দুজনের পারফরম্যান্সের স্রোত বিপরীতমুখী হলেও একটি জায়গায় এক বিন্দুতে মিলে গেছেন। রাফায়েল নাদাল-নাওমি ওসাকা দুজনই চোটের সঙ্গে লড়াই করছেন।
পায়ের চোটকে সঙ্গী করেই কদিন আগে ‘প্রিয় প্রাঙ্গণে’ বাজিমাত করেছেন নাদাল। ৩৬ তম জন্মদিনের কেক কাটার একদিন পরেই জিতেছেন নিজের ১৪ তম ফ্রেঞ্চ ওপেন আর ২২ তম গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা। আর মাদ্রিদ ওপেনে পাওয়া চোট নিয়ে রোলাঁ গারোর লাল দুর্গ থেকে প্রথম রাউন্ডেই ছিটকে গেছেন ওসাকা।
পুরোপুরি সেরে উঠতে নাদালকে ব্যথানাশক ইনজেকশন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। সেটি করলে স্প্যানিশ মহাতারকার পা নাকি বেশ কিছুদিন অবশ হয়ে থাকত। তাতে করে আগামী সপ্তাহ থেকে শুরু হতে চলা উইম্বলডনে খেলা হতো না তাঁর।
তবে চোটের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে নাদাল নিজেই সুখবর দিয়েছেন। পায়ের ব্যথা অনেকটাই কমে যাওয়ায় বছরের তৃতীয় গ্র্যান্ড স্লামে অংশ নিতে আশাবাদী তিনি। নাদাল বলেছেন, ‘আমি খুশি, এক সপ্তাহ ধরে হাঁটতে সমস্যা হয়নি। এবারের চিকিৎসা পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেছি। আগে প্রচণ্ড ব্যথার কারণে শরীরের পুরো ভর দিয়ে দাঁড়াতে কষ্ট হতো। এখন হচ্ছে না।’
সবুজ গালিচায় নিজের উপস্থিতি জানান দিতে আজই লন্ডনে যাচ্ছেন নাদাল। সেখানে গিয়ে অনুশীলন ও প্রদর্শনী ম্যাচের পর নিজের শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করবেন তিনি, ‘আমার লক্ষ্য উইম্বলডন খেলা। আগামী সপ্তাহে শরীরের অবস্থা কেমন থাকবে, তার ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। বুঝতে পারছি টুর্নামেন্টে আমার খেলার সম্ভাবনা আছে।’
নাদালের উইম্বলডন খেলার সম্ভাবনা সৃষ্টি হলেও ঘাসের কোর্টে দেখা যাবে না নারী টেনিস র্যাঙ্কিংয়ের সাবেক শীর্ষ তারকা ওসাকাকে। বাঁ পায়ের গোড়ালিতে চোট পাওয়ার পর থেকেই খুঁড়িয়ে চলছেন তিনি।
কবে কোর্টে ফিরবেন, সে ব্যাপারে কিছু না বললেও উইম্বলডন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওসাকা। এক ভিডিও বার্তায় ২৪ বছর বয়সী জাপানি তারকা বলেছেন, ‘ঘাসের কোর্টে খেলার স্বপ্ন শেষ। আমার গোড়ালি এখনো ঠিক হয়নি। আশা করি আগামী বছর দেখা হবে।’
দুটি করে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জয়ী ওসাকা কখনো উইম্বলডনের তৃতীয় রাউন্ডের বাধা টপকাতে পারেনি। আগের চার বছরে চারটি গ্র্যান্ড স্লাম জেতা তারকার ‘পাঁচে পাঁচ’ করার একমাত্র সুযোগ যুক্তরাষ্ট্র ওপেন।

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
৪০ মিনিট আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৩ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৪ ঘণ্টা আগে