আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর এই তথ্য জানিয়েছে।
ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ হাজরামাউতের গভর্নর সালেম আল-খানবাশি গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, হাজরামাউতে আরব আমিরাতের তত্ত্বাবধান ও সমর্থনে একাধিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে জোরপূর্বক গুম, নির্যাতন, বিস্ফোরক মজুত এবং একটি গোপন আটক কেন্দ্র পরিচালনা।
খানবাশি বলেন, ‘আমরা ইউএই-এর বেশ কয়েকটি গোপন কারাগার খুঁজে পেয়েছি। এবং আমরা সবকিছু নথিভুক্ত করেছি।’ গভর্নর জানান, মুকাল্লার কাছে আল-রাইয়ান বিমানঘাঁটিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) এবং বুবি ট্র্যাপ তৈরির উপকরণ পাওয়া গেছে।
ঘটনাস্থলে থাকা বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব উপকরণ সাধারণ সামরিক ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; বরং এগুলো অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহৃত পদ্ধতির সঙ্গে মিল রয়েছে। খানবাশি বলেন, এসব বিস্ফোরক হত্যাকাণ্ড চালানোর উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি আরব রিয়াদ থেকে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের আল-রাইয়ান বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে নিয়ে যায়। রয়টার্সের একটি দলও সেখানে গিয়েছিল। ইয়েমেনি কর্মকর্তারা এমন কিছু ছবি প্রকাশ করেন, যেগুলোতে বিমানঘাঁটির ভেতরে গোপন ভূগর্ভস্থ আটক কেন্দ্র দেখানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
খানবাশি বলেন, ‘এসব লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে, হোক সে আইদারুস আল-জুবাইদি অথবা আরব আমিরাত, তাদের সদস্য, কর্মকর্তা কিংবা তাদের হয়ে কাজ করা কেউ। ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।’ এখানে তিনি আরব আমিরাত-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) নেতা আইদারুস আল-জুবাইদিকে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে ইউএই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এসটিসির এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত গঠনমূলকভাবে কাজ করে আসছি, যাতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।’
খানবাশি আরও বলেন, জুবাইদির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলো রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ‘লুট ও চুরি’ করেছে। তিনি বলেন, এসব লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের সহায়তায় (হাজরামাউত) তিক্ত অতীতের অধ্যায় পেরিয়ে এসেছে।’
খানবাশির অভিযোগ সৌদি আরব ও আরব আমিরাত—একসময়ের ঘনিষ্ঠ উপসাগরীয় মিত্রদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আরেকটি প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিসেম্বরের শুরুতে আমিরাত-সমর্থিত এসটিসি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আকস্মিক এক সামরিক অভিযান চালায়। এতে তারা হাজরামাউত ও আল-মাহরাসহ ইয়েমেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখলে নেয়।
এই পদক্ষেপ সৌদি আরবকে ক্ষুব্ধ করে। সৌদি আরব একদিকে ইয়েমেনের সরকারকে, অন্যদিকে হাজরামাউতের বিভিন্ন গোত্রকে সমর্থন করে। জবাবে রিয়াদ এসটিসি বাহিনীর ওপর একাধিক দফা বিমান হামলা চালায়। বিরল প্রকাশ্য বিরোধে সৌদি আরব এসটিসিকে সমর্থনের জন্য আরব আমিরাতের ভূমিকার নিন্দা জানায়। ৩০ ডিসেম্বর মুকাল্লায় পৌঁছানো একটি আমিরাতি চালানেও বোমা হামলা চালায় সৌদি আরব।
ওই দিনই ইয়েমেনের সরকারের অনুরোধে আরব আমিরাত ঘোষণা দেয়, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতির আলোকে’ তারা ইয়েমেন থেকে তাদের সব সামরিক সদস্য প্রত্যাহার করবে। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী, রিয়াদের বিমান সহায়তায়, ৭ জানুয়ারির মধ্যে পুরো দক্ষিণ ইয়েমেনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে।
সৌদি আরবের দাবি অনুযায়ী, ওই দিনই আইদারুস আল-জুবাইদি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। গোপন সমুদ্র ও আকাশপথে পরিচালিত ওই অভিযানে এসটিসি নেতা ও তাঁর সঙ্গীরা প্রথমে সোমালিল্যান্ডের দিকে একটি জাহাজে ওঠেন, পরে সেখান থেকে আবুধাবিতে যান। উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় সৌদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আখবারিয়ার রোববারের এক পোস্টে। সেখানে বলা হয়, ‘আবুধাবি যখন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছে, তখন সৌদি আরব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।’

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর এই তথ্য জানিয়েছে।
ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ হাজরামাউতের গভর্নর সালেম আল-খানবাশি গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, হাজরামাউতে আরব আমিরাতের তত্ত্বাবধান ও সমর্থনে একাধিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে জোরপূর্বক গুম, নির্যাতন, বিস্ফোরক মজুত এবং একটি গোপন আটক কেন্দ্র পরিচালনা।
খানবাশি বলেন, ‘আমরা ইউএই-এর বেশ কয়েকটি গোপন কারাগার খুঁজে পেয়েছি। এবং আমরা সবকিছু নথিভুক্ত করেছি।’ গভর্নর জানান, মুকাল্লার কাছে আল-রাইয়ান বিমানঘাঁটিতে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) এবং বুবি ট্র্যাপ তৈরির উপকরণ পাওয়া গেছে।
ঘটনাস্থলে থাকা বিশেষজ্ঞরা জানান, এসব উপকরণ সাধারণ সামরিক ব্যবহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; বরং এগুলো অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহৃত পদ্ধতির সঙ্গে মিল রয়েছে। খানবাশি বলেন, এসব বিস্ফোরক হত্যাকাণ্ড চালানোর উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।
আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনের সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি আরব রিয়াদ থেকে আন্তর্জাতিক সাংবাদিকদের আল-রাইয়ান বিমানঘাঁটি পরিদর্শনে নিয়ে যায়। রয়টার্সের একটি দলও সেখানে গিয়েছিল। ইয়েমেনি কর্মকর্তারা এমন কিছু ছবি প্রকাশ করেন, যেগুলোতে বিমানঘাঁটির ভেতরে গোপন ভূগর্ভস্থ আটক কেন্দ্র দেখানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
খানবাশি বলেন, ‘এসব লঙ্ঘনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে, হোক সে আইদারুস আল-জুবাইদি অথবা আরব আমিরাত, তাদের সদস্য, কর্মকর্তা কিংবা তাদের হয়ে কাজ করা কেউ। ভুক্তভোগী ব্যক্তি ও তাঁদের পরিবারের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।’ এখানে তিনি আরব আমিরাত-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের (এসটিসি) নেতা আইদারুস আল-জুবাইদিকে উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে ইউএই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এসটিসির এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত গঠনমূলকভাবে কাজ করে আসছি, যাতে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।’
খানবাশি আরও বলেন, জুবাইদির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলো রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ‘লুট ও চুরি’ করেছে। তিনি বলেন, এসব লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের সহায়তায় (হাজরামাউত) তিক্ত অতীতের অধ্যায় পেরিয়ে এসেছে।’
খানবাশির অভিযোগ সৌদি আরব ও আরব আমিরাত—একসময়ের ঘনিষ্ঠ উপসাগরীয় মিত্রদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আরেকটি প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডিসেম্বরের শুরুতে আমিরাত-সমর্থিত এসটিসি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা আকস্মিক এক সামরিক অভিযান চালায়। এতে তারা হাজরামাউত ও আল-মাহরাসহ ইয়েমেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখলে নেয়।
এই পদক্ষেপ সৌদি আরবকে ক্ষুব্ধ করে। সৌদি আরব একদিকে ইয়েমেনের সরকারকে, অন্যদিকে হাজরামাউতের বিভিন্ন গোত্রকে সমর্থন করে। জবাবে রিয়াদ এসটিসি বাহিনীর ওপর একাধিক দফা বিমান হামলা চালায়। বিরল প্রকাশ্য বিরোধে সৌদি আরব এসটিসিকে সমর্থনের জন্য আরব আমিরাতের ভূমিকার নিন্দা জানায়। ৩০ ডিসেম্বর মুকাল্লায় পৌঁছানো একটি আমিরাতি চালানেও বোমা হামলা চালায় সৌদি আরব।
ওই দিনই ইয়েমেনের সরকারের অনুরোধে আরব আমিরাত ঘোষণা দেয়, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতির আলোকে’ তারা ইয়েমেন থেকে তাদের সব সামরিক সদস্য প্রত্যাহার করবে। সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনী, রিয়াদের বিমান সহায়তায়, ৭ জানুয়ারির মধ্যে পুরো দক্ষিণ ইয়েমেনের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে।
সৌদি আরবের দাবি অনুযায়ী, ওই দিনই আইদারুস আল-জুবাইদি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। গোপন সমুদ্র ও আকাশপথে পরিচালিত ওই অভিযানে এসটিসি নেতা ও তাঁর সঙ্গীরা প্রথমে সোমালিল্যান্ডের দিকে একটি জাহাজে ওঠেন, পরে সেখান থেকে আবুধাবিতে যান। উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় সৌদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-আখবারিয়ার রোববারের এক পোস্টে। সেখানে বলা হয়, ‘আবুধাবি যখন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে উসকানি দিচ্ছে, তখন সৌদি আরব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।’

ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনাকে ‘চরম বোকামি’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এমন বার্তা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবির বিরোধিতা করলে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের যে হুমকি তিনি দিয়েছেন, তা তিনি ‘শতভাগ’ বাস্তবায়ন করবেন। গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের পক্ষে ইউরোপীয় মিত্ররা একযোগে অবস্থান নিয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড) জানিয়েছে, শিগগির তাদের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছাবে। গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এসব কার্যক্রম আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল।
৬ ঘণ্টা আগে