
মোবাইল ইন্টারনেটের গতির বৈশ্বিক সূচকে প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে আরব আমিরাত। গত আগস্ট মাসে দেশটিতে মোবাইল ইন্টারনেটে গড় ডাউনলোড গতি ছিল ৩৯৮ এমবিপিএস। অপরদিকে বাংলাদেশ এই সূচকে ৮৯ তম অবস্থানে রয়েছে। প্রতিবেশি দেশ ভারত ও পাকিস্তান যথাক্রমে ২০তম এবং ১০১তম অবস্থানে রয়েছে।
প্রতি মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেটের গতি তুলে ধরে ওকলা। প্রতিষ্ঠানটির ‘স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স’ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়েছে, আগস্ট মাসে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটে গড় ডাউনলোড গতি ছিল ২৭ দশমিক ৭৬ এমবিপিএস। আর গড় আপলোড গতি ছিল ১১ দশমিক ২২ এমবিপিএস। মোবাইল ইন্টারনেটে মেডিয়ান ল্যাটেনসি ছিল ২৫ মিলিসেকেন্ড।
ওকলার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে গতির সূচকে এগোতে শুরু করে মোবাইল ইন্টারনেট। মার্চে ১১২ তম অবস্থানে থাকার পর এপ্রিলে কিছুটা এগিয়ে ১১০ তম অবস্থানে উঠে আসে বাংলাদেশ। এরপর মে মাসে ১০৯ তম এবং সবশেষ জুনে এক লাফে ৯০ তম অবস্থানে উঠে আসে বাংলাদেশ।
শীর্ষে থাকা আরব আমিরাতের আগস্ট মাসে মোবাইল ইন্টারনেটের গড় আপলোড গতি ছিল ২৭ দশমিক ৬৫ এমবিপিএস। আর মেডিয়ান ল্যাটেনসি ছিল ১৯ মিলিসেকেন্ড।
অপরদিকে ভারত ও পাকিস্তানের মোবাইল ইন্টারনেটের গড় আপলোড গতি ছিল যথাক্রমে ৯৬ দশমিক ৩৮ এমবিপিএস এবং ১৯ দশমিক ৫৯ এমবিপিএস।
এই সূচকে দ্বিতীয় থেকে দশম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে কাতার, কুয়েত, দক্ষিণ কোরিয়া, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সৌদি আরব, বুলগেরিয়া ও লুক্সেমবার্গ।
তথ্যসূত্র: স্পিডটেস্ট ডট কম

গভীর রাত। ঘুমন্ত ও নিস্তব্ধ পুরো এলাকা। এমন সময় উচ্চশব্দে বেজে উঠেছে গাড়ির অ্যালার্ম। পুরো এলাকার মানুষের ঘুমের বারোটা বেজে গেল। এমন ঘটনা ঘটছে পূর্ব লন্ডনে। আর এই অ্যালার্মের উৎস গুগলের গাড়ির।
১৫ ঘণ্টা আগে
একসময় পোষা পাখির পায়ে চিঠি বেঁধে খবর পৌঁছে দেওয়া হতো নির্দিষ্ট মানুষের কাছে। মাসের পর মাস দেখা কিংবা কথা হতো না অনেকের সঙ্গে। একসময় এল ল্যান্ডফোন, তারপর এসেছে স্মার্টফোন। তখন আমরা অনেকের মোবাইল ফোন নম্বর মুখস্থ রাখতে পারতাম।
১৭ ঘণ্টা আগে
একসময় যা ছিল কম্পিউটার স্ক্রিনের আড়ালে থাকা যুদ্ধ, তা এখন আক্ষরিক অর্থে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর থেকে শুরু করে বাড়ির ঠিকানা—সবই এখন হ্যাকারদের নখদর্পণে। ফলে এখন আপনার মনে হতেই পারে, কেউ সারাক্ষণ আপনাকে চোখে চোখে রাখছে!
১৭ ঘণ্টা আগে
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন। পরিত্যক্ত খনি এলাকাগুলোকে সবুজ জ্বালানি ও টেকসই শিল্পকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এর উদাহরণ দেখা যাচ্ছে হুবেই প্রদেশের তাইয়্য শহরে।
১৮ ঘণ্টা আগে