
ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম দ্বার পদ্মা সেতু রেলপথে নতুন আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে রেললাইনের যন্ত্রাংশ চুরির ফলে। একাধিকবার চুরি হয়েছে এই রেলপথের সিগন্যাল ব্যবস্থার মূল্যবান যন্ত্রাংশ। ফলে এই ট্রেন চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি। সিগন্যাল ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে বিকল্প পদ্ধতিতে ট্রেন চলাচল...

পদ্মা রেলসেতুর পিলারের নিচের মাটি অপসারণের কোনো নেতিবাচক প্রভাব নেই, বরং এটি প্রকল্পের জন্য ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ হাজার ৭৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পদ্মা সেতু ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধন করা হয়। পরদিন ২৬ জুন থেকে সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৯ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ২ কোটি ৬৮ লাখ ৬২ হাজার ৮০৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর ওই ভরাট মাটি অপসারণের বিষয়টি ঠিকাদারের চুক্তির মধ্যেই ছিল। এ জন্য বরাদ্দও ছিল। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার সময়মতো তা অপসারণ করেননি। ফলে কয়েক বছর ধরে পড়ে থাকা মাটি শক্ত হয়ে গেছে, ঘাস জন্মেছে এবং অনেকের কাছে সেটি স্বাভাবিক ভূমির মতো মনে হচ্ছে।