ঢাকা: ইউরোতে ১৪ জুন সুইডেনের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে স্পেন। মাঠে নামার আগে হাতে আছে দুই দিন। এ সময়েই খেলোয়াড়দের করোনা টিকা নিতে চাপ দিচ্ছিল স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। টিকা নিলে খেলোয়াড়দের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যাওয়ার আশঙ্কায় গড়িমসি করছিলেন স্পেন কোচ লুইসি এনরিকে। পরে অবশ্য টিকা নিয়েছে স্পেন দল।
বুধবার রাতের মধ্যেই স্পেন দলের ফুটবলারদের টিকা নেওয়ার কথা বলেছিলেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্যারোলিনা দারিয়াস। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্পেনের অলিম্পিক দলও সেদিন টিকা নিয়েছিল। তবে বুধবার পেরিয়ে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত খেলোয়াড়েরা টিকা নেননি। টিকা না নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে সংবাদমাধ্যমকে এনরিকে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।
স্পেন কোচ এনরিকে সেদিন বলেছিলেন, ‘ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট লুইস রুবিয়ালাস বলেছিলেন, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ইউরো শুরুর দুই মাস আগে টিকা দেওয়া হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটা হয়নি। আমরা মেনে নিয়েছিলাম। কেউ অভিযোগ তোলেনি। হঠাৎ করেই এখন টিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে টিকা যে নেবই তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যদি রুবিয়ালাস ও চিকিৎসকেরা বলেন যে আমাদের টিকা নিতেই হবে তাহলে আমরা সবাই রাজি।’
টিকা নিলে পরের দুই-তিন দিন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এনরিকের ভয়, এখন টিকা নিলে সুইডেনের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তার প্রভাব দেখা যেতে পারে। বিপদ অবশ্য এতেই শেষ নয়। স্পেন যদি কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছায় তখন চলে আসবে দ্বিতীয় ডোজের তারিখ। টিকা নেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে কিনা সে বিষয়ে শতভাগ নিশ্চিত হতে চান এনরিকে। স্পেন কোচ বলেছেন, ‘আমাদের নিশ্চিত হতে হবে যে টিকা নিলে কোনো সমস্যা হবে কিনা। যদি টিকা নিতেই হয় তবে খুব দ্রুত। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসহ নানা জটিলতা আছে। যদি কোনো খেলোয়াড় টিকা নেওয়ার পর অসুস্থতা বোধ করে, সেটা হবে দুঃখজনক।’
এনরিকের অনুরোধে দ্রুতই সাড়া দিয়েছে রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন। আজ সকালে ফুটবলারদের টিকা দিয়েছেন স্প্যানিশ সেনাবাহিনীর চিকিৎসকেরা।

নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। গতকাল মালদ্বীপের মালে স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালে ১-০ ব্যবধানে মাঠ ছাড়ে জয় নিয়ে বাংলাদেশের যুবারা। মোহাম্মদ মানিকের দুর্দান্ত এক হেডে জয়সূচক গোলের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।
১ ঘণ্টা আগে

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিগ্ভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা।
৩ ঘণ্টা আগে
শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
৪ ঘণ্টা আগে