রমজান-পরবর্তী শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। রমজানের ফরজ রোজার কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে এই নফল রোজা তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে কাজ করে। এটি রমজানের রোজা কবুল হওয়ার অন্যতম একটি আলামত। দীর্ঘ এক বছর রোজা রাখার অসামান্য সওয়াব হাসিল হয়।
তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—রমজানের কাজা রোজা এবং শাওয়ালের নফল রোজা কি একই সঙ্গে বা একটি নিয়তে রাখা সম্ভব?
রমজানের কাজা রোজা ও শাওয়ালের রোজা একসঙ্গে রাখার বিধাননা, রমজানের ফরজ কাজা রোজা এবং শাওয়ালের নফল রোজা পৃথক পৃথকভাবে রাখতে হবে। যদি একই রোজায় কাজা এবং নফলের নিয়ত করা হয়, তবে সেটি কেবল কাজা রোজা হিসেবেই গণ্য হবে, শাওয়ালের নফল রোজার সওয়াব পাওয়া যাবে না।
কেননা রমজানের রোজা প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ। কোনো কারণে তা ছুটে গেলে সেটি কাজা হিসেবেই আদায় করা আবশ্যক। এতে অন্য কোনো নিয়ত যুক্ত করা যায় না।
এ ছাড়া হাদিসের ঘোষণা অনুযায়ী, যারা রমজানের (৩০টি) রোজা পূর্ণ করবে এবং শওয়ালে আরও ৬টি রোজা রাখবে, তারা পুরো বছর রোজা রাখার সওয়াব পাবে। সুরা আনআমের ১৬০ নম্বর আয়াতের সূত্র ধরে (প্রতিটি নেক আমলের ১০ গুণ সওয়াব), ৩৬টি রোজা রাখলে ৩৬০ দিন বা এক বছরের সওয়াব নিশ্চিত হয়। এই সওয়াব পেতে হলে কাজা ও নফল আলাদা আদায় করাই নিয়ম।
রমজানের কাজা রোজা যেহেতু ফরজ ইবাদত, তাই এটি যত দ্রুত সম্ভব আদায় করে নেওয়া উত্তম। অলসতা পরিহার করে শাওয়াল মাসেই কাজা ও নফল রোজাগুলো শেষ করার চেষ্টা করা উচিত।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৭ ঘণ্টা আগে
এই ভ্রান্তি নিরসনের জন্য রাসুল (সা.) হজরত আয়েশা (রা.)-কে এ মাসে বিয়ে করেন। উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) আমাকে শাওয়াল মাসেই বিয়ে করেছেন, শাওয়াল মাসেই বাসর করেছেন। তাঁর অনুগ্রহ লাভে আমার চেয়ে ভাগ্যবান স্ত্রী আর কে আছেন?’ (সহিহ্ মুসলিম: ৩৩৫২)
১ দিন আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, শাওয়াল মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের দিনটি বাদ দিয়ে মাসের যেকোনো ছয় দিনে রোজা রাখলেই উল্লিখিত সওয়াব লাভ করা যাবে। লাগাতার ছয় দিন রোজা রাখা যাবে। আবার মাঝে বিরতি দিয়েও রাখা যাবে। সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব প্রাপ্তির একটি সুবর্ণ সুযোগ শাওয়ালের ছয় রোজা।
২ দিন আগে