অফিসে মিথ্যা বলে লিওনেল মেসিদের খেলা দেখতে আসায় আর্জেন্টিনার এক নারী ভক্ত গত বছর চাকরি হারিয়েছিলেন। হুইলেন বারবিয়েরি নামের সেই আর্জেন্টাইন নারী ভক্তের মতো এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা প্রিয় খেলোয়াড়ের খেলা দেখার জন্য অনেক কিছুই বিসর্জন দিতে পারেন।
এবারের আইপিএলে যেমন এক পিতা তাঁর সন্তানের স্কুলের বেতনের টাকা দিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির খেলা দেখেছেন। টাকার পরিমাণও কম নয়, ৬৪ হাজার ভারতীয় রুপি! ধোনি ভক্তের ঘটনাটি জানাজানির পর সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। ধোনি শোনার পর হয়তো আরও বেশি বিরক্ত হবেন। কারণ, টিকিট যে কালোবাজারিতে কিনেছেন সেই ব্যক্তি।
সমালোচনা হতো না যদি না সেই ব্যক্তি বলতেন এখন মেয়েদের স্কুলের বেতন দিতে পারছেন না তিনি। তাঁর এমন কাণ্ডের পর অনেক ‘বোকা’ বলে সম্বোধন করছেন। ধোনি ভক্ত অবশ্য একাই নিজের ইচ্ছা পূরণ করেননি, সঙ্গে তিন মেয়ের আশাও পূরণ করেছেন। তিন মেয়েকে নিয়েই খেলা দেখেছেন তিনি।
কালোবাজারিতে টিকিট কেনে ম্যাচ দেখা শেষে সেই ব্যক্তি বলেছেন, ‘আমি টিকিট পাইনি, তাই কালোবাজারিদের কাছে থেকে কিনেছি। সব মিলিয়ে ৬৪ হাজার ভারতীয় রুপি খরচ হয়েছে। এখন আমি স্কুলের বেতন দিতে পারছি না। তবে ধোনির খেলা আমি সরাসরি দেখতে চেয়েছিলাম। খেলা দেখতে পারায় আমার তিন মেয়ে এবং আমি খুব খুশি।’
ধোনির খেলা দেখার বিষয়ে সেই ব্যক্তির ছোট মেয়ের অনুভূতি হচ্ছে, ‘টিকিট ম্যানেজ করতে আমার বাবাকে বেশ কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ধোনির খেলা দেখতে পেরে আমরা খুশি।’
সেই ব্যক্তির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমের নেটিজেনরা তাঁর ব্যাপক সমালোচনা করছেন। এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘একটা ম্যাচ সন্তানদের চেয়ে বেশি মূল্যবান হতে পারে না। তাই বেশি করে দেখানোর কিছু নেই।’ এক চিকিৎসক তো ধোনি ভক্তকে বেকুব বলে সম্বোধন করে লিখেছেন, ‘এমন নির্বোধ কাজের বর্ণনা করার ভাষা নেই আমার।’
এক নেটিজেন আবার বিষয়টি ভিন্ন চোখে দেখছেন। তাঁর মতে সেই ভক্তের তিন মেয়ের কাছে মুহূর্তটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি লিখেছেন, ‘তার মেয়েরা মুহূর্তটা উপভোগ করবে এবং এই স্মরণীয় মুহূর্তটা এনে দেওয়ার জন্য তারা তাদের পিতার প্রশংসা করবে। তিনি কোনো না কোনোভাবে স্কুলের বেতন জোগাড় করবেন। আর চিন্তা না করে হয়তো এত টাকা দিয়ে টিকিট কেনেননি।’
কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে চেন্নাই সুপার কিংস ৭ উইকেটের জয় পাওয়ায় সেই ব্যক্তির টাকা খরচ সার্থক হয়েছে। দলের সঙ্গে তারাও হাসিমুখে বাড়ি ফিরতে পেয়েছে। ধোনির এমন ভক্ত অবশ্য সারা বিশ্বে অগণিত রয়েছেন, যারা যেকোনো কিছুর বিনিময়ে গ্যালারিতে গিয়ে তাঁর নাম ধরে গলা ফাটাতে ইচ্ছুক।

বিশ্বকাপের ‘এল’ গ্রুপে ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে নাটকীয় এক জয় তুলে নিয়েছে ঘানা। যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে ক্যালেব ইরেনকির করা একমাত্র গোলে পানামাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে আফ্রিকার দলটি।
৩৭ মিনিট আগে
টুখেলের সেই চালেরই চূড়ান্ত ফসল আসে ৮৫ মিনিটে। ডান প্রান্ত দিয়ে বুকায়ো সাকার নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে বক্সে ডিফেন্ডারকে বোকা বানান মার্কাস রাশফোর্ড। এরপর লিভাকোভিচকে পরাস্ত করে তার নেওয়া নিখুঁত বাঁকানো শটটি যখন জাল ছুঁল, ক্রোয়েশিয়ার ফেরার সব পথও তখন বন্ধ হয়ে যায়। এই ৪-২ গোলের জয় প্রথম ম্যাচে টুখেলকে য
৪ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শুরুর খানিক আগে দৃশ্যটা দেখা গেল। বন্ধু সার্জিও আগুয়েরো ডাগআউটের কাছে ব্যস্ত ছিলেন টিভি শো নিয়ে। গা গরম শেষে মেসি এগিয়ে এলেন, বন্ধুকে ভালোবাসা জানালেন। এ দৃশ্যে করতালির শব্দ ভেসে এল কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের পরিপূর্ণ গ্যালারি থেকে।
৬ ঘণ্টা আগে
এক পাশে ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর আরেকটি বিশ্বকাপ রাঙানোর মিশন, আরেক পাশে ৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরা ডিআর কঙ্গোর অস্তিত্বের লড়াই। ডালাসের মাঠে শক্তির বিচারে পর্তুগাল যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও মাঠের ফুটবলে তার ন্যূনতম প্রতিফলন মিলল না। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট বোতলবন্দী করে রাখার
৭ ঘণ্টা আগে