লোডশেডিং সংক্রান্ত সর্বশেষ সংবাদ, এলাকাভিত্তিক সময়সূচি এবং বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ একসঙ্গে।

মৌলভীবাজারে তীব্র গরমের মধ্যে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ৫ লাখ বিদ্যুৎ গ্রাহক। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দাবি, চাহিদার তুলনায় কম বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং বেড়েছে।

গ্যাস-সংকট এবং লোডশেডিং বাড়ায় বিকল্প হিসেবে জ্বালানি তেলের ওপর চাপ বেড়েছে। জ্বালানি তেলের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অন্তত ৩০ শতাংশ বেড়েছে। ডিজেল ও অকটেনের বিক্রি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৮ শতাংশের বেশি এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের বিক্রি বেড়েছে প্রায় তিন গুণ।

ভ্যাপসা গরমে বিদ্যুতের চাহিদা এখন তুঙ্গে। তবে চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ তো পাওয়াই যাচ্ছে না, বরং বেড়েছে লোডশেডিং। বিদ্যুতের এই ঘাটতির পেছনে এখন বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো। একেক সময় একেক কেন্দ্র বন্ধ হয়ে উৎপাদনে বড় ঘাটতি সৃষ্টি করছে।

একদিকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে গরম বাড়ছে, অন্যদিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একের পর এক অচল হচ্ছে বিদ্যুৎকেন্দ্র। সর্বশেষ ভারত থেকে আসা আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি এবং দেশে আরএনপিএলের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং আরও বেড়েছে।