
কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় আরও এক রেকর্ড নিজের করে নিলেন লিওনেল মেসি। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সবচেয়ে বেশি গোলে অবদান রাখার কীর্তিতে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে এবং ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পেকে।
মায়ামিতে শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে ম্যাচের ২৯ মিনিটে লিসান্দ্রো মার্তিনেসের পাস থেকে দুর্দান্ত এক গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মেসি। আর এই গোলের সূত্র ধরেই ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এককভাবে সর্বোচ্চ ১২টি গোলে সরাসরি অবদান (৬টি গোল ও ৬টি অ্যাসিস্ট) রাখার রেকর্ড গড়লেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। নকআউট পর্বে এর আগে পেলে ও এমবাপ্পে যৌথভাবে ১১টি করে গোলে অবদান ছিল।
নিজের ঐতিহাসিক ৩০তম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে নামা মেসির এই গোলটি যেমন কেপ ভার্দের জমাট রক্ষণ ভেঙে আলবিসেলেস্তেদের স্বস্তি এনে দিয়েছে, ঠিক তেমনি ডাগআউটে কোচ হিসেবে শততম ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করা লিওনেল স্কালোনির রাতটিকেও করল আরও বিশেষ।
বিশ্বকাপে এটি মেসির ২০তম গোল ও চলতি আসরে সপ্তম। পরপর দুটি বিশ্বকাপে ৭ গোল করা প্রথম ফুটবলারও মেসি।

এজন্যই তারা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক। বিশ্বচ্যাম্পিয়নদেরও কোনোভাবে ছাড় দিচ্ছে না। লিওনেল মেসির গোলে সহজেই শেষ ষোলোয় পা রাখার স্বপ্ন দেখা আর্জেন্টিনা অবশেষে ধাক্কা খেল। ৫৯ মিনিটে দেরোয় দুয়ার্তের গোলে ম্যাচে ১–১ সমতা ফিরিয়েছেে কেপ ভার্দে।
২৭ মিনিট আগে
তবে ম্যাচের ২৯ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। লিসান্দ্রো মার্তিনেসের বাড়ানো চমৎকার এক পাস দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নেন মেসি। এর পর গোলপোস্ট থেকে মাত্র সাত গজ দূর থেকে চোখের পলকে নেওয়া এক জোরাল শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। এই গোলের মাধ্যমে ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এককভাবে সর্বোচ্চ ১২টি
১ ঘণ্টা আগে
লিওনেল মেসির চমৎকার গোলে কেপ ভার্দের বিপক্ষে এগিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের (রাউন্ড অব ৩২) হাইভোল্টেজ ম্যাচে প্রথমার্ধের লড়াইয়ে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে আলবিসেলেস্তেরা।
১ ঘণ্টা আগে
সব বিদায়ের শব্দ এক নয়। কেউ বিদায় নেয় করতালির মধ্যে, কেউ ট্রফি হাতে। আবার কিছু বিদায় আসে নীরবে চোখের কোণে জমে থাকা জল, দীর্ঘশ্বাস আর অপূর্ণতার ভার নিয়ে। লুকা মদরিচের বিশ্বকাপ অধ্যায় শেষ হওয়ার মুহূর্তটি ছিল ঠিক তেমনই।
২ ঘণ্টা আগে