নতুন মৌসুমে দুর্দান্ত খেলছে বার্সেলোনা। লা লিগা, চ্যাম্পিয়নস লিগে দেখা যাচ্ছে কাতালানদের দাপট। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল ‘চতুর্থ সারির দল’ বারবাস্ত্রোর বিপক্ষেও জয় পেয়েছে বার্সা। জয় পেলেও বার্সা কোচ জাভি হার্নান্দেজ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
বারবাস্ত্রোর বিপক্ষে বার্সার ম্যাচটি ছিল এস্তাদিও মিউনিসিপালে কোপা দেল রের ‘রাউন্ড অব ৩২ ’-এর ম্যাচ। এই ম্যাচে বারবোস্ত্রোকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। বল দখল ও প্রতিপক্ষের লক্ষ্য বরাবর শট—দুটিতেই বার্সা ছিল ঢের এগিয়ে। ৭৩ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের লক্ষ্য বরাবর ১১টি শট করেছিল জাভির দল। অন্যদিকে বারবাস্ত্রো বল দখলে রেখেছিল ২৭ শতাংশ ও ৩টি শট করেছিল প্রতিপক্ষের লক্ষ্য বরাবর। ১৮ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোল করে বার্সা। গোলটি করেন ফারমিন লোপেজ। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা বার্সা।
দ্বিতীয়ার্ধেই ম্যাচে বেশি প্রতিযোগিতা চলে। ৫১ মিনিটে হেক্টর ফোর্টের অ্যাসিস্টে লক্ষ্যভেদ করেন রাফিনহা। ম্যাচে ব্যবধান কমাতে খুব একটা সময় নেয়নি বারবাস্ত্রো। ৬০ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বল রিসিভ করে গোল করেন আদ্রিয়া দি মেসা গারিদো। তখন স্কোরলাইন হয়েছে বার্সেলোনা ২: বারবাস্ত্রো ১। এখান থেকেই মূলত ম্যাচ জটিল হতে থাকে বলে মনে করেন জাভি। ম্যাচ শেষে জাভি বলেন, ‘আমরা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি ভুগেছি। এটা আমাদের ভুলের কারণেই হয়েছে। ম্যাচ আরও জটিল হয়ে পড়ে যখন আমরা তাদের কর্নার করার সুযোগ দিয়েছি। তাতে ১-২ হয়ে যায়। এরপরই তারা ম্যাচে ফেরে।’
বারবাস্ত্রো ব্যবধান কমানোর পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচ আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে। ৮৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন রবার্ট লেভানডভস্কি। মনে হচ্ছিল বার্সা এখানেই জয়ের গোল পেয়ে গেছে। তবে অতিরিক্ত সময়ের ৩ মিনিটে মার্ক প্রাত সেরানোর গোলে ব্যবধান কমায় বারবোস্ত্রো। জাভি বলেন, ‘আমার মনে হয় ১-২ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা ম্যাচে ছিলাম। পেনাল্টির পর আমরা আরও ঝামেলায় পড়লাম। তারা অনেক সুযোগ পেয়েছে, যা হওয়া উচিত ছিল না।’

গোল হজম করে থাইল্যান্ড যখন কিছুটা দিকভ্রান্ত, বাংলাদেশ তখন সেই সুযোগে নিজেদের গুছিয়ে নিতে মনোযোগ দেয়। প্রতিপক্ষের আক্রমণের তীব্রতা কমে আসায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা সহজ হয় লাল-সবুজদের জন্য। বিরতির ঠিক আগে সাগরিকার উদ্দেশ্যে আবারও একটি লং পাস বাড়িয়েছিলেন সতীর্থরা। তবে এবার আর থাই রক্ষণকে ফাঁকি দিতে
২৫ মিনিট আগে
শেষ দিকে নেপাল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ৯০ মিনিটে দূরপাল্লার এক শট মাটিতে পড়ে গিয়ে ঠেকান মোহাম্মদ ইউসুফ। বাংলাদেশেরও ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ আসে। যোগ করা সময়ে বদলি নামা ডেক্লান সুলিভানের পাসে গোলের সুযোগ নষ্ট করেন সুমন সোরেণ ও তাঁর ভাই রোনান সুলিভান। শ
২ ঘণ্টা আগে
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে এই এক গোলের লিড দ্বিতীয়ার্ধে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিগ ব্যাশে নিজের অভিষেক মৌসুমটা রিশাদ হোসেনের হয়েছে মনে রাখার মতোই। লেগস্পিন ঘূর্ণিতে ব্যাটারদের বোকা বানিয়েছেন বারবার। বাংলাদেশের তরুণ লেগস্পিনার পেয়ে গেলেন বর্ষসেরা পুরস্কার।
৩ ঘণ্টা আগে