
রেমোর মাঠে পুরো ম্যাচজুড়েই স্বাগতিক সমর্থকদের কটূক্তির শিকার হন নেইমার। জয়ের পর ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে সমর্থকদের উদ্দেশে চুমু ছুড়ে দেন তিনি। এরপর মিক্সড জোনে রেমোর কর্মকর্তা ও সমর্থকদের সামনে তাঁকে নাচতে দেখা যায়। এ সময় নেইমার চিৎকার করে বলেন, ‘এলিমিনেটেড! এলিমিনেটেড!’ (বাদ পড়ে গেছ, বাদ পড়ে গেছ)।

দীর্ঘ ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন নেইমার। আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। সেই সঙ্গে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে সেলেসাওদের বিদায়ের পর তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে চলা সব জল্পনাও অবসান হয়েছে।

চ্যাপেকোয়েন্সের বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্রয়ের পর নতুন বিতর্কে জড়িয়েছেন সান্তোস সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। ম্যাচের পরদিন কোচিং স্টাফের অনুমতি ছাড়াই অনুশীলন কেন্দ্র ত্যাগ করেন। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো দাবি করেছে, ম্যাচের বিরতিতে দুই তরুণ সতীর্থ গাব্রিয়েল বন্তেম্পো ও জোয়াও আনানিয়াসের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য

নেইমারের ফেরার ম্যাচে নাটকীয়তা তো একেবারে কম ছিল না। তাঁস-বাটার মতো করে উদযাপন, দলকে বাঁচানো, পেলেন নিষেধাজ্ঞা—কী না হয়েছে তাঁর ফেরার ম্যাচে! হয়তো দিনটিকে চাইলে ক্যালেন্ডারের পাতায় বিশেষভাবে দাগিয়েও রাখতে পারেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড।