কথাটা ভুল বলেননি বার্সেলোনার কোচ জাভি হার্নান্দেজ। গতকাল সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে দুর্দান্ত এক প্রত্যাবর্তনের গল্পই লিখেছে তাঁর দল। ম্যাচ শেষ হওয়ার ৯ মিনিট বাকি ছিল। তখন ২–০ গোলে ঘরের মাঠেই পিছিয়ে ছিল বার্সা।
সঙ্গে অতীতের পরিসংখ্যানও বার্সেলোনার পক্ষে ছিল না। ২০০০ সাল থেকে শুরু করে কাতালান ক্লাবের বিপক্ষে এগিয়ে যাওয়া ১৫ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটিতে হেরেছে সেলতা ভিগো। সবকিছু বিপক্ষে থাকলেও গতকাল রোমাঞ্চকর এক ম্যাচ জিতেছে বার্সা। শেষ ৮ মিনিটে ৩ গোল দিয়ে ২–৩ ব্যবধানে জিতেছে লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
এমন দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সাম্প্রতিক সময়ে বার্সেলোনার খেলায় দেখা যায়নি। এ জন্যই রোমাঞ্চকর জয়কে ‘মহাকাব্যিক’ বলে সম্বোধন করেছেন জাভি। বার্সেলোনার কোচ বলেছেন, ‘আমরা ভালো খেলিনি, কিন্তু মহাকাব্যিক জয় পেয়েছি, বিজয়ী মানসিকতা দেখিয়েছি। ঐতিহাসিকভাবে আমাদের এমন কিছুর অভাব ছিল... এটি আমাদের প্রজন্মগত পরিবর্তন দেখিয়েছে। ঘরের মাঠে ২–০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও ছেলেরা হাল ছাড়েনি।’
সেল্তা ভিগো বিপক্ষে সর্বশেষ পিছিয়ে পড়েও ২০০৬ সালে বার্সার জয় পাওয়া ম্যাচটিও ছিল গতকালের ব্যবধানের ৩–২। তবে সেদিন প্রথমে পিছিয়ে পড়েও ৫৫ মিনিটের মধ্যে ১–১ করেছিল। কিন্তু গতকাল ২–০ গোলে ৮১ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল। সেখান থেকে এমন ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় অবিশ্বাস্য।
অতিথিদের ১৯ মিনিটে এগিয়ে দেন জর্গেন লারসেন। এরপর আর কোনো গোল না হলে বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতি শেষে ঘরের মাঠে গোল শোধ দেওয়ার বিপরীতে আরও এক গোল হজম করে বার্সেলোনা। ৭৬ মিনিটে সেল্তা ভিগোর হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন তাসোস ডভিকাস। ২–০ গোলে পিছিয়ে পরে এবার অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বার্সা।
৮১ মিনিটে জোয়াও ফিলিক্সের সহায়তায় দলের ব্যবধান কমান রবার্ট লেভানডোফস্কি। চার মিনিট পর দলকে সমতায় ফেরান তিনি। এবার অ্যাসিস্ট করেছেন জোয়াও কানসেলো। আর ৮৯ মিনিটে গোল করে দলকে উৎসবের মুহূর্ত এনে দেন পর্তুগালের ডিফেন্ডার কানসেলো। বাঁ দিক থেকে সহায়তাকারী গাভির ক্রসটি ছিল দুর্দান্ত।

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিকভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা। তবে এবার আর থাই রক্ষণকে ফাঁকি দিতে
২৫ মিনিট আগে
শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
২ ঘণ্টা আগে
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এই এক গোলের লিড দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিগ ব্যাশে নিজের অভিষেক মৌসুমটা রিশাদ হোসেনের হয়েছে মনে রাখার মতোই। লেগস্পিন ঘূর্ণিতে ব্যাটারদের বোকা বানিয়েছেন বারবার। বাংলাদেশের তরুণ লেগস্পিনার পেয়ে গেলেন বর্ষসেরা পুরস্কার।
৩ ঘণ্টা আগে