
সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক বিতর্কিত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘ওনলিফ্যানস’ (OnlyFans)-এর মালিক লিওনিদ রাদভিনস্কি মারা গেছেন। ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে ৪৩ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার সংস্থার পক্ষ থেকে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ফিন্যানসিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনীয়-মার্কিন বংশোদ্ভূত এই উদ্যোক্তা বেশ কিছুদিন ধরে মরণব্যাধি ক্যানসারে ভুগছিলেন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়া এক শোকবার্তায় বলা হয়েছে, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, লিও রাদভিনস্কি ক্যানসারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর শান্তিপূর্ণভাবে বিদায় নিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানিয়েছে।’
২০১৮ সালে রাদভিনস্কি যুক্তরাজ্যের পর্নোগ্রাফি ও বিনোদন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফেনিক্স ইন্টারন্যাশনাল’ (ওনলিফ্যানসের মূল সংস্থা)-এর সিংহভাগ মালিকানা কিনে নেন। তাঁর অধীনেই এই প্ল্যাটফর্মটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছায় এবং যৌনকর্মী থেকে শুরু করে সেলিব্রিটিদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হয়ে ওঠে। তিনি আমৃত্যু এই কোম্পানির পরিচালক এবং প্রধান শেয়ারহোল্ডার ছিলেন।
ওনলিফ্যানস অধিগ্রহণের পর থেকে রাদভিনস্কি ব্রিটেনের অন্যতম সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত লভ্যাংশ অর্জনকারী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি পান। গত বছরই তাঁর কোম্পানি রেকর্ড ৭০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। জানা গেছে, মৃত্যুর আগে তিনি মাল্টি-বিলিয়ন ডলার বা কয়েক হাজার কোটি টাকায় এই স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মটি বিক্রির বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি লিওনিদ রাদভিনস্কির নেতৃত্বে আধুনিক অনলাইন কন্টেন্ট ডিস্ট্রিবিউশন এবং সাবস্ক্রিপশন মডেলে বিপ্লব ঘটিয়েছিল।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বার্তায় এ কথা জানায় তারা।
৪ ঘণ্টা আগে
গভীর রাত। ঘুমন্ত ও নিস্তব্ধ পুরো এলাকা। এমন সময় উচ্চশব্দে বেজে উঠেছে গাড়ির অ্যালার্ম। পুরো এলাকার মানুষের ঘুমের বারোটা বেজে গেল। এমন ঘটনা ঘটছে পূর্ব লন্ডনে। আর এই অ্যালার্মের উৎস গুগলের গাড়ির।
১ দিন আগে
একসময় পোষা পাখির পায়ে চিঠি বেঁধে খবর পৌঁছে দেওয়া হতো নির্দিষ্ট মানুষের কাছে। মাসের পর মাস দেখা কিংবা কথা হতো না অনেকের সঙ্গে। একসময় এল ল্যান্ডফোন, তারপর এসেছে স্মার্টফোন। তখন আমরা অনেকের মোবাইল ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারতাম।
১ দিন আগে
একসময় যা ছিল কম্পিউটার স্ক্রিনের আড়ালে থাকা যুদ্ধ, তা এখন আক্ষরিক অর্থে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা—সবই এখন হ্যাকারদের নখদর্পণে। ফলে এখন আপনার মনে হতেই পারে, কেউ সারাক্ষণ আপনাকে চোখে চোখে রাখছে!
১ দিন আগে