অপরাহ উইনফ্রের জন্ম আমেরিকার মিসিসিপিতে, এক দরিদ্র পরিবারে। সংবাদ পাঠিকা হিসেবে ১৯ বছর বয়সে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। অপরাহ উইনফ্রে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান তাঁর টক শো ‘দ্য অপরাহ উইনফ্রে শো’র মাধ্যমে। এরপর রেকর্ড হলো, অপরাহ উইনফ্রে বিশ্বের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী বিলিয়নিয়ার। দারিদ্র্য, নিগ্রহ এবং বর্ণবৈষম্যের পাহাড় ডিঙিয়ে তিনি নিজেকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
২০২৬ সালে ৭২ বছর পূর্ণ করলেন অপরাহ। এখনো তিনি সমানভাবে সক্রিয়। এ বছরের ২০ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর নতুন বই ‘এনাফ’। এতে তিনি শরীরের ওজন এবং আত্মমর্যাদা নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিনের লড়াই ও অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন। তাঁর নতুন পডকাস্ট ‘দ্য অপরাহ পডকাস্ট’ এ বছর চারটি অ্যাম্বিস অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে। তিনি আব্রাহাম ভার্গিসের বিখ্যাত উপন্যাস ‘দ্য কভেন্যান্ট অব ওয়াটার’ অবলম্বনে একটি নতুন চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।
অপরাহ তাঁর উপার্জনের বিশাল একটি অংশ জনকল্যাণে ব্যয় করেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় মেয়েদের জন্য তিনি ‘অপরাহ উইনফ্রে লিডারশিপ একাডেমি’ প্রতিষ্ঠা করেছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি এ পর্যন্ত ৪০০ কোটির বেশি টাকা অনুদান দিয়েছেন। শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে একটি জাতীয় ডেটাবেইস তৈরির জন্য তিনি ১৯৯১ সালে যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তার সুফল বিশ্ব আজও ভোগ করছে।
অপরাহ উইনফ্রে বিশ্বাস করেন, ‘উৎকর্ষই হলো বর্ণবাদ বা লৈঙ্গিক বৈষম্যের সবচেয়ে বড় জবাব।’ তাঁর জন্ম ১৯৫৪ সালের ২৯ জানুয়ারি।

আগামীকাল দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে বেশ উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও একটি জায়গায় খানিক অস্বস্তি রয়ে গেছে। তা হলো, এবারের নির্বাচনে দেশে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বেশ কম। এই নির্বাচনে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল নারীদের মনোনয়ন দেয়নি।
৩ দিন আগে
বসন্ত আসছে। খেতে রংবেরঙের জারবেরা ফুল ফুটে দোল খাচ্ছে বাতাসে। সেই খেতের এক পাশ থেকে ফুল তুলছেন শুধু বসন্তে নয়, বারো মাস ফুল ফোটানোর কারিগর রেশমা খাতুন। এই ফুলের চাষ তাঁর সংসারে বসন্ত এনে দিয়েছে।
৩ দিন আগে
নদীর ঠান্ডা পানিতে নেমে পাথর তোলেন বাবা। রোদ-বৃষ্টি-শীতে সেই পাথরই সংসারের ভরসা। সেই সংসারের মেয়েটি একসময় গ্রামের রাস্তায় হাঁটলে কটুকথা শুনত, অপমান লুকিয়ে চলত মাথা নিচু করে। আনন্দ-উৎসবে মা-বাবার হাত ধরে যাওয়াও ছিল নিষিদ্ধ—সমাজের চোখ আর কথার ভয়ে। আজ সেই মেয়েটি বিমানে চড়ে বিদেশে যায়—বুকের ভেতর লাল-সবু
৩ দিন আগে
প্যারিসের গর্ব এবং বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় স্থাপত্য আইফেল টাওয়ার। একে স্থানীয়ভাবে ফরাসি ভাষায় বলা হয় লা ডানে ডি ফের। অর্থাৎ আয়রন লেডি বা বাংলায় যাকে বলা হয় লৌহমানবী। মূলত পেটা লোহা দিয়ে নির্মিত এই বিশালাকার কাঠামোর স্থায়িত্ব এবং শৈল্পিক দৃঢ়তার কারণে এই নাম। টাওয়ারটির সরু
৩ দিন আগে