কাশফিয়া আলম ঝিলিক, ঢাকা

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
গত ১০ বছরে আমাদের দেশে এমন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে কিছু সংখ্যা ধারণা করা গেলেও প্রকৃতপক্ষে সেটি আসল সংখ্যা নয়। অনেক ঘটনা থেকে যায় পর্দার আড়ালে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ প্রকাশিত জরিপ থেকে জানা যায়, গত ১০ বছরে মোট ৩৭ হাজার ৫৭৮ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
গত এক দশকে বাংলাদেশে গড়ে প্রতিবছর ৩ হাজার ৭৫৮ জন নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আলাদা করে বলতে গেলে, ২০১৭ সালে ৫ হাজার ২৩৪ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। সে বছর ধর্ষণের শিকার হয় ৯৬৯ জন নারী ও কন্যাশিশু। তবে আলাদাভাবে হিসাব করলে দেখা যায়, ধর্ষণের ঘটনা সর্বোচ্চ ঘটেছে ২০১৯ সালে। সে বছর ১ হাজার ৩৭০ জন নারী ও কন্যাশিশু এ ঘটনার শিকার হয়। গত ১০ বছরে ৫ হাজার ৬০৩ জন নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ৪৩২ জন।
শুরুতে বলছিলাম সুবর্ণচরের কথা। ২০১৮ সালে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের রাতে একজন গৃহবধূ দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। ঘটনাটি রাজনৈতিক ও নারী নির্যাতনের এক কালো অধ্যায় বললেও ভুল হয় না। ১০ বছরে বাংলাদেশে দুটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি ২০১৮ সালে, অন্যটি ২০২৪ সালে। ২০১৮ সালে মোট নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৩ হাজার ৯১৮ জন। এরপরের বছর তা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬২২ জনে। অর্থাৎ ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের হার বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ।
এই বৃদ্ধি নির্দেশ করে, রাজনৈতিক পালাবদল কিংবা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মাঠপর্যায়অপরাধীদের দৌরাত্ম্য এবং প্রশাসনিক তদারকির অভাব নারী ও শিশুদের নিরাপত্তাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। নির্বাচনের সময় এবং পরবর্তী মাসগুলোয় স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ক্ষমতার রদবদল ঘটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকার কারণে অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার সুযোগ পায়। ২০১৯ সালে ধর্ষণের হার বৃদ্ধির পেছনে এই ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ বড় ভূমিকা রেখেছে।
২০২৪ সালে (নির্বাচনের বছর) নির্যাতনের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫২৫। তবে নির্বাচনের আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে মোট নির্যাতনের শিকার হয় ২ হাজার ৯৩৭ জন। এদিকে ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা আবার বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৮০৮ জনে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান এবং জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী অস্থিতিশীলতা একটি মিশ্র প্রভাব ফেলেছে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা বাড়ার পেছনে প্রশাসনিক শূন্যতা এবং বিচারব্যবস্থার সাময়িক স্থবিরতা কাজ করতে পারে। এবার আমরা তাকিয়ে থাকব ২০২৬ সালের নির্বাচনের দিকে। এই নির্বাচনের আগের অবস্থা ভালো কি না, তা বুঝতে পারব নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে।
মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এবং এর পরে এমনিতেই আইনশৃঙ্খলা দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় সংখ্যালঘু, ভিন্ন মতাদর্শের লোকজন এবং নারীদের প্রতি নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা ততটা ভালো অবস্থানে নেই। সেখানে নির্বাচনের মতো পরিস্থিতির আগে সেই ব্যবস্থা আরও ভালো করা উচিত। কিন্তু এই পরিস্থিতিকে সামলানোর জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা এখনো দেখা যাচ্ছে না। শুধু তা-ই নয়, এখন আমরা দেখছি, প্রশাসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নারীরাও বিভিন্ন হুমকির শিকার হচ্ছেন।’ ভোটব্যাংক হিসেবে যখন কোনো সম্প্রদায়কে দেখা হয়, তখন সহজ শিকার সেই সম্প্রদায়ের নারীরা। এ সময় অনেকে হুমকির শিকার হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেককে উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়। এ ছাড়া নারীদের নির্যাতনের ভয় দেখানো হয়। এই বিষয়গুলো নীরবে হয়ে যায়। তাদের প্রতি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। হুমকি, ক্ষমতা প্রয়োগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে নারীর প্রতি যৌন নির্যাতন। এগুলো অনেক সময় প্রকাশও পায় না।
সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের প্রথম ছয় মাসে সাইবার সহিংসতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৯৭ শতাংশই নারী ও শিশু। গত ১০ বছরের সাইবার ক্রাইমের চিত্র দেখলে বলা যায়, দিন দিন তা বেড়েই চলেছে। এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারী প্রার্থীদের মধ্যে অনেককে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে বুলিং করার প্রবণতা লক্ষণীয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তানভীর হাসান জোহা কিছুটা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে এই সময়ে নারী ও কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে।
গত কয়েক বছরের ট্রেন্ড বলছে, নির্বাচনের আগে-পরে এবং বছরজুড়ে নারী নির্যাতন ও সাইবার বুলিংয়ের ঘটনা একটু বাড়ে; বিশেষ করে নারীরা নির্বাচনী প্রচারণায় যতই সক্রিয় হচ্ছে, ততই তারা অনলাইন ও অফলাইনে টার্গেট হচ্ছে। তাই এবারের নির্বাচনে নারী নিরাপত্তা এবং সাইবার ক্রাইমের ইস্যুগুলোকে বিশেষ গুরুত্বসহকারে দেখা জরুরি।
আসছে নির্বাচন। আবারও কি অতীতের পুনরাবৃত্তি হবে নারীদের ওপর?

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচন এবং সুবর্ণচর। নিশ্চয় সবার মনে আছে, সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যার গ্রামের ঘটনার কথা। সেই ঘটনাকে উইকিপিডিয়ায় লিখে রাখা হয়েছে ‘সুবর্ণচর গৃহবধূ গণধর্ষণ’ শিরোনামে। বাকিটা নিশ্চয় মনে করতে পারবেন।
গত ১০ বছরে আমাদের দেশে এমন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে কিছু সংখ্যা ধারণা করা গেলেও প্রকৃতপক্ষে সেটি আসল সংখ্যা নয়। অনেক ঘটনা থেকে যায় পর্দার আড়ালে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ প্রকাশিত জরিপ থেকে জানা যায়, গত ১০ বছরে মোট ৩৭ হাজার ৫৭৮ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
গত এক দশকে বাংলাদেশে গড়ে প্রতিবছর ৩ হাজার ৭৫৮ জন নারী ও কন্যাশিশু বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আলাদা করে বলতে গেলে, ২০১৭ সালে ৫ হাজার ২৩৪ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। সে বছর ধর্ষণের শিকার হয় ৯৬৯ জন নারী ও কন্যাশিশু। তবে আলাদাভাবে হিসাব করলে দেখা যায়, ধর্ষণের ঘটনা সর্বোচ্চ ঘটেছে ২০১৯ সালে। সে বছর ১ হাজার ৩৭০ জন নারী ও কন্যাশিশু এ ঘটনার শিকার হয়। গত ১০ বছরে ৫ হাজার ৬০৩ জন নারী ও কন্যাশিশু হত্যার শিকার হয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যার শিকার হয়েছে ৪৩২ জন।
শুরুতে বলছিলাম সুবর্ণচরের কথা। ২০১৮ সালে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের রাতে একজন গৃহবধূ দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন। ঘটনাটি রাজনৈতিক ও নারী নির্যাতনের এক কালো অধ্যায় বললেও ভুল হয় না। ১০ বছরে বাংলাদেশে দুটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটি ২০১৮ সালে, অন্যটি ২০২৪ সালে। ২০১৮ সালে মোট নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৩ হাজার ৯১৮ জন। এরপরের বছর তা বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৬২২ জনে। অর্থাৎ ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের হার বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ।
এই বৃদ্ধি নির্দেশ করে, রাজনৈতিক পালাবদল কিংবা নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মাঠপর্যায়অপরাধীদের দৌরাত্ম্য এবং প্রশাসনিক তদারকির অভাব নারী ও শিশুদের নিরাপত্তাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলেছিল। নির্বাচনের সময় এবং পরবর্তী মাসগুলোয় স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ক্ষমতার রদবদল ঘটে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত থাকার কারণে অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকার সুযোগ পায়। ২০১৯ সালে ধর্ষণের হার বৃদ্ধির পেছনে এই ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ বড় ভূমিকা রেখেছে।
২০২৪ সালে (নির্বাচনের বছর) নির্যাতনের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৫২৫। তবে নির্বাচনের আগের বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে মোট নির্যাতনের শিকার হয় ২ হাজার ৯৩৭ জন। এদিকে ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা আবার বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৮০৮ জনে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থান এবং জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী অস্থিতিশীলতা একটি মিশ্র প্রভাব ফেলেছে। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা বাড়ার পেছনে প্রশাসনিক শূন্যতা এবং বিচারব্যবস্থার সাময়িক স্থবিরতা কাজ করতে পারে। এবার আমরা তাকিয়ে থাকব ২০২৬ সালের নির্বাচনের দিকে। এই নির্বাচনের আগের অবস্থা ভালো কি না, তা বুঝতে পারব নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে।
মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, ‘নির্বাচনের আগে এবং এর পরে এমনিতেই আইনশৃঙ্খলা দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় সংখ্যালঘু, ভিন্ন মতাদর্শের লোকজন এবং নারীদের প্রতি নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা ততটা ভালো অবস্থানে নেই। সেখানে নির্বাচনের মতো পরিস্থিতির আগে সেই ব্যবস্থা আরও ভালো করা উচিত। কিন্তু এই পরিস্থিতিকে সামলানোর জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা এখনো দেখা যাচ্ছে না। শুধু তা-ই নয়, এখন আমরা দেখছি, প্রশাসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত নারীরাও বিভিন্ন হুমকির শিকার হচ্ছেন।’ ভোটব্যাংক হিসেবে যখন কোনো সম্প্রদায়কে দেখা হয়, তখন সহজ শিকার সেই সম্প্রদায়ের নারীরা। এ সময় অনেকে হুমকির শিকার হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেককে উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়। এ ছাড়া নারীদের নির্যাতনের ভয় দেখানো হয়। এই বিষয়গুলো নীরবে হয়ে যায়। তাদের প্রতি যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। হুমকি, ক্ষমতা প্রয়োগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে নারীর প্রতি যৌন নির্যাতন। এগুলো অনেক সময় প্রকাশও পায় না।
সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের প্রথম ছয় মাসে সাইবার সহিংসতার শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৯৭ শতাংশই নারী ও শিশু। গত ১০ বছরের সাইবার ক্রাইমের চিত্র দেখলে বলা যায়, দিন দিন তা বেড়েই চলেছে। এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারী প্রার্থীদের মধ্যে অনেককে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে বুলিং করার প্রবণতা লক্ষণীয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তানভীর হাসান জোহা কিছুটা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে এই সময়ে নারী ও কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে।
গত কয়েক বছরের ট্রেন্ড বলছে, নির্বাচনের আগে-পরে এবং বছরজুড়ে নারী নির্যাতন ও সাইবার বুলিংয়ের ঘটনা একটু বাড়ে; বিশেষ করে নারীরা নির্বাচনী প্রচারণায় যতই সক্রিয় হচ্ছে, ততই তারা অনলাইন ও অফলাইনে টার্গেট হচ্ছে। তাই এবারের নির্বাচনে নারী নিরাপত্তা এবং সাইবার ক্রাইমের ইস্যুগুলোকে বিশেষ গুরুত্বসহকারে দেখা জরুরি।
আসছে নির্বাচন। আবারও কি অতীতের পুনরাবৃত্তি হবে নারীদের ওপর?

যে সন্তান উত্তরাধিকারীর আগে মারা যান, তাঁর সন্তানেরা প্রতিনিধি হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে অংশ পান, ঠিক যেভাবে তাঁদের পিতা বা মাতা জীবিত থাকলে পেতেন।
১ দিন আগে
খেমাররুজ পার্টির স্থায়ী কমিটির সদস্য বা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য না থেকেও থিরিথ ছিলেন পার্টির প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদ এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী। পল পটের শাসনামলে কাম্পুচিয়ায় সংঘটিত হয় গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। ফলে দেশটির প্রায় ২০ লাখ মানুষ অনাহারে, চিকিৎসার অভাবে, অতিরিক্ত পরিশ্রমে...
১ দিন আগে
আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
৮ দিন আগে
বই মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে— এই সত্য স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে নূজহাত নাছিম দিয়ার জীবনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি শান্ত, বইপ্রেমী পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন দিয়া। পরিবারে মা-বাবা ও দুই ভাই সব সময় তাঁকে পড়াশোনা এবং সাহিত্যচর্চায় উৎসাহ দিয়ে এসেছেন।
৮ দিন আগে