
গুগল ডিপমাইন্ডের প্রধান স্যার ডেমিস হাসাবিস সতর্ক করে বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে বিনিয়োগের একটি অংশ ক্রমেই ‘বুদ্বুদের মতো’ আচরণ করছে এবং বাস্তব বাণিজ্যিক সম্ভাবনা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। কোনো পণ্য বা প্রযুক্তি ছাড়াই নতুন স্টার্টআপে বহু বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ টেকসই নয় এবং এতে বাজারে সংশোধন আসতে পারে।
তবে হাসাবিসের মতে, গুগলের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এই সম্ভাব্য ধাক্কা সামলাতে পারবে, কারণ তাদের শক্তিশালী ব্যবসা ও পণ্যে এআই যুক্ত করে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি এআইকে ‘সম্ভবত ইতিহাসের সবচেয়ে রূপান্তরকারী প্রযুক্তি’ বলে উল্লেখ করেন।
হাসাবিস আরও বলেন, চীনের তুলনায় এখনো পশ্চিমা দেশগুলো এআই উন্নয়নে এগিয়ে আছে, যদিও চীন স্বল্পমেয়াদি ব্যবহারিক প্রয়োগে দ্রুত অগ্রগতি করছে। সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে আলোচনায় এআইয়ের ঝুঁকি ও ক্ষতির বিষয়টিও উঠে আসে। হাসাবিস জোর দিয়ে বলেন, নিরাপদ ও দায়িত্বশীল এআই উন্নয়ন এবং বিজ্ঞান ও চিকিৎসায় এআইয়ের ইতিবাচক ব্যবহার জনআস্থা তৈরির জন্য জরুরি।
এ ছাড়া হাসাবিস জানান, গুগলের এআই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে স্মার্ট গ্লাসের মতো ডিভাইস জনপ্রিয় করতে সহায়ক হতে পারে। তবে তিনি গুগলের শীর্ষ নির্বাহী হওয়ার গুঞ্জন নাকচ করে বলেন, গবেষণা ও বিজ্ঞানের কাছাকাছি থাকাই তাঁর পছন্দ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি লেখার বন্যা বইছে। কে আসল লেখক আর কে চ্যাটবটের সাহায্য নিয়ে লিখছেন, তা ধরার জন্য চারদিকে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ফলে স্বনামধন্য ও সাধারণ লেখকেরা এখন সম্পূর্ণ নতুন এক সংকটে পড়েছেন—কীভাবে নিজের লেখাকে শতভাগ ‘মানবিক’ বা মানুষের লেখা হিসেবে..
১২ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সাইবার হামলা মোকাবিলায় নিজেদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর বা এআই মডেলগুলো বাজারে ছাড়ার আগেই সরকারের সঙ্গে শেয়ার করার ঘোষণা দিয়েছে গুগল, মাইক্রোসফট এবং এক্সএআই (xAI)। গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি (এনআইএসটি) এই তথ্য জানিয়েছে।
৩ দিন আগে
আইফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ফিচারের সক্ষমতা নিয়ে গ্রাহকদের সামনে চটকদার বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলা নিষ্পত্তিতে ২৫ কোটি ডলার দিতে রাজি হয়েছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল। এই অর্থ পাবেন যুক্তরাষ্ট্রের আইফোন ক্রেতারা।
৩ দিন আগে
ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রলিং অভ্যাসে পরিণত হয়েছে অনেকের। এই অভ্যাস ডুমস্ক্রলিং নামে পরিচিত। এটি বৈশ্বিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে। সোশ্যাল মিডিয়ার ফিডে ছোট ভিডিও বা নেতিবাচক খবরই হোক না কেন...
৪ দিন আগে