Ajker Patrika

ধুন্ধুমার শুরুর পর সিলেটে রানখরা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১: ২৫
ঢাকা ও চট্টগ্রামের ম্যাচের একটি দৃশ্য। ছবি: বিসিবি
ঢাকা ও চট্টগ্রামের ম্যাচের একটি দৃশ্য। ছবি: বিসিবি

বিপিএলের শুরুটা হয়েছিল ধুন্ধুমার। সিলেট স্ট্রাইকার্সের করা ১৯১ রানের লক্ষ্য ২ বল হাতে রেখে পাড়ি দেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। কিন্তু সকালের সূর্য সব সময় দিনের পূর্বাভাস দেয় না। বিপিএলের ক্ষেত্রে যেন সেটাই হচ্ছে। অথচ কিছুদিনের মধ্যে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করা হবে। এ সময়ে রানখরায় কতটা ভালো প্রস্তুতি হচ্ছে, সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। এবারের টুর্নামেন্ট আবার হচ্ছে মাত্র দুই ভেন্যুতে। এক ভেন্যুতে টানা খেলায় ক্লান্ত হবে উইকেট, আবহাওয়া-কন্ডিশনও রান উৎসবের অনুকূলে নেই। লো স্কোরিং ম্যাচ যদি রোমাঞ্চকর হয়, তবু বিশ্বকাপের আগে ব্যাটারদের প্রস্তুতিতে ঘাটতির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

গতকাল পর্যন্ত বিপিএলে ১০ ম্যাচ মাঠে গড়িয়েছে। সব কটি সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। প্রথম ম্যাচ ছাড়া আর কোনো ম্যাচই রানের কোটা ১৭৫-এ পৌঁছায়নি। মাঝারি মানের পুঁজি নিয়েই থামছে দলগুলো। লক্ষ্য তাড়ায় সেভাবে রান তোলার গতি দেখা যাচ্ছে না। যদিও গতকাল প্রথম ম্যাচে ছিল ব্যতিক্রম। ঢাকা ক্যাপিটালসের দেওয়া ১২৩ রানের লক্ষ্য ১০ উইকেট ও ৪৪ বল হাতে রেখে পাড়ি দিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।

৩৬ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় অপরাজিত ৬০ রানে ম্যাচসেরা হয়েছেন দলটির ইংলিশ ক্রিকেটার অ্যাডাম রসিংটন। টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ স্টাম্পিং করায় বিশ্ব রেকর্ড ছুঁয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ফিফটি তুলে নিয়ে দেখিয়েছেন বিরল নজিরও। কোটিপতি নাঈম শেখ তাঁকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন। ৪০ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় করেছেন অপরাজিত ৫৪ রান।

চট্টগ্রামের সেই স্রোত দেখা যায়নি দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে। রংপুর রাইডার্সের সামনে সিলেট টাইটানস থেমে যায় ৮ উইকেটে ১৪৪ রানে। টি-টোয়েন্টিতে বিনোদিত হওয়ার জন্য চার-ছক্কার মারই বেশি দেখতে চায় দর্শকেরা।

গত বছর সিলেটে ১২ ম্যাচে ওভারপ্রতি রান উঠেছিল ৯.২৬। সেই সিলেটেই এবার ওভারপ্রতি রান উঠেছে ৭.৬০। বরাবরের মতো এবারও শুরুতে তিন ভেন্যুতে হওয়ার কথা ছিল বিপিএল। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে টুর্নামেন্ট দুদিন বন্ধ থাকায় লজিস্টিকস জটিলতা তৈরি হয়। তাই চট্টগ্রাম পর্ব বাদ দিয়ে শুধু সিলেট আর ঢাকাতেই হবে বিপিএল। সিলেট পর্ব বর্ধিত হয়ে চলবে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই মাঠে আরও ১৪টি ম্যাচ হবে। ব্যাটাররা সেই চিত্র বদলাতে পারবেন তো।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত