নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা বলেন।
নির্বাচনী প্রচার শুরুর আগে চার দিনের সফরে দেশের উত্তরাঞ্চলে যাচ্ছেন তারেক রহমান। এই সফর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক সাক্ষাৎভিত্তিক সফর। সফরসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি রোববার সকালে তারেক রহমান ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করবেন, ফিরবেন ১৪ জানুয়ারি, জানিয়েছেন দলটির একটি সূত্র।
তারেক রহমানের চার দিনের উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে সম্ভাব্য ভিড় বা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ সফরকে তাঁরা ভিন্নভাবে দেখেন। সফরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানানো জাতীয় দায়িত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই তারেক রহমান সেখানে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘শহীদদের কবর জিয়ারত করা, পুষ্পমাল্য অর্পণ করা—এটা জাতির প্রত্যাশা।’ এই সফরকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রশ্নবিদ্ধ না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আমরা ধারণ করি। তাঁদের আত্মত্যাগকে আরও মহিমান্বিত করা উচিত। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা হিসেবে তারেক রহমান শহীদদের কবর জিয়ারত করলে—সেটা জাতির প্রত্যাশাকেই ধারণ করবে।’
মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীদের প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটা বড় রাজনৈতিক দলে বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক প্রত্যাশা থাকে। আসন সমঝোতা, জোটগত হিসাব-নিকাশ ও বহুদলীয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে গিয়ে বহু যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। সেখান থেকেই কিছু মনঃকষ্ট তৈরি হয়েছে। তাই তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বিদ্রোহী বা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। আশা করছি, বিষয়গুলোর মীমাংসা হবে।’
আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান সম্পর্কে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমার মনে হয়, এখন সব রাজনৈতিক দল এক জায়গায় উপনীত হয়েছে। তারা সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাপারে আন্তরিক। যাদের অভিযোগ আছে, তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকার মিলে তা সমাধানের চেষ্টা করবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গ সফরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা বলেন।
নির্বাচনী প্রচার শুরুর আগে চার দিনের সফরে দেশের উত্তরাঞ্চলে যাচ্ছেন তারেক রহমান। এই সফর সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক সাক্ষাৎভিত্তিক সফর। সফরসূচি অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি রোববার সকালে তারেক রহমান ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করবেন, ফিরবেন ১৪ জানুয়ারি, জানিয়েছেন দলটির একটি সূত্র।
তারেক রহমানের চার দিনের উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে সম্ভাব্য ভিড় বা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ সফরকে তাঁরা ভিন্নভাবে দেখেন। সফরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। কারণ, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা জানানো জাতীয় দায়িত্ব। দীর্ঘদিন ধরেই তারেক রহমান সেখানে যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা সম্ভব হয়নি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘শহীদদের কবর জিয়ারত করা, পুষ্পমাল্য অর্পণ করা—এটা জাতির প্রত্যাশা।’ এই সফরকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রশ্নবিদ্ধ না করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আমরা ধারণ করি। তাঁদের আত্মত্যাগকে আরও মহিমান্বিত করা উচিত। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা হিসেবে তারেক রহমান শহীদদের কবর জিয়ারত করলে—সেটা জাতির প্রত্যাশাকেই ধারণ করবে।’
মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীদের প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটা বড় রাজনৈতিক দলে বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক প্রত্যাশা থাকে। আসন সমঝোতা, জোটগত হিসাব-নিকাশ ও বহুদলীয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে গিয়ে বহু যোগ্য প্রার্থী বঞ্চিত হয়েছেন। সেখান থেকেই কিছু মনঃকষ্ট তৈরি হয়েছে। তাই তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বিদ্রোহী বা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। আশা করছি, বিষয়গুলোর মীমাংসা হবে।’
আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান সম্পর্কে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমার মনে হয়, এখন সব রাজনৈতিক দল এক জায়গায় উপনীত হয়েছে। তারা সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যাপারে আন্তরিক। যাদের অভিযোগ আছে, তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও সরকার মিলে তা সমাধানের চেষ্টা করবে।’

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘গোটা দেশের মানুষ অপেক্ষা করছে নির্বাচনের জন্য। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আমি খুব সন্তুষ্ট হতে পারছি না।’
১৬ মিনিট আগে
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের জয় এবং ছাত্রদলের আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়া নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি মনে করেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘদিনের দমন-পীড়নের কারণেই ছাত্রদল সাংগঠনিকভাবে পিছিয়ে ছিল।
৩৭ মিনিট আগে
জাতীয় নির্বাচন এবং সংসদের সংস্কার নিয়ে সরকার আয়োজিত গণভোটের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বিএনপিই অনেক আগে জাতির সামনে পেশ করেছিল।’
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাছুমকে আহ্বায়ক এবং আবদুল হালিমকে সদস্যসচিব করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠন করেছে দলটি।
১৮ ঘণ্টা আগে