
শনিবার রাতটাই কি তবে লা লিগার শিরোপা নির্ধারণী রাত হয়ে থাকল! এমন প্রশ্ন এখন করতেই পারে ভক্তরা। রাতটা দুই রকমের পার করেছে বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদ। লস ব্লাঙ্কোসদের হারের পর জয় তুলে নিয়েছে বার্সা। শিরোপা জয়ের দৌঁড়ে আরও একধাপ এগিয়ে গেল কাতালানরা।
মায়োর্কার কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছে রিয়াল। রেকর্ড শিরোপাজয়ীদের হার দেখে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে নেমে শুরুতে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতেছে বার্সা। ৮ রাউন্ড হাতে রেখে এখনই শিরোপাজয়ী হিসেবে তাদের নাম উচ্চারণ করার সুযোগ নেই। তবে বাস্তবতা বলছে—এই পরিস্থিতিতে থেকে শিরোপা জেতা বেশ কঠিনই হবে রিয়ালের। খুব বড় কোনো ভুল না করলে বার্সা টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলবে বার্সা। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের দুর্দশার দিকে না তাকিয়ে নিজেদের নিয়েই ভাবতে চান দলটির প্রধান কোচ হান্সি ফ্লিক। বাকি ম্যাচগুলোতে সেরাটা দিতে শিষ্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৩০ ম্যাচ শেষে টেবিলের শীর্ষে থাকা বার্সার সংগ্রহ ৭৬ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে রিয়ালের নামের পাশে শোভা পাচ্ছে ৬৯ পয়েন্ট। এক পয়েন্ট কম নিয়ে তিনে আছে ভিয়ারিয়াল। ৫৭ পয়েন্ট পাওয়া আতলেতিকোর অবস্থানে চারে।
আতলেতিকোর বিপক্ষে জয়ের পর ফ্লিক বলেন, ‘এই ম্যাচে আমাদের জন্য আবেগ অনেক বেশি ছিল। আমাদের জন্য কাজটা সহজ ছিল না। তবে তিন পয়েন্ট পেয়ে আমি খুব খুশি। আমরা কখনো অন্য দলের দিকে তাকাই না। আমাদের নিজের কাজটা করতে হয়, আমরা সেটাই করেছি—এটা ভালো ব্যাপার। কিছু কিছু জায়গায় আমরা আরও ভালো করতে পারি। ম্যাচের শেষদিকে আরাহো বাইরে ছিল, বার্নি (মার্ক বার্নাল)-এর গোড়ালিতে সমস্যা হয়েছে—আশা করি সেটা গুরুতর কিছু নয়।’
শিরোপা জয়ের জন্য জেতার বিকল্প দেখছেন না ফ্লিক, ‘শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে করতে হবে। ম্যাচ জেতার এই ক্ষুধা আমাদের দরকার, কারণ প্রতিটি ম্যাচই আলাদা এবং সহজ নয়। তবে আমরা যখন মনোযোগী থাকি, তখন আমাদের দলে যে মানের খেলোয়াড় আছে, সেটাই পার্থক্য গড়ে দেয়—আমি সেটাই দেখতে চাই।’

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
২ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৪ ঘণ্টা আগে