
এটাও কী সম্ভব! মাত্র ২৪ ঘণ্টার কিছু বেশি সময়ের ব্যবধানে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে আফ্রিকার তিন দল আইভরি কোস্ট, ডিআর কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও সেনেগাল। কাকতালীয় ব্যাপার হলো, হারার পথে এই তিন দলই ৮৬তম মিনিটে গোল হজম করেছে।
এই অদ্ভুত ধারাবাহিকতার শুরু আইভরি কোস্টের ম্যাচ দিয়ে। নরওয়ের বিপক্ষে আমাদ দিয়ালোর গোলে সমতায় ফিরে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে নেওয়ার আশা জাগিয়েছিল আইভরিয়ানরা। কিন্তু ৮৬তম মিনিটে আরলিং হালান্ড গোল করে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন। তাতেই শেষ হয় আইভরি কোস্টের বিশ্বকাপ যাত্রা।
পরদিন একই পরিণতি বরণ করে ডিআর কঙ্গো। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সপ্তম মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল তারা। গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসির দুর্দান্ত কয়েকটি সেভে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখেছিল দ্য লেপার্ডস খ্যাত দলটি। তবে শেষদিকে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হ্যারি কেইন। এই ইংলিশ স্ট্রাইকারের জোড়া গোলের দ্বিতীয়টি আসে ৮৬তম মিনিটে, যা ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেয়। প্রথমে এগিয়ে গিয়েও হতাশাজনক হারে বিশ্বকাপ শেষ করে ডিআর কঙ্গো।
কয়েক ঘণ্টা পর একই নাটকের শিকার হয় সেনেগাল। বেলজিয়ামের বিপক্ষে ৮৬তম মিনিট পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল আফ্রিকার দলটি। এরপর রোমেলু লুকাকুর গোলে ব্যবধান কমায় বেলজিয়ানরা। ৮৯তম মিনিটে ইউরি টিলেমান্স জালের দেখা পেলে ম্যাচে ফেরে ইউরোপের দলটি। পরে অতিরিক্ত সময়ে আরও এক গোল করে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় বেলজিয়াম। শেষ ষোলতে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয় সেনেগালের।
একই মিনিটে তিন আফ্রিকান দলের এমন হৃদয়ভাঙা বিদায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক সমর্থকই এটাকে আফ্রিকানদের জন্য ‘৮৬তম মিনিটের অভিশাপ’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

ডিআর কঙ্গোর প্রধান কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রের জন্য ভুলে যাওয়ার মতো একটা দিনই পার হলো বলতে হয়। ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপের সেরা ৩২ থেকে বিদায় নিয়েছে তাঁর দল। এরপর সংবাদ সম্মেলনে বাবার মৃত্যুর সংবাদ পান তিনি। এর চেয়ে নির্মম আর কী হতে পারে!
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের সেরা ৩২ থেকে বিদায় নেওয়ার কয়েক দিন পর দেশে ফিরেছেন জাপানের ফুটবলাররা। ব্রাজিলের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও দেশে ফেরার পর সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন হাজিমে মোরিয়াসুর শিষ্যরা।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরুর আগে স্বস্তির খবর পেয়েছে আর্জেন্টিনা। চোট কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন দলের নির্ভরযোগ্য সেন্টারব্যাক ক্রিস্তিয়ান রোমেরো। সবকিছু ঠিক থাকলে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচেই তাঁকে শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
লিওনেল মেসিকে থামানো যেকোনো ডিফেন্ডারের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার রবার্তো পিকো লোপেসের মা জুডি লোপেস এটাকে ছেলের জন্য ভয় হিসেবে দেখছেন না। বরং তাঁর বিশ্বাস, ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মেসির বিপক্ষে খেলতে মোটেও চাপ অনুভব করবে না তাঁর ছেলে।
৪ ঘণ্টা আগে