কিছুদিন আগে সংবাদ সম্মেলনে জাভি হার্নান্দেজকে বুকে জড়িয়ে নিয়েছিলেন হোয়ান লাপোর্তা। স্পোর্টিং ডিরেক্টর ডেকোসহ বার্সেলোনার আরও কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে হাত হাত রেখে কিসের যেন শপথও নিয়েছিলেন দুজনে। হঠাৎ কী এমন হলো যে, জাভিকে বরখাস্ত করতে যাচ্ছেন লাপোর্তা? সাম্প্রতিক খবর এটাই।
শিষ্যদের ওপর নাখোশ হয়ে গত জানুয়ারিতে কোচের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন সিদ্ধান্ত নেন জাভি। সেটি অবশ্য ‘শাপে বরই হয়’। আলস্য ঝেড়ে জেগে উঠে দল। গত এপ্রিলে লাপোর্তার জোরাজুরিতে আগের চুক্তি অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বার্সাতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন স্প্যানিশ কোচ। কিন্তু তাঁর এই ‘ইউটার্নের’ ২৩ দিন গত হতেই নতুন খবর, ছাঁটাই হতে যাচ্ছেন জাভি।
কেন হঠাৎ এমন খবর? পরশু রাতে লা লিগায় আলমেরিয়ার মাঠে ২-০ গোলে জিতেছে বার্সা। কিন্তু ম্যাচের আগে বার্সার অর্থনৈতিক অবস্থার সমালোচনা করে জাভি বলেন, ‘যা ভাবি আমি সেটিই বলি, অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো অবস্থায় নেই। পরিস্থিতি উন্নতির জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। আমরা শিরোপার জন্য লড়ছি, কিন্তু পাল্টায়নি কিছুই। তারা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে কিছুই বলেননি। ক্রীড় সহসভাপতি আমাদের সঙ্গে এসেছেন। আমি শুধু সত্যটাই বলেছি। আমরা উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে সব শিরোপার জন্য লড়ছি, তবে পরিস্থিতি সহজ নয়, আমাদের বাস্তবতা পাল্টায়নি।’
দল নিয়ে জাভির এমন সমালোচনা মোটেও পছন্দ হয়নি বার্সার বাকি কর্মকর্তাদের। তাঁরা লাপোর্তাকে সুপারিশ করেছেন, ৪৪ বছর বয়সী কোচ ছাঁটাইয়ের। আলমেরিয়া সফরে না গেলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনা করে জাভির সমালোচনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন বার্সা প্রেসিডেন্ট। লাপোর্তা অবশ্য এখনো এ নিয়ে কিছু না বললেও কাতালান রেডিও স্টেশন আরএসি-১ জানিয়েছে, জাভিকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লাপোর্তা। স্প্যানিশ বেশ কয়েকটি পত্রিকাও খবরটি নিশ্চিত করেছে। এএস জানিয়েছে, বার্সেলোনা ইতিমধ্যে জাভির স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন সেটির সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছে।
মৌসুম দু-এক আগেও বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছিল বার্সা। যে কারণে তাদের ছেড়ে দিতে হয়েছে লিওনেল মেসি ও লুইস সুয়ারেসের মতন তারকাদেরও। খেলোয়াড় কিনতে চালু করতে হয়েছিল পঞ্চম ‘অর্থনৈতিক লিভারও। ২০২১ সালে কোচ হয়ে জাভি অনেক শর্ত দিয়ে কাতালোনিয়ায় ফেরেন। তাঁর অধীনে ২০২২-২৩ মৌসুমে লিগ জিতলেও এ মৌসুমে থাকতে শিরোপাশূন্য।

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিকভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা। তবে এবার আর থাই রক্ষণকে ফাঁকি দিতে
২৪ মিনিট আগে
শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
২ ঘণ্টা আগে
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এই এক গোলের লিড দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিগ ব্যাশে নিজের অভিষেক মৌসুমটা রিশাদ হোসেনের হয়েছে মনে রাখার মতোই। লেগস্পিন ঘূর্ণিতে ব্যাটারদের বোকা বানিয়েছেন বারবার। বাংলাদেশের তরুণ লেগস্পিনার পেয়ে গেলেন বর্ষসেরা পুরস্কার।
৩ ঘণ্টা আগে