
ইউরোপা লিগের ফাইনালের মতো বড় মঞ্চে খেলোয়াড়েরা সাধারণত চোট নিয়ে খেলার কথাই চিন্তাই করেন না। তবে অ্যাস্টন ভিলার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ খেলেছেন ভাঙা আঙুল নিয়েই। ম্যাচের আগে ওয়ার্ম-আপে চোট পেলেও শেষ পর্যন্ত দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলকে এনে দিয়েছেন ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম বড় শিরোপা।
বুধবার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ইউরোপা লিগের ফাইনালে জার্মান ক্লাব ফ্রাইবুর্গকে ৩-০ গোলে হারায় অ্যাস্টন ভিলা। এর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের পর প্রথমবারের মতো কোনো শিরোপা জিতল ভিলা পার্কের দলটি। পুরো ম্যাচে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভের পাশাপাশি ক্লিন শিট রেখে জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক মার্তিনেজ।
ম্যাচ শেষে ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে চোটের বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন মার্তিনেজ। তিনি বলেন, ‘আজ রাতে আমরা যা অর্জন করেছি, সেটা দারুণ। ম্যাচের পর ম্যাচ আমি নিজেকে আরও উন্নত হতে দেখছি এবং সেটা আমাকে গর্বিত করে।’
চোট প্রসঙ্গে মার্তিনেজ বলেন, ‘ওয়ার্ম-আপের সময় আমার আঙুল ভেঙে যায়। কিন্তু আমি এটাকে খারাপ কিছু হিসেবে দেখিনি। আগে কখনও আঙুল ভাঙেনি। বল ধরতে গেলেই আঙুলটা অন্য দিকে বেঁকে যাচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিকেও ফুটবলের অংশ হিসেবেই দেখছেন তিনি। মার্তিনেজের ভাষায়, ‘এরপরও আমাদের এসবের মধ্য দিয়েই যেতে হয়।’
ওয়ার্ম-আপ চলাকালে কিছু সময়ের জন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছিল মার্তিনেজকে। পরে অ্যাস্টন ভিলার মেডিকেল স্টাফ তার আঙুলে ব্যান্ডেজ করে দেন এবং তিনি আবার মাঠে ফিরে ম্যাচ শুরু করেন। ফাইনালে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় অ্যাস্টন ভিলা। ইউরি তিলেমান্স, এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া ও মর্গান রজার্সের গোলে এক ঘণ্টার মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংলিশ ক্লাবটি। গোলপোস্টের নিচে মার্তিনেজ থাকায় ম্যাচে ফেরার কোনো সুযোগই পায়নি ফ্রাইবুর্গ।
ক্লাব ও সমর্থকদের প্রতি নিজের আবেগের কথাও জানিয়েছেন মার্তিনেজ। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, এই ক্লাব আর সমর্থকেরা আমার পরিবারের মতো। অ্যাস্টন ভিলার গোলপোস্ট রক্ষা করতে যখনই মাঠে নামি, তখন ভীষণ গর্ব অনুভব করি। আজ আমি আমার সব অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি। অনুশীলনের পেছনে যে পরিশ্রম থাকে, আজ সেটারই ফল মিলেছে।’
ম্যাচ শেষে চোট নিয়ে হাস্যরসও করেন মার্তিনেজ। এখন তাঁর সবটুকু মনোযোগ বিশ্বকাপ ঘিরে। মার্তিনেজ বলেন, ‘আমি ভীষণ আনন্দিত। এখন সতীর্থদের সঙ্গে উদ্যাপনের সময়। এই দল অনেক দিন ধরেই এমন আনন্দ করার সুযোগ পায়নি। এরপর আমার পুরো মনোযোগ থাকবে বিশ্বকাপের দিকে।’

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির দীর্ঘ পথচলা শেষ হয়েছে। বিদায়ের সেই বিশেষ রাতে স্বামীর পাশে ছিলেন আন্তোনেলা রোকুজ্জো। পরদিন সামাজিক মাধ্যমে তারকা ফুটবলারকে নিয়ে আবেগঘন একটি বার্তা দিয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ ম্যাচ খেলার পর হৃদয়ছোঁয়া বার্তা দিয়েছেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিদায়ী ম্যাচ শেষে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে সমর্থকদের অভিবাদন জানানোর পর সামাজিক মাধ্যমেও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
১ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচের পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। দীর্ঘদিনের এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ের অসংখ্য অধ্যায়ের পর এবার এলএমটেনের বিদায়ে রোনালদোর কণ্ঠে শোনা গেল অকুণ্ঠ প্রশংসা।
২ ঘণ্টা আগে
শেষবার যখন মনুমেন্তালের ঘাস ছুঁয়ে ধীরে ধীরে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন লিওনেল মেসি, মনে হচ্ছিল আর্জেন্টিনার দুই দশকের এক সোনালি বিকেল মাঠ ছেড়ে যাচ্ছে। গ্যালারি তখনো তাঁর নামে কাঁপছে, চোখে পানি নিয়ে তিনি হাত নেড়ে বিদায় জানাচ্ছেন, আর ১০ নম্বর জার্সির আকাশি-সাদা রংটি যেন সেই মুহূর্তে আরও গাঢ় হয়ে উঠেছে।
১১ ঘণ্টা আগে