সকাল আটটায় গরম কাপড় পরে বের হলেন, বেলা ১১টা বাজতেই গরম লাগতে শুরু করল। এটাই এখন হচ্ছে। কারণ, শীতের হিমেল হাওয়া একটু একটু করে থিতু হচ্ছে, হাওয়ার ঢেউয়ে বাজতে শুরু করেছে ফাগুনের প্রেমের সুর। বাগিচায় স্বর্ণাভ গাঁদা ফুটতে শুরু করেছে। জানালা মেললেই ঝলমলে সোনালি রোদ ঢুকে পড়ছে ঘরে। এখনই রঙের খেলায় মেতে উঠতে শুরু করেছে ঘাসফুল আর ফাল্গুনী ফুলেরা। প্রকৃতিতে আর কদিন বাদেই দোল লাগবে। বসন্ত, হ্যাঁ, আসতে চলেছে ঋতুরাজ বসন্ত। ফেসবুক স্ক্রল করলেই লাল, কমলা, বাসন্তী, হলুদ রঙের পোশাকের মেলা। কোনটা রেখে কোনটা কিনবেন, তা নিয়ে ভাবনা। আলমারিতে বসন্তে পরার মতো দু-একটা কাপড় যে একেবারেই নেই তা নয়, তবু নতুন বসন্ত যেন নতুন পোশাকেই হয়, তাই তো সবাই চায়।
আচ্ছা, বসন্তের রং কী বলুন তো? স্বর্ণরঙা রোদ, চারপাশে ফুটে থাকা কমলা-হলুদ ফুলের প্রাচুর্য যেন বলে দেয় বসন্তের উৎসবে শামিল হতে গায়ে বাসন্তী রঙের পোশাকে।
অধিকাংশকেই এ রঙের পোশাক পরতে দেখা যায়। রং মিলিয়ে গায়ে শোভা পায় অলংকারও। তবে ঋতুটা এমনই যে এ সময় সব রঙের পোশাকই মানানসই। তাই বসন্তের প্রথম দিন উদ্যাপনে লাল, গোলাপি, ম্যাজেন্টা, বেগুনি, সবুজ, কলাপাতা রংসহ আরও অনেক রঙের পোশাকই গায়ে তুলছেন তরুণ-তরুণীরা। বসন্ত উপলক্ষে প্রায় সব দেশীয় ফ্যাশন হাউসেই এসেছে বর্ণিল পোশাক। ঋতু ও আবহাওয়ার জন্য উপযোগী করেই পোশাকের কাপড় ও রং নির্বাচন করা হয়েছে।
যেমন কাপড়ে বসন্তের পোশাক এসেছে এবার
রঙ বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী সৌমিক দাস জানান, বসন্তের আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় রেখে পোশাকের কাপড় হিসেবে তাঁরা বেছে নিয়েছেন সুতি, লিনেন, হাফসিল্ক, সেমি পিওর জর্জেট ও নেট কাপড়।
কে ক্র্যাফটের সিনিয়র ডিজাইনার শরিফুল হুদা বিপ্লব বলেন, ‘কে ক্র্যাফট এবার বসন্তে শিশুদের জন্য বিশেষ আয়োজন রেখেছে। রয়েছে ফ্রক কাটের কামিজ, লম্বা কামিজ সঙ্গে প্যান্ট স্টাইলের পাজামা, পালাজো, ধুতি পাজামা এবং ফ্রক, কুর্তি, টপ ইত্যাদি। ছেলেদের জন্য শার্ট, পাঞ্জাবি, টি-শার্ট। সুতি কাপড় ছাড়াও মিলবে লিনেন, ভয়েল। তাতে স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক, এমব্রয়ডারি, টাই-ডাই ইত্যাদির মিশেলও আছে।’
ফ্যাশন ব্র্যান্ড সারা লাইফস্টাইলের হেড অব ডিজাইন শামীম রহমান বলেন, ‘বসন্ত থেকেই যেহেতু আবহাওয়া একটু গরমের দিকে যাবে, সে জন্য ফাল্গুনের বেশির ভাগ পোশাকই তৈরি হয়েছে সুতির কাপড়ে। এ ছাড়া মেয়েদের পোশাকে ভিসকস ফ্যাব্রিক ও জর্জেটের কাপড় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ছেলেদের পোশাক বেশির ভাগ সুতির।’

এ ছাড়া অনলাইনভিত্তিক পোশাকের বিভিন্ন পেজও নিয়ে এসেছে বসন্তের পোশাক। আর্টেমিসের স্বত্বাধিকারী ফায়জা আহমেদ রাফা জানান, বসন্তবরণ উৎসব বাঙালিয়ানার সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই সুতি, হাফসিল্ক, আর্টিফিশিয়াল সিল্ক শাড়ি করেছেন তাঁরা ফাল্গুনের জন্য।
এ ছাড়া বিভিন্ন পেজে হাফসিল্ক, মিক্সড কটনের শাড়িও আছে এবার। ফাল্গুনের জন্য ফ্লোরাল মোটিফের শাড়িতে কয়েক রং মিলিয়ে ব্লক প্রিন্টের কাজও চোখে পড়ছে এবার। আছে স্ক্রিন প্রিন্টের শাড়িও।
যেমন রঙ প্রাধান্য পাচ্ছে
রঙ বাংলাদেশের এবারের বসন্ত সংগ্রহে রয়েছে মনকাড়া সব উজ্জ্বল রং। সাদা, হলুদ, স্বর্ণাভ হলুদ, ম্যাজেন্টা, লাল, বাদামি, ক্রিম, নীল ও মেরুন। এ ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে কমলা, ধূসর, জলপাই ও পেষ্ট রং—যোগ করেন সৌমিক দাস।
ফায়জা আহমেদ রাফা জানান, এই বসন্তের জন্য তাঁতের সাদা বেইজের ওপর হলুদ ছাড়াও অন্যান্য হালকা রং; যেমন লেমন, সবুজ, কমলা, গোলাপি রঙের শাড়ি তৈরি করছেন তাঁরা।
শরিফুল হুদা বিপ্লব বলেন, ‘কে ক্র্যাফটের ফাল্গুনের জন্য বাসন্তী রঙের পোশাক তো থাকেই। তার বাইরে পার্পল, বেবি পিংক, সাদা, হলুদ রংও ব্যবহৃত হয়েছে এবার। বসন্তের কালেকশনে ফ্লোরাল, অ্যাবস্ট্রাক্ট ও টিপিক্যাল মোটিফ ব্যবহার করা হয়েছে।’
কেনাকাটা
সরাসরি ফ্যাশন হাউসের আউটলেট থেকে কেনা যাবে যেকোনো পোশাক। তা ছাড়া হাউসগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজ থেকে পোশাক অর্ডার করা যাবে। শাড়ি ও পোশাক ছাড়াও এখন বিভিন্ন পেজে নানা ডিজাইনের রেডিমেড ব্লাউজ পাওয়া যাচ্ছে।

আজ আপনি নিজেকে ‘সুপারম্যান’ ভাবতে পারেন। বাড়ির ঝুলে থাকা কাজগুলো এক নিমেষে শেষ করার জোশ আসবে। অতি উৎসাহে আবার অশ্বত্থ গাছের নিচে পানি ঢালতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যাবেন না!
৯ ঘণ্টা আগে
বাড়িতে পুঁটি মাছ থাকলে অল্প মসলায় সুস্বাদু একটি পদ তৈরি করতে পারেন। আপনাদের জন্য গোলাপি মুলা দিয়ে দেশি পুঁটি মাছের রেসিপি ও ছবি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা। দেশি পুঁটি মাছ ৩০০ গ্রাম, গোলাপি মুলা ৫০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, আদা ও রসুন বাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া, মরিচ...
১০ ঘণ্টা আগে
বলিউডে চোখ রাখলে দেখা যায়, ৪০ বা ৫০ পেরিয়েও অনেক অভিনেত্রীর ত্বক থাকে একদম টান টান ও উজ্জ্বল। অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগে, এ বয়সেও কীভাবে তাঁরা তারুণ্যের দ্যুতি ধরে রাখেন! এর মূল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে কোলাজেন নামের একটি প্রোটিনের ভেতর।
১ দিন আগে
মানুষের আচরণ তাঁকে অন্যের সামনে তুলে ধরে। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অতি সাধারণ কিছু আচরণগত পরিবর্তন কীভাবে অন্যের চোখে আমাদের গুরুত্ব এবং ব্যক্তিত্বকে আমূল বদলে দিতে পারে, তা সত্যিই বিস্ময়কর। অনেকে এই বিষয়গুলোকে বাহ্যিক বা অগভীর মনে করতে পারেন। কিন্তু সত্য এটাই, আমাদের অবচেতন সংকেতগুলো যদি ভুল
১ দিন আগে