আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার দাবি করেছে, তারা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত-সমর্থিত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) কাছ থেকে তার দেশের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সরকার বলেছে, তারা এসটিসির কাছ থেকে দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল পুনর্দখল করেছে। একই সময়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী এই গোষ্ঠীর সমর্থনে এডেন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
সৌদি আরব-সমর্থিত প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (পিএলসি) প্রধান রশাদ আল-আলিমি গতকাল শনিবার বলেছেন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং সরকারি বাহিনী দক্ষিণ ইয়েমেনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।
আল-আলিমি বলেন, ’দেশের প্রেসিডেন্ট এবং সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চতর কমান্ডার হিসেবে আমি আপনাদের হাজরামাউত ও আল-মাহরা পুনর্দখলের বিষয়ে নিশ্চিত করতে চাই।’ তিনি আরও যোগ করেন, ইয়েমেনের সরকার এসটিসির সাবেক সদস্যদের দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী এখন থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হবে।
গত বছরের শেষের দিকে এসটিসি হাজরামাউত ও আল-মাহরা প্রদেশ দুটি দখল করে নিয়েছিল। সম্প্রতি সৌদি-সমর্থিত এক সফল অভিযানের মাধ্যমে তাদের হটিয়ে দেওয়ার পর আল-আলিমি এই ঘোষণা দেন।
এই দুটি প্রদেশ সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী এবং ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের প্রায় অর্ধেক এলাকা নিয়ে গঠিত।
এই সংঘাত সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা প্রকাশ করেছে; সৌদি কর্তৃপক্ষ আমিরাতের বিরুদ্ধে এসটিসিকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ এনেছে। রিয়াদ থেকে আল জাজিরার হাশেম আহেলবারা বলেন, আল-আলিমির এই ঘোষণাটি মূলত ইয়েমেনের সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘আশ্বাসের’ বার্তা যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এসটিসির দখলে থাকা সব সামরিক ঘাঁটি এখন সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আহেলবারা আরও বলেন, আসন্ন সম্মেলনটি একটি ইঙ্গিত যে তারা এসটিসির পুরো অধ্যায় সমাপ্ত করতে চায়। এটি একটি সংকেত যে পিএলসি আলোচনা শুরু করার বিষয়ে অটল।
আল-আলিমি যখন ভাষণ দিচ্ছিলেন, তার কিছুদিন আগেই এসটিসির শক্ত ঘাঁটি এডেনের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ দলটির সমর্থনে নেমে আসে। দলটির বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার খবর নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্যের মধ্যেই তারা এই সমর্থন জানায়।
এডেনের খোর মাকসার জেলায় এসটিসি সমর্থকেরা সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। জনতা সাবেক দক্ষিণ ইয়েমেনের পতাকা প্রদর্শন করে, যা ১৯৬৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল।
প্রতিবাদকারী ইয়াকুব আল-সাফিয়ানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘দক্ষিণের মানুষ সব প্রদেশ থেকে রাজধানী এডেনে জড়ো হয়েছে এটি পুনরায় বলতে যা তারা বছরের পর বছর ধরে বলে আসছে: আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র চাই।’
রয়টার্সের তথ্যমতে, কেউ কেউ এসটিসি নেতা আইদারুস আল-জুবাইদির ছবি হাতে নিয়েছিলেন (যিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন), আবার অনেকে স্লোগান দিচ্ছিলেন, ’হে দক্ষিণের মানুষ, কণ্ঠ তোলো, স্বাধীনতা অথবা মৃত্যু।’

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সৌদি আরব-সমর্থিত সরকার দাবি করেছে, তারা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত-সমর্থিত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) কাছ থেকে তার দেশের পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সরকার বলেছে, তারা এসটিসির কাছ থেকে দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চল পুনর্দখল করেছে। একই সময়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী এই গোষ্ঠীর সমর্থনে এডেন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে।
সৌদি আরব-সমর্থিত প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (পিএলসি) প্রধান রশাদ আল-আলিমি গতকাল শনিবার বলেছেন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল পুনরুদ্ধার করা হয়েছে এবং সরকারি বাহিনী দক্ষিণ ইয়েমেনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।
আল-আলিমি বলেন, ’দেশের প্রেসিডেন্ট এবং সশস্ত্র বাহিনীর উচ্চতর কমান্ডার হিসেবে আমি আপনাদের হাজরামাউত ও আল-মাহরা পুনর্দখলের বিষয়ে নিশ্চিত করতে চাই।’ তিনি আরও যোগ করেন, ইয়েমেনের সরকার এসটিসির সাবেক সদস্যদের দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী এখন থেকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের কমান্ডের অধীনে পরিচালিত হবে।
গত বছরের শেষের দিকে এসটিসি হাজরামাউত ও আল-মাহরা প্রদেশ দুটি দখল করে নিয়েছিল। সম্প্রতি সৌদি-সমর্থিত এক সফল অভিযানের মাধ্যমে তাদের হটিয়ে দেওয়ার পর আল-আলিমি এই ঘোষণা দেন।
এই দুটি প্রদেশ সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী এবং ইয়েমেনের মোট ভূখণ্ডের প্রায় অর্ধেক এলাকা নিয়ে গঠিত।
এই সংঘাত সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা প্রকাশ করেছে; সৌদি কর্তৃপক্ষ আমিরাতের বিরুদ্ধে এসটিসিকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ এনেছে। রিয়াদ থেকে আল জাজিরার হাশেম আহেলবারা বলেন, আল-আলিমির এই ঘোষণাটি মূলত ইয়েমেনের সরকারের পক্ষ থেকে একটি ‘আশ্বাসের’ বার্তা যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এসটিসির দখলে থাকা সব সামরিক ঘাঁটি এখন সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আহেলবারা আরও বলেন, আসন্ন সম্মেলনটি একটি ইঙ্গিত যে তারা এসটিসির পুরো অধ্যায় সমাপ্ত করতে চায়। এটি একটি সংকেত যে পিএলসি আলোচনা শুরু করার বিষয়ে অটল।
আল-আলিমি যখন ভাষণ দিচ্ছিলেন, তার কিছুদিন আগেই এসটিসির শক্ত ঘাঁটি এডেনের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ দলটির সমর্থনে নেমে আসে। দলটির বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার খবর নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্যের মধ্যেই তারা এই সমর্থন জানায়।
এডেনের খোর মাকসার জেলায় এসটিসি সমর্থকেরা সৌদি আরব ও ইয়েমেনের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। জনতা সাবেক দক্ষিণ ইয়েমেনের পতাকা প্রদর্শন করে, যা ১৯৬৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল।
প্রতিবাদকারী ইয়াকুব আল-সাফিয়ানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘দক্ষিণের মানুষ সব প্রদেশ থেকে রাজধানী এডেনে জড়ো হয়েছে এটি পুনরায় বলতে যা তারা বছরের পর বছর ধরে বলে আসছে: আমরা একটি স্বাধীন রাষ্ট্র চাই।’
রয়টার্সের তথ্যমতে, কেউ কেউ এসটিসি নেতা আইদারুস আল-জুবাইদির ছবি হাতে নিয়েছিলেন (যিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন), আবার অনেকে স্লোগান দিচ্ছিলেন, ’হে দক্ষিণের মানুষ, কণ্ঠ তোলো, স্বাধীনতা অথবা মৃত্যু।’

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানিকে ‘নিজের চরকায় তেল দেওয়ার’ পরামর্শ দিয়ে কঠোর তিরস্কার করেছে ভারত। দিল্লিতে কারাবন্দী সাবেক ছাত্রনেতা উমর খালিদকে সংহতি জানিয়ে একটি ব্যক্তিগত চিরকুট পাঠানোয় মামদানির ওপর চটেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
২২ মিনিট আগে
সোমালিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই কথিত পরিকল্পনাকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
চার বছর ধরে চলা যুদ্ধ ইউক্রেনীয়দের জীবনের প্রায় সব সিদ্ধান্তই পাল্টে দিয়েছে। সম্পর্ক, বিয়ে কিংবা সন্তান নেওয়ার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও এখন যুদ্ধের বাস্তবতায় আটকে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যতের ওপর—ইউক্রেনে কমছে বিয়ে ও জন্মহার।
১ ঘণ্টা আগে
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আজ রোববার জানিয়েছে, শুধু ইসফাহান প্রদেশেই পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ৩০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ল এনফোর্সমেন্ট কমান্ড স্পেশাল ইউনিটের কমান্ডার জানান, ৮ ও ৯ জানুয়ারি বিভিন্ন শহরে দাঙ্গা দমনের অভিযানে আটজন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে