
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও নোভাক জোকোভিচ, বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে অতি পরিচিত দুই মুখ। পর্তুগিজ তারকার পাড় ভক্ত জোকোভিচ। অনুপ্রেরণাও মানেন ইতিহাসের সেরা ফুটবলারদের একজনকে। এবার প্রিয় ফুটবলাররের কাছ থেকে উপহার পেলেন সার্বিয়ান টেনিস তারকা।
সম্প্রতি পর্তুগাল গিয়েছিলেন জোকোভিচ। দেশটির রাজধানী লিসবনের একটি টেনিস ক্লাবে রোনালদোর সঙ্গে দেখা হয় তাঁর। সেখানে জোকোভিচকে নিজের স্বাক্ষর করা আল নাসরের একটি জার্সি উপহার দেন রোনালদো। তাঁকেও খালি হাতে ফেরাননি ৩৮ বছর বয়সী জোকোভিচ। রোনালদোকে ল্যাকোস্টের লাল রংয়ের জার্সি এবং একটি রেকেট দেন তিনি। দুটি উপহারেই ছিল জোকোভিচের স্বাক্ষর। রেকেটে স্বাক্ষরের পাশাপাশি রোনালদোর আইকনিক ‘সিউউউ’ লিখা ছিল।
সম্প্রতি রিয়াদের জয় ফোরামে জোকোভিচ বলেন, ‘লম্বা সময় ধরে খেলতে পারছি এটা আমার সবচেয়ে বড় প্রেরণাগুলোর মধ্যে একটি। দেখতে চাই যে আমি কতদূর যেতে পারি। বিশ্বের নামিদামি সব ক্রীড়াবিদদের লক্ষ্য করলে আমি লেব্রন জেমসের কথা বলব। ৪০ বছর বয়সে এসেও তিনি এখনও অনেক শক্তিশালী। একইভাবে রোনালদো, টম ব্র্যাডির কথাও বলতে হয়। তাঁরাও ৪০ এর কোটায় আছেন। এই বয়সে খেলা চালিয়ে যাওয়া সত্যিই অবিশ্বাস্য। তাঁরা আমাকে অনুপ্রাণিত করছেন। আমি এগিয়ে যেতে চাই এবং এটা আমার অন্যতম প্রেরণা।’
২০১৮ সালে এটিপি ফাইনালে গ্যালারিতে বসে জোকোভিচের খেলা দেখেছেন রোনালদো। অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকা নিক কিরগিওসের পডকাস্টে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলেন জোকোভিচ, ‘রোনালদো একজন বড় মাপের ফুটবল তারকা। তাঁর মতো একজন ক্রীড়াবিদ কোর্ট সাইডে বসে আমার খেলা দেখেছে এটা দারুণ ব্যাপার। সে মাদ্রিদে অনেক সময় আসতো এবং টেনিস দেখতো। সে নাদাল, ফেদেরার এবং আমার খেলা দেখতে আসতো। সে টেনিসের একজন ভক্ত। এটা সত্যিই চমৎকার। কারণ সে গত দশকের অন্যতম সেরা তারকা। আমাদের খেলায় তাঁকে পাওয়াটা দারুণ।’

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে