
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঝড় শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে চলতে থাকে প্রচণ্ড মেঘের গর্জন। ঝড়ের সময় চাকাতি বালা নিজের ঘরে একাই অবস্থান করছিলেন। প্রচণ্ড বাতাসের ঝাপটায় বসতঘরের পাশে থাকা একটি বিশাল ‘সড়কজিয়া’গাছ উপড়ে সরাসরি ঘরের ওপর পড়ে।

বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে বিটুলকে ধাওয়া করে উপস্থিত লোকজন গণপিটুনি দেয়। এই সময় দুই-একজন তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি। পরে বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এক বাড়িতে দৌড়ে গিয়ে আশ্রয় নেন বিটুল।

গাজীপুরের ডিসি মোহাম্মদ আলম হোসেন, পঞ্চগড়ের ডিসি কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, কুষ্টিয়ার ডিসি মো. ইকবাল হোসেন, নেত্রকোনার ডিসি মো. সাইফুর রহমান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিসি মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার দিবাগত রাতে সেহরি খেয়ে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল ৬টার দিকে মোস্তফা বাড়ির সদস্যদের ডাকাডাকি শুরু করেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তবে ঘটনার বিস্তারিত কেউ জানাতে পারেননি।