নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগের তুলনায় বাংলাদেশ দলের বর্তমান পেস বোলিং বিভাগটা এখন বেশ সমীহ জাগানিয়া; বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে। মোস্তাফিজুর রহমান, আবু জায়েদ, তাসকিন আহমেদের মতো অভিজ্ঞদের সঙ্গে শরিফুল ইসলাম, সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেনদের মতো তরুণ পেসাররা বড় আশাই দিচ্ছেন পেস আক্রমণে।
গত দেড় বছরে বাংলাদেশ পেস বোলিং বিভাগটা বেশ গুছিয়ে এনেছেন যিনি, ওটিস গিবসন। গিবসনের আগেও একজন ক্যারিবীয় কাজ করেছেন বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে—কোর্টনি ওয়ালশ। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৯ সালের জুলাই—তিন বছর বাংলাদেশ দলে কাজ করলেও এই ক্যারিবীয়র কাছ থেকে প্রাপ্তি কী, এ নিয়ে প্রশ্ন আছে দেশের ক্রিকেটের। গিবসনের ক্ষেত্রে অন্তত এ প্রশ্নটা এখনো শোনা যায়নি; বরং তাঁর অধীনে নতুন স্বপ্নই দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের পেসাররা।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে গিবসনের আগমন ২০১৯ বঙ্গবন্ধু বিপিএল দিয়ে। সেবার কুমিল্লা ওয়ারিয়ার্সের কোচ হিসেবে কাজ করা গিবসন গত বছরের জানুয়ারিতে বিসিবির সঙ্গে যুক্ত হন দুই বছরের চুক্তিতে। গত দেড় বছরে তাঁর অধীনে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং বিভাগের বদলে যাওয়ার চিত্র বেশ স্পষ্ট। এ বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে ভালো করেছেন পেসাররা; বিশেষ করে গত কয়েক মাসে তাসকিন আহমেদের ফেরাটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। দলে এসেছেন শরিফুল–হাসানের মতো প্রতিভাবান পেসাররা। গিবসন পেস বোলিং কোচ হওয়ার পর বাংলাদেশের পেসাররা তিন সংস্করণে ১০৫ ম্যাচে নিয়েছেন ১৩৭ উইকেট। তাঁরা ভালো করছেন এই জিম্বাবুয়ে সফরেও। সফরে পেসাররা এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৩৩ উইকেট। সেখানে স্পিনাররা পেয়েছেন ২৮ উইকেট। মাঠের সাফল্য পেতে ফিটনেস নিয়ে পেসারদের সচেতনতা ও চেষ্টাও বেড়েছে চোখে পড়ার মতোই।
বাংলাদেশের পেসাররা নিয়মিত ম্যাচ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন না, এই ‘বদনাম’ ঘোচানোর প্রচেষ্টায় আছেন গিবসন। ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের বার্বাডিয়ান পেস বোলিং কোচ বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের ফাস্ট বোলাররা এখন দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব রাখতে শুরু করেছে। আমার আশা, একদিন পেসাররা বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাবে। আমার লক্ষ্য, পেসারদের নিয়ে এমন একটা গ্রুপ তৈরি করা, যারা বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাবে।’
গিবসনের আস্থার প্রতিদানই দেওয়ার চেষ্টা করছেন বাংলাদেশ দলের পেসাররা। ওয়ালশের সঙ্গে পেসারদের ‘ভাষাগত দূরত্বে’র কথা একাধিকবার শোনা গেছে। যদিও বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা এ কথা উড়িয়ে দিয়েছেন সব সময়ই। গিবসনের ক্ষেত্রে অবশ্য এমন কিছু শোনা যায়নি এখনো; বরং তাঁর সঙ্গে পেসারদের রসায়নটা যে বেশ জমছে, সেটি বোঝা গেল শরিফুল ইসলামের কথায়। কাল হারারেতে তরুণ বাঁহাতি পেসার বলেছেন, ‘এখানে (জিম্বাবুয়ে) আসার পর লাল বলে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম (গিবসনের সঙ্গে কাজ করে)। ওটিস গিবসনের সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। তিনি আমাকে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। ব্যাটসম্যানকে কীভাবে বুঝতে হয়, নতুন বলে ও পুরোনো বলে অনুশীলন করছি। সেগুলোই ম্যাচে কাজে লাগিয়ে ভালো ফল আসছে।’
আজ সফরের শেষ টি-টোয়েন্টিতেও শিষ্যরা বড় অবদান রাখতে পারলে গিবসনের হাসিটা আরও চওড়া হবে নিশ্চিত।

আগের তুলনায় বাংলাদেশ দলের বর্তমান পেস বোলিং বিভাগটা এখন বেশ সমীহ জাগানিয়া; বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে। মোস্তাফিজুর রহমান, আবু জায়েদ, তাসকিন আহমেদের মতো অভিজ্ঞদের সঙ্গে শরিফুল ইসলাম, সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেনদের মতো তরুণ পেসাররা বড় আশাই দিচ্ছেন পেস আক্রমণে।
গত দেড় বছরে বাংলাদেশ পেস বোলিং বিভাগটা বেশ গুছিয়ে এনেছেন যিনি, ওটিস গিবসন। গিবসনের আগেও একজন ক্যারিবীয় কাজ করেছেন বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে—কোর্টনি ওয়ালশ। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৯ সালের জুলাই—তিন বছর বাংলাদেশ দলে কাজ করলেও এই ক্যারিবীয়র কাছ থেকে প্রাপ্তি কী, এ নিয়ে প্রশ্ন আছে দেশের ক্রিকেটের। গিবসনের ক্ষেত্রে অন্তত এ প্রশ্নটা এখনো শোনা যায়নি; বরং তাঁর অধীনে নতুন স্বপ্নই দেখাচ্ছেন বাংলাদেশের পেসাররা।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে গিবসনের আগমন ২০১৯ বঙ্গবন্ধু বিপিএল দিয়ে। সেবার কুমিল্লা ওয়ারিয়ার্সের কোচ হিসেবে কাজ করা গিবসন গত বছরের জানুয়ারিতে বিসিবির সঙ্গে যুক্ত হন দুই বছরের চুক্তিতে। গত দেড় বছরে তাঁর অধীনে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং বিভাগের বদলে যাওয়ার চিত্র বেশ স্পষ্ট। এ বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে ভালো করেছেন পেসাররা; বিশেষ করে গত কয়েক মাসে তাসকিন আহমেদের ফেরাটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বেশি। দলে এসেছেন শরিফুল–হাসানের মতো প্রতিভাবান পেসাররা। গিবসন পেস বোলিং কোচ হওয়ার পর বাংলাদেশের পেসাররা তিন সংস্করণে ১০৫ ম্যাচে নিয়েছেন ১৩৭ উইকেট। তাঁরা ভালো করছেন এই জিম্বাবুয়ে সফরেও। সফরে পেসাররা এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৩৩ উইকেট। সেখানে স্পিনাররা পেয়েছেন ২৮ উইকেট। মাঠের সাফল্য পেতে ফিটনেস নিয়ে পেসারদের সচেতনতা ও চেষ্টাও বেড়েছে চোখে পড়ার মতোই।
বাংলাদেশের পেসাররা নিয়মিত ম্যাচ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন না, এই ‘বদনাম’ ঘোচানোর প্রচেষ্টায় আছেন গিবসন। ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের বার্বাডিয়ান পেস বোলিং কোচ বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের ফাস্ট বোলাররা এখন দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব রাখতে শুরু করেছে। আমার আশা, একদিন পেসাররা বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাবে। আমার লক্ষ্য, পেসারদের নিয়ে এমন একটা গ্রুপ তৈরি করা, যারা বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতাবে।’
গিবসনের আস্থার প্রতিদানই দেওয়ার চেষ্টা করছেন বাংলাদেশ দলের পেসাররা। ওয়ালশের সঙ্গে পেসারদের ‘ভাষাগত দূরত্বে’র কথা একাধিকবার শোনা গেছে। যদিও বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা এ কথা উড়িয়ে দিয়েছেন সব সময়ই। গিবসনের ক্ষেত্রে অবশ্য এমন কিছু শোনা যায়নি এখনো; বরং তাঁর সঙ্গে পেসারদের রসায়নটা যে বেশ জমছে, সেটি বোঝা গেল শরিফুল ইসলামের কথায়। কাল হারারেতে তরুণ বাঁহাতি পেসার বলেছেন, ‘এখানে (জিম্বাবুয়ে) আসার পর লাল বলে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম (গিবসনের সঙ্গে কাজ করে)। ওটিস গিবসনের সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। তিনি আমাকে অনেক ভালো ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। ব্যাটসম্যানকে কীভাবে বুঝতে হয়, নতুন বলে ও পুরোনো বলে অনুশীলন করছি। সেগুলোই ম্যাচে কাজে লাগিয়ে ভালো ফল আসছে।’
আজ সফরের শেষ টি-টোয়েন্টিতেও শিষ্যরা বড় অবদান রাখতে পারলে গিবসনের হাসিটা আরও চওড়া হবে নিশ্চিত।

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
৫ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
১১ ঘণ্টা আগে