতিবাচক সংযোগ হয়, তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে?’

টিকটকে নিজের সিঙ্গেল থাকার সিদ্ধান্ত শেয়ার করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের বাসিন্দা ৩১ বছর বয়সী প্যাট এম। অনলাইনে প্রায় সময় ত্রিশের মধ্যে সম্পর্ক গড়ার বিষয়টি অনেক গুরুত্বসহকারে দেখানো হয়। কিন্তু এই বয়সে এসে করপোরেট চাকরিজীবী প্যাটের মনে হয়েছে, আপাতত তাঁর নিজের ওপর মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
সম্প্রতি টিকটকে শেয়ার করা ওই ভিডিও পোস্টে তিনি ব্যাখ্যা করেন, কেন তিনি প্রেম বা দাম্পত্যকে জীবনের কেন্দ্রে আনছেন না। ভিডিওটি ৭ লাখ ২১ হাজারের বেশি দেখা হয়েছে এবং ১ লাখ ৩ হাজারের বেশি লাইক পেয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়িতে বসে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে প্যাট অকপটে বলছেন, ‘আমি ৩১ বছর বয়সে সিঙ্গেল থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার কিছু চাওয়া আছে, তবে সেগুলো খুব বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়। আমি এমন কিছু চাইছি না, যা আমি নিজেকে দিতে পারি না।’
বয়সের দিক থেকে প্যাট মিলেনিয়াল জেনারেশনের। তাই তাঁর সিদ্ধান্তটি বিশেষ করে তাঁর প্রজন্মের নারীদের মধ্যে গভীর সাড়া ফেলেছে।
অবস্থা এমন যে, বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল নিউজউইক। মার্কিন এই সংবাদমাধ্যমকে প্যাট জানিয়েছেন, গত কয়েক বছরে তিনি ঘর, ক্যারিয়ার, সম্পর্ক এবং জীবনের লক্ষ্য—সবকিছু হারিয়েছেন। তবে এই কঠিন সময়ই তাঁকে নিজের পরিচয় সম্পর্কে আরও দৃঢ় করে তুলেছে।
বর্তমানে নতুন একটি চাকরিতে যুক্ত প্যাট বলেন, ‘৩১ বছরে এসে আমি জানি, আমি কে এবং কে নই। আমি জানি, অসাধারণ পুরুষেরা আছে, কারণ আমিও অসাধারণ। আমি একজন এমন নারী, যার অনেক কিছু দেওয়ার আছে।’
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর চাহিদা কোনোভাবেই অবাস্তব নয়। তিনি বলেন, ‘আমি পরিপূর্ণতা চাই না; কারণ, আমরা সবাই ত্রুটিপূর্ণ। তবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং আমি নিজেই এর প্রমাণ যে—আমি যা চাইছি, তা সম্ভব এবং বাস্তবে পাওয়া যায়।’
ভিডিওটিতে বেশির ভাগ ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এলেও কিছু নেতিবাচক মন্তব্য, বিশেষ করে পুরুষদের কাছ থেকে পেয়েছেন প্যাট। তবে তিনি এসব সমালোচনা পাত্তা দেননি; বরং নারী মন্তব্যকারীদের সমর্থন পেয়ে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন।
একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আমি চল্লিশের কোঠায় থাকা সফল নারীদের চিনি, যাঁরা এখনো একই কথা বলেন।’
আরেকজন বলেছেন, ‘আমি ৩৮ বছর বয়স পর্যন্ত সিঙ্গেল ছিলাম। ৩৮-এ আমার সোলমেটের সঙ্গে দেখা হয়, ৩৯-এ বিয়ে করি, আর ৪১-এ সন্তানের জন্ম দিই! কখনো কম প্রত্যাশা কোরো না!’
প্যাট বলেন, ‘নারীরা এখন অসাধারণভাবে বিকশিত হচ্ছে এবং আমি এই পরিবর্তনের অংশ হতে পেরে গর্বিত।’
নারীদের শিক্ষা ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় ঐতিহাসিক অগ্রগতির প্রসঙ্গ টেনে প্যাট যোগ করেন, ‘আধুনিক নারীরা সম্পর্ক নিয়ে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে এবং অসুখী সম্পর্ক ছাড়ার অধিকার রাখে।’
১৮ হাজার ফলোয়ার পাওয়া প্যাট গত বছর থেকে তিনি নিয়মিত নিজের জীবন ও ডেটিং অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিডিও শেয়ার করতে শুরু করেন। চাকরি হারানো, প্রিয়জনের সঙ্গে বিচ্ছেদ এবং দীর্ঘ সময় পর বাড়িতে ফিরে আসার মতো বড় পরিবর্তনের সময় তিনি ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করে একঘেয়েমি কাটানোর চেষ্টা করতেন।
২০২৪ সালের মে মাসে একটি চার্চে যাওয়ার আগে তাঁর পোস্ট করা একটি ভিডিও প্রথম ভাইরাল হয় এবং সেখান থেকেই তিনি নিজের জীবনঘনিষ্ঠ চিন্তাভাবনা শেয়ার করা শুরু করেন।
তাঁর সাম্প্রতিক ভিডিওটি তাঁকে আরও বেশি মানুষের সঙ্গে সংযোগ গড়ার সুযোগ দিয়েছে, যারা একই রকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
প্যাট বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমি চাই, মেয়েরা ও নারীরা যেন জানে, তারা দৃশ্যমান। তাদের জীবন তাদের নিজেদের। যদি একটা ফোন স্ক্রিনের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে কিছু ইতিবাচক সংযোগ হয়, তাহলে এর চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে?’

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
২ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
২ দিন আগে