
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে পেলে ছবি অঙ্কিত এক ব্যানার নিয়ে এলেন নেইমার। কারও বুঝতে বাকি রইল না ফুটবল রাজার সুস্থতা প্রার্থনা করছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। কেবল কি নেইমার, ফুটবল বিশ্বের সবারই এখন চাওয়া ৮২ বছর বয়সী পেলে যেন সুস্থ হয়ে উঠেন।
গত বৃহস্পতিবার থেকে হাসপাতালে ভর্তি তিনবারের বিশ্বকাপজয়ী তারকা পাঞ্জা লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে পাওয়া জয়টাও তিতের শিষ্যরা উৎসর্গ করলেন পেলেকে। ম্যাচ শেষে পেলের ব্যানার নিয়ে দাঁড়ালেন তিতের সব শিষ্য। সেই ব্যানারে লেখা ‘পেলে’। পাশে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির আইকনিক গোল উদযাপনের ছবি। ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে থেকে মুহূর্তটির ছবি শেয়ার করা ক্যাপশনে লেখা, ‘আমরা তোমার পাশে রাজা! আমরা চিরদিন তোমার পাশে আছি।’
অন্তত পেলের জন্য হলেও এই ম্যাচ জিততে চেয়েছিলেন নেইমার-থিয়াগো সিলভারা। আর পেলেনও দুর্দান্ত এক জয়। দ. কোরিয়াকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে তাঁরা। প্রথমার্ধেই চারবার সাম্বা নৃত্যে মাতেন তিতের শিষ্যরা। ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালও নিশ্চিত করল হেসে খেলে। প্রথমার্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার জালে গোল উৎসবে মেতে ওঠা সেলেসাওরা জিতেছে ৪-১ গোলে। তাতে ৬৮ বছর আগের এক স্মৃতিও ফেরাল তিতের দল। ১৯৫৪ বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম বিরতিতে যাওয়ার আগে ৪ গোলের দেখা পেল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আর দ্বিতীয় রাউন্ডে পাওয়া এই জয়টা নেইমাররা উৎসর্গ করলেন পেলেকে।
৯৭৪ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। সপ্তম মিনিটে রাইট উইং ধরে এগিয়ে ডি-বক্সের ভেতর বল ঠেলে দেন রাফিনহা। নেইমার বল পায়ে না লাগাতে ব্যর্থ হলেও জাল খুঁজে নেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। পাঁচ ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে দারুণভাবে বল গোলপোস্টে ঠেলে দেন তিনি।
এর তিন মিনিট পরে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। বক্সের ভেতর রিচার্লিসন ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। দুই মিনিট পর স্পট-কিক থেকে গোলরক্ষক কিম সেউং-গিয়ুকে বোকা বানিয়ে সতীর্থদের সঙ্গে সাম্বা নৃত্যে গোল উদযাপনে মেতে ওঠেন চোট কাটিয়ে দুই ম্যাচ পর মাঠে ফেরা নেইমার।
শুরুতে দুই গোল হজমের পর আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরা দ. কোরিয়া ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করে। দারুণ এক আক্রমণ চালিয়ে সেলেসাওদের মনে ভয়ও ধরিয়ে দিয়েছিল তারা। ২৫ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে নেওয়া কোরিয়ার এক দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন। ২৯ মিনিটে চোখ ধাঁধানো গোলে ব্রাজিলের ব্যবধান বাড়ান রিচার্লিসন।
বক্সের ভেতর ওয়ান-টু খেলে দুর্দান্ত গতিতে বক্সে ঢুকে পড়ে বাম পায়ে বল জালে পাঠান তিনি। এ নিয়ে আসরে নিজের তৃতীয় গোল পেলেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।
দুই মিনিট পর হাওয়াং হি-চানের শট ঠেকিয়ে দেন অ্যালিসন। ব্রাজিল চতুর্থ গোলের দেখা পায় ৩৬ মিনিটে। দুর্দান্ত গতিতে ঢুকে পড়ে ভিনিকে বল এগিয়ে দেন নেইমার। তাঁর ভাসিয়ে দেওয়া বল মাটিতে পড়ার আগে শট নেন লুকাস পাকেতা। প্রথমার্ধের যোগ করা তৃতীয় মিনিটে কোরিয়ান গোলরক্ষক বাধা হয়ে না দাঁড়ালে নিজের দ্বিতীয় গোল পেতে পারতেন রিচার্লিসন। তবে বিরতির পর আর কোনো গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সন হিয়ুং-মিনের শট অ্যালিসনের গায়ে লেগে গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে না গেলে জালের দেখা পেত কোরিয়া। ৫৫ মিনিটে রাফিনহার শট ঠেকিয়ে নিশ্চিত গোল থেকে বাঁচান গিয়ু। ৬২ মিনিটেও ফের তাঁকে গোল বঞ্চিত করেন কোরিয়ান গোলরক্ষক। ৬৭ মিনিটে ফের অ্যালিসনের নৈপুণ্যে বাঁচে ব্রাজিল। দ. কোরিয়া অবশেষে গেঅরের দেখা পায় ৭৬ মিনিটে। ফ্রি-কিক থেকে ফিরতি বলে দূরপাল্লার শটে জাল খুঁজে নেন পাইক সিউং-হো। এশিয়ার দলটির সান্ত্বনা বলতে ওই একটি গোল।

রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে পেলে ছবি অঙ্কিত এক ব্যানার নিয়ে এলেন নেইমার। কারও বুঝতে বাকি রইল না ফুটবল রাজার সুস্থতা প্রার্থনা করছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। কেবল কি নেইমার, ফুটবল বিশ্বের সবারই এখন চাওয়া ৮২ বছর বয়সী পেলে যেন সুস্থ হয়ে উঠেন।
গত বৃহস্পতিবার থেকে হাসপাতালে ভর্তি তিনবারের বিশ্বকাপজয়ী তারকা পাঞ্জা লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে পাওয়া জয়টাও তিতের শিষ্যরা উৎসর্গ করলেন পেলেকে। ম্যাচ শেষে পেলের ব্যানার নিয়ে দাঁড়ালেন তিতের সব শিষ্য। সেই ব্যানারে লেখা ‘পেলে’। পাশে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির আইকনিক গোল উদযাপনের ছবি। ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে থেকে মুহূর্তটির ছবি শেয়ার করা ক্যাপশনে লেখা, ‘আমরা তোমার পাশে রাজা! আমরা চিরদিন তোমার পাশে আছি।’
অন্তত পেলের জন্য হলেও এই ম্যাচ জিততে চেয়েছিলেন নেইমার-থিয়াগো সিলভারা। আর পেলেনও দুর্দান্ত এক জয়। দ. কোরিয়াকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে তাঁরা। প্রথমার্ধেই চারবার সাম্বা নৃত্যে মাতেন তিতের শিষ্যরা। ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালও নিশ্চিত করল হেসে খেলে। প্রথমার্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার জালে গোল উৎসবে মেতে ওঠা সেলেসাওরা জিতেছে ৪-১ গোলে। তাতে ৬৮ বছর আগের এক স্মৃতিও ফেরাল তিতের দল। ১৯৫৪ বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম বিরতিতে যাওয়ার আগে ৪ গোলের দেখা পেল পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আর দ্বিতীয় রাউন্ডে পাওয়া এই জয়টা নেইমাররা উৎসর্গ করলেন পেলেকে।
৯৭৪ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। সপ্তম মিনিটে রাইট উইং ধরে এগিয়ে ডি-বক্সের ভেতর বল ঠেলে দেন রাফিনহা। নেইমার বল পায়ে না লাগাতে ব্যর্থ হলেও জাল খুঁজে নেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। পাঁচ ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে দারুণভাবে বল গোলপোস্টে ঠেলে দেন তিনি।
এর তিন মিনিট পরে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। বক্সের ভেতর রিচার্লিসন ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। দুই মিনিট পর স্পট-কিক থেকে গোলরক্ষক কিম সেউং-গিয়ুকে বোকা বানিয়ে সতীর্থদের সঙ্গে সাম্বা নৃত্যে গোল উদযাপনে মেতে ওঠেন চোট কাটিয়ে দুই ম্যাচ পর মাঠে ফেরা নেইমার।
শুরুতে দুই গোল হজমের পর আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরা দ. কোরিয়া ঘুরে দাঁড়াতে চেষ্টা করে। দারুণ এক আক্রমণ চালিয়ে সেলেসাওদের মনে ভয়ও ধরিয়ে দিয়েছিল তারা। ২৫ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে নেওয়া কোরিয়ার এক দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন। ২৯ মিনিটে চোখ ধাঁধানো গোলে ব্রাজিলের ব্যবধান বাড়ান রিচার্লিসন।
বক্সের ভেতর ওয়ান-টু খেলে দুর্দান্ত গতিতে বক্সে ঢুকে পড়ে বাম পায়ে বল জালে পাঠান তিনি। এ নিয়ে আসরে নিজের তৃতীয় গোল পেলেন ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।
দুই মিনিট পর হাওয়াং হি-চানের শট ঠেকিয়ে দেন অ্যালিসন। ব্রাজিল চতুর্থ গোলের দেখা পায় ৩৬ মিনিটে। দুর্দান্ত গতিতে ঢুকে পড়ে ভিনিকে বল এগিয়ে দেন নেইমার। তাঁর ভাসিয়ে দেওয়া বল মাটিতে পড়ার আগে শট নেন লুকাস পাকেতা। প্রথমার্ধের যোগ করা তৃতীয় মিনিটে কোরিয়ান গোলরক্ষক বাধা হয়ে না দাঁড়ালে নিজের দ্বিতীয় গোল পেতে পারতেন রিচার্লিসন। তবে বিরতির পর আর কোনো গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সন হিয়ুং-মিনের শট অ্যালিসনের গায়ে লেগে গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে চলে না গেলে জালের দেখা পেত কোরিয়া। ৫৫ মিনিটে রাফিনহার শট ঠেকিয়ে নিশ্চিত গোল থেকে বাঁচান গিয়ু। ৬২ মিনিটেও ফের তাঁকে গোল বঞ্চিত করেন কোরিয়ান গোলরক্ষক। ৬৭ মিনিটে ফের অ্যালিসনের নৈপুণ্যে বাঁচে ব্রাজিল। দ. কোরিয়া অবশেষে গেঅরের দেখা পায় ৭৬ মিনিটে। ফ্রি-কিক থেকে ফিরতি বলে দূরপাল্লার শটে জাল খুঁজে নেন পাইক সিউং-হো। এশিয়ার দলটির সান্ত্বনা বলতে ওই একটি গোল।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
৩১ মিনিট আগে
ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দিনের প্রথম ম্যাচের মতো আজ বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচও মাঠে গড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটানসের ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও টসের সময় (সাড়ে ৫টা) ইতোমধ্যেই পেরিয়েছে। দুই দলের কেউই এখনো মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছায়নি।
২ ঘণ্টা আগে
এম নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) থাকলে মাঠে ফিরবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্রিকেটাররা। বনানীর শেরাটন হোটেলে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মিঠুন সংবাদ সম্মেলন শেষে এমনটা জানানোর অল্প কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে অব্যহতি দিয়েছে বিসিবি। তবে তাঁকে পরিচালক পদ থেকে সরানোর সুযো
৩ ঘণ্টা আগে