
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা আগেই অর্জন করেছে ব্রাজিল। বাছাইপর্বের যে দুটি ম্যাচ বাকি, সেগুলো সেলেসাওদের জন্য নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ। এ দুই ম্যাচের জন্য ব্রাজিল দলে নেইমার ফিরছেন বলে শোনা যাচ্ছে।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য ব্রাজিল এখনো দল ঘোষণা করেনি। ২৫ আগস্ট দল ঘোষণা করবে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ)। তার আগে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে ধারণা পাওয়া গেছে, কে এই দলে থাকছেন আর কে থাকছেন না। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’র গত রাতের এক প্রতিবেদন থেকে কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রাথমিক তালিকা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে। সেপ্টেম্বরে হতে যাওয়া বলিভিয়া ম্যাচের জন্য ভিনিকে ব্রাজিল দলে ডাকতে চান না আনচেলত্তি। এ কারণে এই ফরোয়ার্ডকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোচ। কারণ, সেপ্টেম্বরে চিলি ও বলিভিয়ার বিপক্ষে বাছাইপর্বের দুটি ম্যাচ রয়েছে ব্রাজিলের। এদিকে এ বছরের জুনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে দুটি হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন ভিনি। চিলির বিপক্ষে তাই খেলতে পারবেন না ২৫ বছর বয়সী ব্রাজিল ফরোয়ার্ড।
গোলরক্ষক গ্যাব্রিয়েল বারাজো, ডিফেন্ডার এদের মিলিতাও, ভিতিনিও ও পাউলো হেনরিখ, মিডফিল্ডার দানিলো ও মার্কোস আন্তোনিও, ফরোয়ার্ড নেইমার, কাইও হোর্হে, রদ্রিগো—‘ও গ্লোবো’ যেসব ফুটবলারের ব্রাজিলের প্রাথমিক দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে নিশ্চিত হতে পেরেছে। আনচেলত্তি তাঁর প্রাথমিক তালিকা সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোকে জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সত্যি হলে ২২ মাস পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরতে যাচ্ছেন নেইমার। এর আগে সবশেষ তিনি জাতীয় দলে খেলেছিলেন ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর।
চোটের সঙ্গে লড়তে লড়তে গত দুই বছর নেইমার বেশ ক্লান্ত। এ কারণে ২০২৩ সালের আগস্টে আল হিলালে দুই বছরের চুক্তিতে গেলেও এ বছরের জানুয়ারিতে তাঁর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে সৌদি ক্লাবটি। শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরেও বারবার চোটে আক্রান্ত হয়েছেন এই ফরোয়ার্ড। গতকাল ভাস্কো দা গামার কাছে তাঁর দল সান্তোস ৬-০ গোলে হেরেছে। এটা তাঁর প্রতিযোগিতামূলক ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হার। এদিকে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নেইমারের ব্রাজিল ১৬ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অবস্থান করছে। ইকুয়েডরের পয়েন্ট ২৫ হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে তারা দুইয়ে। ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আর্জেন্টিনা। সবাই ১৬টি করে ম্যাচ খেলেছে।

সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১৯ মিনিট আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২০ মিনিট আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২২ মিনিট আগে
আটলান্টার দিনটা কি আবার লিওনেল মেসির হবে? নাকি সেই আলো কেড়ে নেবেন মোহামেদ সালাহ? ৯০ মিনিটে (যদি অতিরিক্ত সময় না লাগে) একজনের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন আরও বড় হবে, অন্যজনের যাত্রা থেমে যাবে সেখানেই। বিশ্বকাপের নকআউটে সৌন্দর্যের চেয়ে বেঁচে থাকাটাই বড়। কে কত ভালো খেলল, সেটি ইতিহাস খুব বেশি মনে রাখে না;
২৫ মিনিট আগে