
আবুধাবিতে রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনা শুরুর মাত্র এক দিন আগে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে বৃষ্টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। আজ মঙ্গলবার চালানো এই হামলায় ইউক্রেনের অন্তত ৮টি অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও তাপ সরবরাহ ব্যবস্থা বিধ্বস্ত হয়েছে। মাইনাস ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের হাড়কাঁপানো শীতে কয়েক লাখ ইউক্রেনীয় পরিবার এখন চরম মানবেতর জীবন যাপন করছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, গত রাত থেকে রাশিয়া ৪৫০টি ড্রোন এবং ৭০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর মধ্যে রেকর্ডসংখ্যক ৪টি ‘জিরকন’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী।
এসব হামলায় রাজধানী কিয়েভে অন্তত ১ হাজার ১৭০টি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকের হিটিং সিস্টেম বা তাপ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ৮০০টিরও বেশি ভবন এখন বিদ্যুৎহীন।
এদিকে ইউক্রেনের তাপমাত্রা বর্তমানে মাইনাস ২০ থেকে মাইনাস ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। হিটিং সিস্টেম অকেজো হয়ে যাওয়ায় পাইপলাইন ফেটে যাওয়া রোধ করতে পানি সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে টেলিগ্রামে লিখেছেন, ‘কূটনীতির চেয়ে শীতের তীব্রতাকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে আতঙ্কিত করা রাশিয়ার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মস্কো আলোচনার পরিবর্তে সন্ত্রাস ও যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ানোকেই বেছে নিয়েছে।’
প্রসঙ্গত, আগামীকাল বুধবার ও বৃহস্পতিবার (৪-৫ ফেব্রুয়ারি) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্র-মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। চার বছর ধরে চলা এই যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের উপস্থিতিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে জানুয়ারি মাসের প্রথম দফার আলোচনায় আঞ্চলিক মালিকানা ইস্যুতে কোনো সমাধান আসেনি। মস্কো দনবাসসহ পূর্ব ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চল ছাড়তে নারাজ, আর ইউক্রেনও এক ইঞ্চি জমি ছাড় দিতে রাজি নয়।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত যখন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে, তখন নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাজ্য এবং জার্মানি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরোক্ষ সামরিক চাপের মুখেও এই দেশগুলো সরাসরি যুদ্ধে না জড়ানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। এই সংকটের সময়ে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করে আরাঘচি উর্দু ভাষায় একটি বার্তা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের আগ্রাসনের মুখে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকার ও জনগণের পাশে দাঁড়ানো
৩৮ মিনিট আগে
ইসরায়েলের নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লির অস্তিত্ব প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১৯৬০ সালের ডিসেম্বরে। এরপর থেকে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তর গবেষণা, বই এবং অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জার্মানি ‘গোপনে’ এই প্রকল্পে ‘অর্থায়ন’ করেছিল।
১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরানে আয়োজিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান তার আত্মরক্ষায় বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনে এই যুদ্ধকে যেকোনো সীমা পর্যন্ত টেনে নিতে প্রস্তুত।
১ ঘণ্টা আগে