
ডিআর কঙ্গোর প্রধান কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রের জন্য ভুলে যাওয়ার মতো একটা দিনই পার হলো বলতে হয়। ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের সেরা ৩২ থেকে বিদায় নিয়েছে তাঁর দল। এরপর সংবাদ সম্মেলনে বাবার মৃত্যুর সংবাদ পান তিনি। এর চেয়ে নির্মম আর কী হতে পারে!
ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন দেসাব্রে। ঠিক তখনই দলের যোগাযোগ কর্মকর্তা হঠাৎ করে জানান, কোচ তাঁর বাবাকে হারিয়েছেন। এরপর দলের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়।
ঘটনাটির ভিডিও দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। দেসাব্রে আগে থেকেই বাবার মৃত্যুর খবর জানতেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ঘোষণার পর তাঁকে হতবাক অবস্থায় দেখা যায়।
মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, ‘ধন্যবাদ। কোচ তাঁর বাবাকে হারিয়েছেন; আমরা তাঁর জন্য আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’ এরপর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় দেসাব্রে ‘ক্ষমা করবেন’ বলে প্রেস কনফারেন্স ত্যাগ করেন।
৪৯ বছর বয়সী দেসাব্রের অধীনে ১৯৭৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল ডিআর কঙ্গো। ইন্টারকন্টিনেন্টাল প্লে-অফে জ্যামাইকার বিপক্ষে জয় নিশ্চিত করেই বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয় তারা। তৃতীয় হয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ই তাদের নকআউটের টিকিট এনে দেয়।
সেরা ৩২-এর ম্যাচে ইংল্যান্ডকে রীতিমতো ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল ডিআর কঙ্গো। সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে লিড নেয় দলটি। সেই গোলের ওপর ভর করে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে ছিল দেসাব্রের দল। তবে হ্যারি কেনের জোড়া গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয় ডিআর কঙ্গোর। হারলেও ভক্তদের হৃদয় জয় করে নেন গোলরক্ষক লিওনার্দো এমপাসি। পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত কিছু সেভ দেন তিনি।

এটাও কী সম্ভব! মাত্র ২৪ ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ের ব্যবধানে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে আফ্রিকার তিন দল আইভরি কোস্ট, ডিআর কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও সেনেগাল। কাকতালীয় ব্যাপার হলো, হারার পথে এই তিন দলই ৮৬তম মিনিটে গোল হজম করেছে।
২৩ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের সেরা ৩২ থেকে বিদায় নেওয়ার কয়েক দিন পর দেশে ফিরেছেন জাপানের ফুটবলাররা। ব্রাজিলের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও দেশে ফেরার পর সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন হাজিমে মোরিয়াসুর শিষ্যরা।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরুর আগে স্বস্তির খবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন দলের নির্ভরযোগ্য সেন্টারব্যাক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। সবকিছু ঠিক থাকলে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচেই তাঁকে শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
লিওনেল মেসিকে থামানো যেকোনো ডিফেন্ডারের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার রবার্তো পিকো লোপেসের মা জুডি লোপেস এটাকে ছেলের জন্য ভয় হিসেবে দেখছেন না। বরং তাঁর বিশ্বাস, ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মেসির বিপক্ষে খেলতে মোটেও চাপ অনুভব করবে না তাঁর ছেলে।
৩ ঘণ্টা আগে