
তাসমানিয়ার ডেভনপোর্টে গতকাল মর্মান্তিকভাবে প্রাণহানি ঘটেছে পাঁচ শিশুর। তাদের আত্মার শান্তি কামনায় এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে অ্যাডিলেড টেস্টের দ্বিতীয় দিনে হাতে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নেমেছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা।
তাসমানিয়ায় বাতাসে উড়ে যাওয়া বাউন্সি ক্যাসল থেকে পড়ে মারা গেছে এই পাঁচ শিশু। বাউন্সি ক্যাসল মূলত শিশুদের খেলার বেলুন দিয়ে তৈরি একধরনের ঘর। এই মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে, যা ছুঁয়ে গেছে ক্রিকেটারদেরও। শুধু অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা নন, ফিল্ড আম্পায়াররাও কালো আর্মব্যান্ড পরেছেন।
ঘটনার পর তাসমানিয়ার পুলিশ ড্যারেন হেইন এক বিবৃতি দিয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণ বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন, ‘দমকা হাওয়ার কারণে জাম্পিং ক্যাসেল ও স্ফীত বলগুলো বাতাসে তোলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।’ প্রায় ১০ মিটার উঁচু থেকে পড়ে প্রাণ হারায় পাঁচ শিশু। শিশুগুলোর প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে হেইন বলেছেন, ‘অকালে ঝরে যাওয়া এই পাঁচ শিশুর পরিবার, স্কুলের সহপাঠী আর শিক্ষকদের জন্য আমাদের হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে।’
দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ শিশু ছাড়াও আহত হয়েছে বেশ কয়েকটি শিশু। হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা চলছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এ ঘটনাকে অকল্পনীয় ও হৃদয়বিদারক বলে আখ্যা দিয়েছেন।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে