
সকালের সূর্য সব সময়ই দিনের সঠিক পূর্বাভাস দেয় না। আর্লিং হালান্ডের সঙ্গে ডারউইন নুনেজের তুলনা যেভাবে কদিনের মধ্যে মিইয়ে গেল, প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুম শুরুর আগে সেটি আবার মনে করিয়ে দিতে হচ্ছে।
বেনফিকা থেকে ৮০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে লিভারপুলে এসেছিলেন নুনেজ। বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ৬০ মিলিয়ন ইউরোতে হালান্ডকে কিনেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। দুই দল আর দুই স্ট্রাইকারের শুরুটা হয়েছিল একেবারে ভিন্নভাবে। সিটিকে হারিয়ে গত বছর কমিউনিটি শিল্ড জেতে অলরেডরা। নুনেজ গোল পেলেও হালান্ড ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে।
এরপর যেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গানের মতো, ‘দুজনার দুটি পথ দুটি দিকে গেছে বেঁকে।’ প্রথম মৌসুমেই সিটিজেনদের ট্রেবল জেতানোর পথে হালান্ড লিগে ৩৬ ম্যাচে করেন রেকর্ড ৩৫ গোল। নুনেজ ২৯ ম্যাচে ৯ গোল, লিভারপুলও মৌসুম শেষ করে পাঁচে থেকে।
হালান্ড-নুনেজ দ্বৈরথ দেখা না গেলেও এবার আলোচনায় রাসমুস হয়লুন্দ। রাতারাতি পাল্টে গেছে ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের জীবন। দিন কয়েক আগেও যাঁর দাম ছিল ২ মিলিয়ন ইউরো, তিনিই এখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ দামি ফুটবলার। আটালান্টা থেকে ৮৫ মিলিয়ন ইউরোতে পাঁচ বছরের জন্য ওল্ড ট্রাফোর্ডে এসেছেন হয়লুন্দ।
স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে, ২০২২-২৩ মৌসুমে ম্যানচেস্টারে রাজত্ব করবেন কে? বয়সে তিন বছরের বড় হালান্ডকে কি টেক্কা দিতে পারবেন হয়লুন্দ? শক্তি বিচারের আগে দেখা যাক দুজনের মিল। নরওয়ের হালান্ড ও ডেনমার্কের হয়লুন্দ—দুজনই নর্ডিক ও সোনালি চুলের, উচ্চতা ৬ ফুটের বেশি। ইউরোপের শীর্ষ লিগে আসার আগে দুজনেই খেলেছেন অস্ট্রিয়ান লিগে। ফাইনাল থার্ডে দুজনেই ভয়ংকর।
গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে হালান্ড ৭৭ মিনিট অন্তর ১টি গোল পেয়েছেন। সিরি ‘আ’য় হয়লুন্দের সেখানে লেগেছে ২০৪ মিনিট করে। পেশাদারি ফুটবলে মাত্র দুই মৌসুম খেলেছেন তিনি। নিজের দ্বিতীয় মৌসুমে হালান্ড স্বদেশি ক্লাব মোলদের হয়ে ২৫ ম্যাচে করেন ১২ গোল। সিটি তারকার মূল শক্তি মূলত যোদ্ধার মতো শারীরিক গড়ন, গতি, অ্যাথলেটিসিজম।
ওয়েগহর্স্টের সঙ্গে স্থায়ী চুক্তির জায়গায় ইউনাইটেডের হয়লুন্দকে কেনার কারণ তাঁর ‘লিথ্যাল ফিনিশিং’। বল স্পর্শ ও ড্রিবলে তাঁকে হালান্ডের চেয়ে এগিয়ে রাখছেন অনেকে। প্রতি ম্যাচে গড়ে ১০-এর বেশি বল স্পর্শ করেছেন তিনি। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওয়ান বনাম ওয়ানে হয়লুন্দ এগিয়ে থাকলেও পেনাল্টি জেতা ও গোল আদায়ে এগিয়ে হালান্ড। ফরোয়ার্ড হলেও উইংয়ে খেলতে পারেন হয়লুন্দ। তাঁকে ‘নাম্বার নাইন’ ভূমিকাতেও যদি কোচ টেন হাগ খেলান, অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। রাশফোর্ড, গারনাচো ও সানচোদের মতো গতির ফরোয়ার্ড ও উইঙ্গারদের সহায়তা পেলে সেন্টার ফরোয়ার্ডের দায়িত্ব বেশ ভালোভাবে সামলাতে পারবেন তিনি। ইউনাইটেডের এই আক্রমণকে রুখতে সিটির নতুন ডিফেন্ডার গাভারদিওলদের যে আরও রক্ষণাত্মক হতে হবে, সেটি বলে দেওয়াই যায়।

সকালের সূর্য সব সময়ই দিনের সঠিক পূর্বাভাস দেয় না। আর্লিং হালান্ডের সঙ্গে ডারউইন নুনেজের তুলনা যেভাবে কদিনের মধ্যে মিইয়ে গেল, প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুম শুরুর আগে সেটি আবার মনে করিয়ে দিতে হচ্ছে।
বেনফিকা থেকে ৮০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফিতে লিভারপুলে এসেছিলেন নুনেজ। বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ৬০ মিলিয়ন ইউরোতে হালান্ডকে কিনেছিল ম্যানচেস্টার সিটি। দুই দল আর দুই স্ট্রাইকারের শুরুটা হয়েছিল একেবারে ভিন্নভাবে। সিটিকে হারিয়ে গত বছর কমিউনিটি শিল্ড জেতে অলরেডরা। নুনেজ গোল পেলেও হালান্ড ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে।
এরপর যেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গানের মতো, ‘দুজনার দুটি পথ দুটি দিকে গেছে বেঁকে।’ প্রথম মৌসুমেই সিটিজেনদের ট্রেবল জেতানোর পথে হালান্ড লিগে ৩৬ ম্যাচে করেন রেকর্ড ৩৫ গোল। নুনেজ ২৯ ম্যাচে ৯ গোল, লিভারপুলও মৌসুম শেষ করে পাঁচে থেকে।
হালান্ড-নুনেজ দ্বৈরথ দেখা না গেলেও এবার আলোচনায় রাসমুস হয়লুন্দ। রাতারাতি পাল্টে গেছে ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের জীবন। দিন কয়েক আগেও যাঁর দাম ছিল ২ মিলিয়ন ইউরো, তিনিই এখন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ দামি ফুটবলার। আটালান্টা থেকে ৮৫ মিলিয়ন ইউরোতে পাঁচ বছরের জন্য ওল্ড ট্রাফোর্ডে এসেছেন হয়লুন্দ।
স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে, ২০২২-২৩ মৌসুমে ম্যানচেস্টারে রাজত্ব করবেন কে? বয়সে তিন বছরের বড় হালান্ডকে কি টেক্কা দিতে পারবেন হয়লুন্দ? শক্তি বিচারের আগে দেখা যাক দুজনের মিল। নরওয়ের হালান্ড ও ডেনমার্কের হয়লুন্দ—দুজনই নর্ডিক ও সোনালি চুলের, উচ্চতা ৬ ফুটের বেশি। ইউরোপের শীর্ষ লিগে আসার আগে দুজনেই খেলেছেন অস্ট্রিয়ান লিগে। ফাইনাল থার্ডে দুজনেই ভয়ংকর।
গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে হালান্ড ৭৭ মিনিট অন্তর ১টি গোল পেয়েছেন। সিরি ‘আ’য় হয়লুন্দের সেখানে লেগেছে ২০৪ মিনিট করে। পেশাদারি ফুটবলে মাত্র দুই মৌসুম খেলেছেন তিনি। নিজের দ্বিতীয় মৌসুমে হালান্ড স্বদেশি ক্লাব মোলদের হয়ে ২৫ ম্যাচে করেন ১২ গোল। সিটি তারকার মূল শক্তি মূলত যোদ্ধার মতো শারীরিক গড়ন, গতি, অ্যাথলেটিসিজম।
ওয়েগহর্স্টের সঙ্গে স্থায়ী চুক্তির জায়গায় ইউনাইটেডের হয়লুন্দকে কেনার কারণ তাঁর ‘লিথ্যাল ফিনিশিং’। বল স্পর্শ ও ড্রিবলে তাঁকে হালান্ডের চেয়ে এগিয়ে রাখছেন অনেকে। প্রতি ম্যাচে গড়ে ১০-এর বেশি বল স্পর্শ করেছেন তিনি। পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওয়ান বনাম ওয়ানে হয়লুন্দ এগিয়ে থাকলেও পেনাল্টি জেতা ও গোল আদায়ে এগিয়ে হালান্ড। ফরোয়ার্ড হলেও উইংয়ে খেলতে পারেন হয়লুন্দ। তাঁকে ‘নাম্বার নাইন’ ভূমিকাতেও যদি কোচ টেন হাগ খেলান, অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। রাশফোর্ড, গারনাচো ও সানচোদের মতো গতির ফরোয়ার্ড ও উইঙ্গারদের সহায়তা পেলে সেন্টার ফরোয়ার্ডের দায়িত্ব বেশ ভালোভাবে সামলাতে পারবেন তিনি। ইউনাইটেডের এই আক্রমণকে রুখতে সিটির নতুন ডিফেন্ডার গাভারদিওলদের যে আরও রক্ষণাত্মক হতে হবে, সেটি বলে দেওয়াই যায়।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
২২ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
১ ঘণ্টা আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১৩ ঘণ্টা আগে