
ফুটবল ইতিহাসে এমন মুহূর্ত বারবার আসে না। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি যখন আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন, তখন তাঁর পায়ের নিচে শুধু ঘাস নয়, থাকবে ইতিহাস ভাঙার সুযোগও। বয়স ৩৮ পেরিয়ে ৩৯-এর পথে, তবু থামার কোনো লক্ষণ নেই। বরং এই বিশ্বকাপেই তাঁর সামনে খুলে যেতে পারে একের পর এক রেকর্ডের নতুন দরজা।
এতদিন পাঁচটি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড মেসি ভাগ করে নিচ্ছিলেন লোথার ম্যাথাউস, জিয়ানলুইজি বুফন, রাফায়েল মার্কেস, আন্দ্রেস গুয়ার্দাদো, আন্তোনিও কার্বাহাল ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডার মাটিতে পা রাখলেই সেই সংখ্যা উঠবে ছয়ে। রোনালদোও এবার পর্তুগালের হয়ে খেলবেন বলে নিশ্চিত, তাই রেকর্ডটি ভাগ হবে দুজনের মধ্যে।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ড এরই মধ্যে কেবল মেসির। পাঁচ আসরে তিনি মাঠে নেমেছেন ২৬ বার। ম্যাথাউস থেমেছেন ২৫-এ, মিরোস্লাভ ক্লোসা ২৪ ও পাওলো মালদিনি খেলেছেন ২৩ ম্যাচ। এবারের বিশ্বকাপে নতুন ফরম্যাটে ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারলে আরও আটটি ম্যাচ যোগ হবে। সেটি হলে এই রেকর্ড এত দূরে চলে যাবে যে কয়েক দশকেও কেউ নাগাল পাবেন কি না, সেটা নিয়ে সংশয় থেকেই যাবে। মিনিটের হিসাবেও তিনি সবার উপরে — পাঁচ আসরে মাঠে ছিলেন ২ হাজার ৩০০ মিনিটেরও বেশি সময়।
গোলের পরিসংখ্যানে মেসি এখন দাঁড়িয়ে আছেন এক রোমাঞ্চকর সন্ধিক্ষণে। পাঁচ বিশ্বকাপ মিলিয়ে তাঁর গোল ১৩টি । ফ্রান্সের জুঁত ফন্তেইনের সঙ্গে যৌথভাবে আছেন চতুর্থ স্থানে। ঠিক সামনেই দাঁড়িয়ে তিন কিংবদন্তি — গার্ড মুলার (১৪), রোনালদো নাজারিও (১৫) এবং মিরোস্লাভ ক্লোসা (১৬) । টুর্নামেন্টটি যদি মেসির মনমতো যায়, তাহলে এই তিনজনের যেকোনো একজনকে, এমনকি সবাইকে ছাড়িয়ে যাওয়াটাও অসম্ভব নয়।
অ্যাসিস্টের হিসাবে রেকর্ডটি আরও হাতের কাছে। পাঁচ বিশ্বকাপে মেসির অ্যাসিস্ট ৮টি। মাত্র দুটি যোগ হলেই স্পর্শ করবেন পেলের ১০ অ্যাসিস্টের রেকর্ড।

ইউরোপের সেভিয়া ও নাপোলির সাবেক এই উইঙ্গার বলেন, ‘এটি প্রচণ্ড চাপের। সবকিছু নির্ভর করে স্কোয়াডের বর্তমান অবস্থা এবং কোচ কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন, তার ওপর। খেলোয়াড়েরা যে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, সেটা মাথায় রেখেও মাঠে নেমে শিরোপা ধরে রাখার জন্য নতুন করে লড়াই করার তাগিদ দিতে হবে কোচকে। ১৯৮২ সালে আমরা ভেবে
২ ঘণ্টা আগে
২০২৩ সালের পর থেকে বিদেশের মাটিতে কোনো টেস্ট জিততে পারেনি পাকিস্তান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসির বড় টুর্নামেন্টেও সাফল্য নেই। তবু আশা ছাড়েননি ‘চাচা ক্রিকেট’। তাঁর বহু বছরের চেনা স্লোগানেই যেন ফুটে ওঠে সেই বিশ্বাস, ‘খেলাধুলায় এমনটা হয়েই থাকে। কখনো খুশি, কখনো বেদনা। কখনো তুমি জিতবে, কখনো আমি।’
৪ ঘণ্টা আগে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রোমারিওর দল থেকে ছিটকে যাওয়া সমর্থকদের ভীষণ হতাশ করে তুলেছে। একই সঙ্গে দলের প্রধান চিকিৎসক লিডিও টোলেডোর ভুল রোগ নির্ণয়কেও কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল। কারণ, তিনিই শুরুতে আশ্বাস দিয়েছিলেন— রোমারিও বিশ্বকাপের আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন। ২৮ বছর পর নেইমারের চোটের ধরন যেন ব্রাজিল
৫ ঘণ্টা আগে
ফিলিপাইনকে অপরাজিত এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব পার করিয়ে সর্বোচ্চ ফিফা র্যাংকিংয়ে নিয়ে যাওয়া এবং সম্প্রতি গায়ানার হয়ে টানা চার ম্যাচ জেতার পর এখন তাঁর সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ — বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।ভক্তদের উদ্দেশে তাই ডুলির বার্তা, ‘চলুন একসঙ্গে ইতিহাস গড়ি।’
৭ ঘণ্টা আগে