
কলেজের ফেয়ারওয়েল হোক বা বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার প্রস্তুতি; আলমারিতে মনমতো পোশাক না পেলে নব্বই দশকের তরুণীরা জেন-জিদের মতো চট করে একটা নতুন কাপড় কিনে ফেলতেন না। অনলাইনে কেনাকাটার চলই তো তখন ছিল না। বছরের জরুরি উৎসব আর প্রয়োজন ছাড়া কাপড় কেনার ব্যাপারটিও কঠিন ছিল।

ইউরোপের আরও একটি দেশ পর্তুগাল প্রকাশ্য স্থানে মুখ ঢেকে রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশটির নতুন আইনে বোরকাসহ মুখ ঢেকে রাখে এমন যেকোনো ধরনের আবরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ, এগুলো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করে।

একটা সময় ছিল, যখন ফ্যাশন মানেই ছিল নারীদের শরীর শক্ত কোরসেটে পিষে দমবন্ধ করে রাখা। অর্থাৎ ভারী পোশাকের নিচে শরীরের স্বাধীনতা বন্দী করে রাখা। ঠিক তখনই ফরাসি ফ্যাশনে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটে গ্যাব্রিয়েল কোকো শ্যানেলের। তিনি বলেছিলেন, ‘বিলাসিতা যদি আরামদায়ক না হয়, তাহলে সেটি বিলাসিতার পর্যায়েই পড়ে না।

বাঙালি নারীর প্রিয় পোশাকের তালিকায় চিরকালই প্রথম দিকে রয়েছে শাড়ি। স্নিগ্ধ সাবেকিয়ানা বলুন বা ট্রেন্ডি স্টাইল; প্রতিটি প্রতিচ্ছবিতেই শাড়ির মায়া কাটানো মুশকিল। রিলস মেকিং বা প্রোফাইল ফটো বদলানোর এই যুগে ছয়টি ঋতু যেন ভিন্ন ভিন্ন শাড়ির প্রতিই মায়া তৈরি করে।