
বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় মাঠে গড়ানোর কথা ছিল মেক্সিকো-ইকুয়েডর শেষ বত্রিশের ম্যাচ। আসতেকা স্টেডিয়ামে দর্শকেরা আসতেও শুরু করেছিলেন। কিন্তু বাদ সাধল আবহাওয়া।
বৈরি আবহাওয়ার কারণে আসতেকায় মেক্সিকো-ইকুয়েডর শেষ বত্রিশের ম্যাচ দেরিতে শুরু হয়েছে। স্টেডিয়ামের আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের কারণে সতর্কতাবশত কাউকে মাঠে নামতে দেওয়া হয়নি। ফিফা ভক্ত-সমর্থকদের কল্যাণের জন্য মাঠ থেকে চলে যেতে বলেছে। বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় খেলা শুরু হতে যে দেরি হবে, সেটা আসতেকা স্টেডিয়ামের জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে ওঠে।
ফিফার প্রটোকল অনুযায়ী স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় বজ্রপাত হলে অন্তত ৩০ মিনিট খেলা বন্ধ রাখতে হবে। সতর্কতাবশত তাই ফুটবলাররা ম্যাচ শুরুর আগে ওয়ার্ম-আপ করতে পারেননি। ম্যাচ শুরুর দুই-তিন ঘণ্টারও বেশি সময় আগে আসতেকার কাছাকাছি এলাকার আকাশ কালো করে আসে। অবশেষে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় শুরু হয়েছে মেক্সিকো-ইকুয়েডর শেষ বত্রিশের ম্যাচ।
মেক্সিকো পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ বত্রিশে উঠেছে। গ্রুপ-পর্বে এবারের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকেরা হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রকে। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত ৬ গোল দিলেও কোনো গোল তারা হজম করেনি।
ইকুয়েডরের শেষ বত্রিশে ওঠা এক রকম চমকই ছিল। আইভরি কোস্টের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করা ইকুয়েডর ড্র করে নবাগত কুরাসাওয়ের সঙ্গে। কুরাসাও গোলরক্ষক এলয় রুম ১৫ সেভ করেন। জার্মানির বিপক্ষেও ইকুয়েডর শুরুতে গোল হজম করে। সেখান থেকেই ইকুয়েডর লেখে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। ২-১ গোলে জিতে ‘ই’ গ্রুপের তৃতীয় দল হিসেবে শেষ বত্রিশের টিকিট কাটে লাতিন আমেরিকার দলটি।

দারুণ ছন্দে রয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের পর শেষ বত্রিশের ম্যাচ—এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচ খেলে কোনো ম্যাচই হারেনি সেলেসাওরা। তবে টুর্নামেন্টের মাঝপথে চিন্তা বাড়ল কার্লো আনচেলত্তির দলের।
৪০ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের চিরকালীন স্মৃতিগুলো সাধারণত এমন কিছু ম্যাচ দিয়েই তৈরি হয়, যা সময়ের আবর্তনে ফুটবল রূপকথায় রূপ নেয়। নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে সুইডেনের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩-০ গোলের জয়টি স্রেফ শেষ ষোলো নিশ্চিত করার ম্যাচ ছিল না, বরং তা ছিল ফরাসি ফুটবলের নিখাদ সৌন্দর্য। দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা মাঠের খেলায়...
৪ ঘণ্টা আগে
কাগজ-কলমে দুই দলের ব্যবধানটা আকাশ-পাতাল। এক পাশে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৪ নম্বরে থাকা তারকাখচিত ইংল্যান্ড, অন্য পাশে ৪৬ নম্বরে থাকা ডিআর কঙ্গো। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপের সেরা হয়েই শেষ বত্রিশে পা রেখেছে টমাস টুখেলের শিষ্যরা, আর কঙ্গো এসেছে ‘কে’ গ্রুপের তৃতীয় দল হিসেবে।
৭ ঘণ্টা আগে
শেষ ষোলোর কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে হালান্ড বলেন, ‘সামনে দারুণ সব দলের মুখোমুখি হতে হবে। লড়াইটা বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। তবে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি এবং এখনো আমাদের প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে।’
৭ ঘণ্টা আগে