রংপুর প্রতিনিধি

লোডশেডিং কমানোর দাবিতে রংপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন গ্রাহকেরা। আজ বুধবার দুপুরে রংপুর সদরের পাগলাপীরে অবস্থিত রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
আন্দোলনকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তীব্র গরমে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষ যেমন নানা সমস্যায় পড়ছেন, সেচ–সংকটের কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছে বোরো ফসলের খেত। তাই সমস্যার সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
নীলফামারী সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহাগ হাসান বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর আওতায় রয়েছি। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে আমরা অতিষ্ঠ। গরমের এই সময়ে আধা ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না। যে কারণে পরিবারের বয়স্কদের কষ্ট বেড়েছে, শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা করতে পারছে না।’
মিজানুর রহমান নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ‘আমাদের বাড়ি নীলফামারী। আমরা চাই নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় আমাদের বিদ্যুৎ সংযোগ ও সরবরাহ করা হোক। যেকোনো সমস্যায় রংপুর আসাটাও আমাদের জন্য কষ্টকর। তা ছাড়া আমরা কোনো সমস্যায় পড়লে রংপুর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা–কর্মচারীদেরও সহজে পাই না।’
একই ইউনিয়নের বাসিন্দা আতিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘এখন মাঠে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল রয়েছে। যেগুলোতে সেচের জন্য আমাদের পল্লী বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্ত আমরা কোনো রকম বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দীর্ঘক্ষণ পরে যদি বিদ্যুৎ আসেও, পানি ছাড়লে সে পানি জমিতে যাওয়ার আগেই আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। এভাবে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।’

ফুয়াদ বসুনিয়া নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ‘দিনে ৮-১০ বার বিদ্যুৎ যাওয়া–আসা করে। তাতে বিদ্যুৎ থাকে সর্বোচ্চ ২৫ থেকে ৩০ মিনিট অথচ লোডশেডিং দেয় এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে। আমরা এই সমস্যার সমাধান চাই।’
রবিউল হোসেন সুজন নামে আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং কমানোর দাবি করে এলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাই বাধ্য হয়ে আজ বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে মানববন্ধন করছি। তিন প্রজন্ম ধরে আমরা রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর আওতায় জিম্মি হয়ে আছি। আমরা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চাই।’
লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর জেনারেল ম্যানেজার খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমরা সব সময় গ্রাহকদের ভালো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে লোডশেডিংয়ে তাদের কষ্ট হয় আমরা বুঝি। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। ঝড়, বৃষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। তবে নীলফামারীতে আরও একটি সাবস্টেশন নির্মাণ করার পরিকল্পনা চলছে। সেটা হলে সমস্যা কিছুটা কমবে বলে আশা করি।’

লোডশেডিং কমানোর দাবিতে রংপুরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন গ্রাহকেরা। আজ বুধবার দুপুরে রংপুর সদরের পাগলাপীরে অবস্থিত রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
আন্দোলনকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। তীব্র গরমে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষ যেমন নানা সমস্যায় পড়ছেন, সেচ–সংকটের কারণে ক্ষতির মুখে পড়ছে বোরো ফসলের খেত। তাই সমস্যার সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
নীলফামারী সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহাগ হাসান বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর আওতায় রয়েছি। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারণে আমরা অতিষ্ঠ। গরমের এই সময়ে আধা ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না। যে কারণে পরিবারের বয়স্কদের কষ্ট বেড়েছে, শিক্ষার্থীরাও পড়াশোনা করতে পারছে না।’
মিজানুর রহমান নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ‘আমাদের বাড়ি নীলফামারী। আমরা চাই নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় আমাদের বিদ্যুৎ সংযোগ ও সরবরাহ করা হোক। যেকোনো সমস্যায় রংপুর আসাটাও আমাদের জন্য কষ্টকর। তা ছাড়া আমরা কোনো সমস্যায় পড়লে রংপুর পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা–কর্মচারীদেরও সহজে পাই না।’
একই ইউনিয়নের বাসিন্দা আতিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘এখন মাঠে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল রয়েছে। যেগুলোতে সেচের জন্য আমাদের পল্লী বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্ত আমরা কোনো রকম বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দীর্ঘক্ষণ পরে যদি বিদ্যুৎ আসেও, পানি ছাড়লে সে পানি জমিতে যাওয়ার আগেই আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। এভাবে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।’

ফুয়াদ বসুনিয়া নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ‘দিনে ৮-১০ বার বিদ্যুৎ যাওয়া–আসা করে। তাতে বিদ্যুৎ থাকে সর্বোচ্চ ২৫ থেকে ৩০ মিনিট অথচ লোডশেডিং দেয় এক থেকে দেড় ঘণ্টা করে। আমরা এই সমস্যার সমাধান চাই।’
রবিউল হোসেন সুজন নামে আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং কমানোর দাবি করে এলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তাই বাধ্য হয়ে আজ বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে মানববন্ধন করছি। তিন প্রজন্ম ধরে আমরা রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর আওতায় জিম্মি হয়ে আছি। আমরা এই জিম্মিদশা থেকে মুক্তি চাই।’
লোডশেডিংয়ের কথা স্বীকার করে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর জেনারেল ম্যানেজার খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমরা সব সময় গ্রাহকদের ভালো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে লোডশেডিংয়ে তাদের কষ্ট হয় আমরা বুঝি। কিন্তু আমাদের কিছু করার নাই। ঝড়, বৃষ্টি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়। তবে নীলফামারীতে আরও একটি সাবস্টেশন নির্মাণ করার পরিকল্পনা চলছে। সেটা হলে সমস্যা কিছুটা কমবে বলে আশা করি।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৭ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৭ ঘণ্টা আগে