নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পঞ্চগড়ে গতকাল শনিবার রাতে একটি পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের আমরা দেখে নেব—তাদের কলিজা কত বড়। কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব।’
সারজিসের এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে এর ব্যাখ্যা দেন তিনি।
আজ রোববার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস বলেন, ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে উপমা ব্যবহার করা উচিত হয়নি।
একই সঙ্গে পঞ্চগড়ে ‘প্রতিটি প্রোগ্রামে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস বলেন, ‘বিগত এক মাসে পঞ্চগড় জেলায় এনসিপি তিনটি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামে যখন আমি বক্তব্য দেওয়া শুরু করি, তার এক-দুই মিনিট পরে বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রথমবার যখন হয়েছিল, কিছু বলিনি। মনে হয়েছিল এটা হতেই পারে। দ্বিতীয়বার যখন একই ঘটনা ঘটে, তখনো কিছু বলিনি। কিন্তু তাদের ইনটেনশন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। গতকাল আবার একই ঘটনা। প্রোগ্রামের আগে-পরে নয়, অন্য কারও বক্তব্যের সময় নয়। ঠিক আমি যখন কথা বলা শুরু করি, তখন আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। কথা বলা শেষ হলে বিদ্যুৎ চলে আসে। সকল মিডিয়া এটার সাক্ষী।’
সারজিস বলেন, ‘তিনটি প্রোগ্রাম তিন দিন ভিন্ন সময়ে হয়েছে। তারপরও যখন এই ধরনের ঘটনা ঘটে, তখন আমি অবশ্যই মনে করি,এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সেক্টরের কিছু কর্মকর্তা এই ধরনের ছোটলোকি কিংবা অন্য দলের দালালিমূলক আচরণ করে থাকে। একজনকে ডিস্টার্ব করতে পারলে তাদের রাজনৈতিক সফলতা মনে করে।
‘প্রত্যেকবারই প্রোগ্রামের আগে তাদের প্রোগ্রাম সম্পর্কে বলে রাখা হয়। প্রোগ্রামের পরেও ভদ্র ভাষায় বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরও যখন একই চিত্র দেখা যায়, তখন তাদের সঙ্গে সুশীলতা প্রদর্শন করা প্রয়োজন মনে করি না। তবে ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে যে উপমা ব্যবহার করেছি, সেটা করা উচিত হয়নি বলে মনে করি।’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সিন্ডিকেট, দুর্নীতি ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে এনসিপির পক্ষ থেকে লংমার্চে ১০ ঘণ্টা ধরে প্রায় দুই হাজার মানুষ মোটরসাইকেলে করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে পুরো পঞ্চগড় জেলার ১৫০ কিলোমিটার অতিক্রম করেছি। আশা করি, মিডিয়ার ফোকাস সেদিকেও থাকবে।’

পঞ্চগড়ে গতকাল শনিবার রাতে একটি পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের আমরা দেখে নেব—তাদের কলিজা কত বড়। কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব।’
সারজিসের এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে এর ব্যাখ্যা দেন তিনি।
আজ রোববার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস বলেন, ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে উপমা ব্যবহার করা উচিত হয়নি।
একই সঙ্গে পঞ্চগড়ে ‘প্রতিটি প্রোগ্রামে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস বলেন, ‘বিগত এক মাসে পঞ্চগড় জেলায় এনসিপি তিনটি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামে যখন আমি বক্তব্য দেওয়া শুরু করি, তার এক-দুই মিনিট পরে বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রথমবার যখন হয়েছিল, কিছু বলিনি। মনে হয়েছিল এটা হতেই পারে। দ্বিতীয়বার যখন একই ঘটনা ঘটে, তখনো কিছু বলিনি। কিন্তু তাদের ইনটেনশন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। গতকাল আবার একই ঘটনা। প্রোগ্রামের আগে-পরে নয়, অন্য কারও বক্তব্যের সময় নয়। ঠিক আমি যখন কথা বলা শুরু করি, তখন আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। কথা বলা শেষ হলে বিদ্যুৎ চলে আসে। সকল মিডিয়া এটার সাক্ষী।’
সারজিস বলেন, ‘তিনটি প্রোগ্রাম তিন দিন ভিন্ন সময়ে হয়েছে। তারপরও যখন এই ধরনের ঘটনা ঘটে, তখন আমি অবশ্যই মনে করি,এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সেক্টরের কিছু কর্মকর্তা এই ধরনের ছোটলোকি কিংবা অন্য দলের দালালিমূলক আচরণ করে থাকে। একজনকে ডিস্টার্ব করতে পারলে তাদের রাজনৈতিক সফলতা মনে করে।
‘প্রত্যেকবারই প্রোগ্রামের আগে তাদের প্রোগ্রাম সম্পর্কে বলে রাখা হয়। প্রোগ্রামের পরেও ভদ্র ভাষায় বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরও যখন একই চিত্র দেখা যায়, তখন তাদের সঙ্গে সুশীলতা প্রদর্শন করা প্রয়োজন মনে করি না। তবে ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে যে উপমা ব্যবহার করেছি, সেটা করা উচিত হয়নি বলে মনে করি।’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সিন্ডিকেট, দুর্নীতি ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে এনসিপির পক্ষ থেকে লংমার্চে ১০ ঘণ্টা ধরে প্রায় দুই হাজার মানুষ মোটরসাইকেলে করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে পুরো পঞ্চগড় জেলার ১৫০ কিলোমিটার অতিক্রম করেছি। আশা করি, মিডিয়ার ফোকাস সেদিকেও থাকবে।’

সংবাদ সম্মলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্বান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বন্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও তাঁর একমাত্র কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান তারেক রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন।
২ ঘণ্টা আগে